ইয়াবা ব্যবসা বদলে দিয়েছে সুমনের ভাগ্য : শুন্য থেকে কোটিপতি

রির্পোটার:
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ১৫, ২০২০
  • 784 বার সংবাদটি পড়া হয়েছে
?

কক্স৭১
শহিদুল ইসলাম সুমন অভাবের তাড়নায় কোন কিছু করার উদ্দ্যেশে নিজ গ্রাম পোকখালী ইউনিয়নের পূর্ব গোমাতলী এলাকা ছেলে প্রায় ২ বছর আগে চলে আসেন শহরের পাহাড়তলী এলাকায়। পাহাড়তলী এলাকার স্থানীয় সমাজ সেবক ও ব্যবসায়িদের দাবী সুমন আগে রিক্সা ভাড়া দিতে পারতো না সামর্থের অভাবে। কিন্তু এখন সুমন কয়েক কোটি টাকার মালিক। বর্তমানে সম্পদের মধ্যে রয়েছে নিজস্ব এসি হাইস মাইক্রো যার দাম ৩১ লাখ টাকা, নিজস্ব ২ টি এফ জেড মটর সাইকেল যার মূল্য আনুমানিক ৫ লাখ,এছাড়া সুমন পাহাড়তলী এলাকার রহমানিয়া মাদ্রাসার সামনে নিজস্ব জমি কিনে ২ তলা বাড়ি করেছে যার মূল্য আনুমানিক অর্ধ কোটি টাকা। তাছাড়া ঘরে এসি সহ শুভাপাচ্ছে মূল্যবান সামগ্রি। এদিকে এলাকাবাসীর দাবী সুমন কিছু দিন রহমানিয়া মাদ্রাসার সামনে একটি বাড়িতে ভাড়া থাকতো তখন প্রায় সময় মাঝ রাতে তার কর্মকান্ড সন্দেহ হলে একদিন রাতে তার বাড়ির সামনে মাইক্রো থেকে বস্তা নিয়ে কিছু একটা উঠানামা করার দৃশ্য ধারন করা হয়। পরে এলাকাবাসী তদন্ত করে দেখা গেছে সুমন দীর্ধ দিন ধরে ইয়াবা ব্যবসায় জড়িত। আর ইয়াবার কল্যাণেই হঠাৎ করেইবিপুল টাকার মালিক বনে গেছে সুমন। এদিকে তার নিজ গ্রাম পূর্ব গোমাতলীতে খবর নিয়ে জানা গেছে সুমনের পিতা তসুমুদ্দিন প্রকাশ তসু প্রকৃত পক্ষে নোয়াখালী থেকে আসা সে এখানে ঘর জামাই হিসাবে থাকতো তার মায়ের নাম মরিয়ম। তার ভাই বোনদের অবস্থা তেমন ভাল ছিল না। কিন্তু বর্তমানে সুমন হঠাৎ করে গাড়ী নিয়ে এলাকায় এসে ভাব দেখিয়ে চলে এবং মসজিদ মাদ্রাসায় দান করে নিজেকে বড়দানবীর হিসাবে দেখাতে চাইছে। এদিকে পূর্ব গোমাতলী এলাকা স্থানীয় লোকজনের দাবী সুমন এলাকায় থাকতেই ইয়াবা ব্যবসার সাথে জড়িত হয়ে পড়েছিল পরে এলাকার মানুষজনের কাছে জানাজানি হওয়াতে সে এলাকা থেকে চলে গিয়েছিল। এদিকে সুমনের এক নিকট আত্বীয় বলেন, আমরা অনেক আগে থেকেই জানতাম তার ইয়াবা ব্যবসার কথা সে জন্য তার পরিবারের সাথে অনেকটা সম্পর্ক কমিয়ে দিয়েছিলাম। এ ব্যপারে শহিদুল ইসলাম সুমন জানান,আমি চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনে ঠিকাদারী করি। আমার লাইসেন্সের নাম মরিয়র ট্রেডাস। আপনারা গিয়ে খোঁজ নেন। আর আমার ব্যাপারে যা বলা হচ্ছে তা সঠিক নয়। এদিকে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন ঠিকাদার সমিতির সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান বলেন,শহিদুল ইসলাম সুমন নামে কক্সবাজারে বাড়ি কোন ঠিকাদারকে আমি চিনিনা। আর সিটি কর্পোরেশনের স্থানীয় রাজনৈতিক লোকজন বহু বছর ধরে ঠিকাদারী করে এখনো সংসার চালাতে পারছেনা সেখানে সিটি কর্পোরেশনে ঠিকাদারী করে হঠাৎ করে এত টাকার মালিক বনে যাওয়া অসম্ভব। এ ব্যপারে কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুুলিশ সুপার মোঃ রফিকুল ইসলাম বলেন,মাদক কারবারীদের বিষয়ে আমাদের গোয়েন্দা নজরদারী রয়েছে খুব শিঘ্রই আমরা চিরুনী অভিযানে যাবো।

নিউজটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

এই বিষয়ে আরো সংবাদ দেখুন
© All rights reserved © 2021 cox71.com
Developed by WebArt IT