শিরোনাম :
কক্সবাজারে বিমান উড্ডয়নের সময় ধাক্কাতে ২ টি গরুর মৃত্যু : বড় দূর্ঘটনা থেকে রক্ষা চকরিয়ায় ব্যালট পেপার বিনষ্টের অভিযোগে মামলা: প্রিজাইডিং অফিসার কারাগারে খুরুশকুল এলাকায় অভিযানে ১ লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে র‌্যাব-আটক ১ কস্তুরাঘাট সংলগ্ন বাকঁখালী নদী এখন প্রভাবশালীর ব্যাক্তিগত জমি বদরখালীতে নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় নৌকা প্রার্থীর ভাগ্নেকে পিটিয়ে হত্যা ঈদগাঁওতে শীতমৌসুমে গরম কাপড় কিনতে ক্রেতাদের ভীড় চকরিয়ায় ১০ ইউপিতে আ‘লীগ ৫ স্বতন্ত্র ৫ মুক্তিযোদ্ধাকে হত্যাচেষ্টা, মহেশখালীর মেয়রসহ ২৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা পিএমখালীতে ইয়াবা সহ আটক হোসেনের সিন্ডিকেট এখনো অধরা নাফ নদ থেকে ১ কেজি আইসসহ পাচারকারী আটক

৮টি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অনুমোদন ছাড়াই কাজ করছে মিয়ানমার ভিত্তিক এনজিও কমিউনিটি পার্টনার্স ইন্টারন্যাশনার (সিপিআই)।

রির্পোটার:
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : রবিবার, সেপ্টেম্বর ১, ২০১৯
  • 87 বার সংবাদটি পড়া হয়েছে

কক্সঃ৭১ রিপোর্ট
কক্সবাজারের উখিয়ার ৮ টি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে কোন ধরনের অনুমতি ছাড়াই কাজ করছে মিয়ানমার ভিত্তিক এনজিও(সিপিআই)। মিয়ানমার সরকার ও সেই দেশটির গোয়েন্দা সংস্থা দ্বারা এনজিও-টি পরিচালিত হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
এনজিওটির বিরুদ্ধে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে থেকে মিয়ানমার সরকারের কাছে তথ্য পাচার, সন্ত্রাসীদের মদদ দেওয়ার অভিযোগও করেছেন স্থানীয়রা।সূত্র জানায়, বাংলাদেশ সরকারের কোনো অনুমতি না নিয়েই কক্সবাজার শহরে বিশাল অফিস গড়ে তুলেছে এনজিও-টি। অত্যাধুনিক প্রযুক্তি নিয়ন্ত্রিত অফিসে স্থাপন করা হয়েছে উখিয়া টেকনাফের প্রতিটি রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ম্যাপ। এনজিওটির অফিসে ঢুকলে পুরো রোহিঙ্গা ক্যাম্পের অবস্থান বুঝা যাবে।
বাংলাদেশে কাজ করার কোনো অনুমতি না থাকলেও দেশীয় পালর্স বাংলাদেশ, রোকিয়া ফাউন্দেশন, ভার্স, হেল্প কক্সবাজার, প্রত্যাশি, স্পেশ ও ওভার্ড সহ প্রায় দশটি এনজিওর ডোনার হিসেবে তারা রোহিঙ্গা ক্যাম্পে কাজ করছে। অভিযোগ আছে, পার্টনার এনজিওদের ছত্রছায়ায় মিয়ানমারের এনজিও-টি বাংলাদেশের আইনকে তোয়াক্কা না করে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে তাদের কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে।রোহিঙ্গা প্রতিরোধ ও প্রত্যাবাসন সংগ্রাম কমিটির সভাপতি মাহামুদুল হক চৌধুরী বলেন, সিপিআই মিয়ানমারের সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় এনজিও। এই এনজিও মিয়ানমারের পক্ষে কাজ করতেই রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে কাজ করছে।
এ ব্যাপারে রোহিঙ্গা ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার আবুল কালাম বলেন, ক্যাম্পে এনজিওদের অনুমতি দেয় এনজিও অ্যাফেয়ার্স ব্যুরো। তারা শুধু এনজিওদের মনিটর বা সমন্বয় করে থাকে। সিপিআই এনজিওটির অনুমতি আছে কী নেই তা জানা নেই।এ ব্যাপরে সিপিআই এনজিও’র কক্সবাজার অফিসে গেলে এনজিও’টির টিম লিডার আনোয়ার হোসেন মোল্লা জানান, সিপিআই দুই দশক আগে মিয়ানমারের কার্যক্রম শুরু করে। বাংলাদেশে কাজ করার জন্য তারা সংশ্লিষ্ট দপ্তরে আবেদন করেছে। বাংলাদেশে কাজ করার অনুমতি তাদের না থাকলেও দুই বছর আগে পালর্স বাংলাদেশ নামের এনজিওর পার্টনার হিসেবে তারা রোহিঙ্গা ক্যাম্পে কাজ শুরু করে। এখন তাদের ১০টির মতো পার্টনার এনজিও আছে।

এ ব্যাপারে পালস বাংলাদেশের সাইফুল ইসলাম কলিম,সিপিআই এর সাথে এক বছর আগে কাজ ছিল এখন নেই। আর তারা সে সময় ইউএসএ ভিত্তির এনজিও হিসাবে কাগজ পত্র দিয়েছিল।

নিউজটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

এই বিষয়ে আরো সংবাদ দেখুন
© All rights reserved © 2021 cox71.com
Developed by WebArt IT