শিরোনাম :
আর্ন্তজাতিক পীস এ্যাওয়ার্ড পেলেন কক্সবাজারের ফরিদুল হক নান্নু আর্ন্তজাতিক পীস এ্যাওয়ার্ড পেলেন কক্সবাজারের ফরিদুল আলম নান্নু খুরুশকুলে পৃথক স্থানে আ‘লীগের দু‘গ্রæপের সম্মেলন : দুটি কমিটি ঘোষনা ঈদগাঁওতে উপজেলা প্রশাসনের অভিযান: জরিমানা আদায় কক্সবাজারে ২৪ দেশের সেনা কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণে সেমিনার রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করেছেন জাপানের রাষ্ট্রদূত বনানী কবরস্থানে শায়িত হলেন সাজেদা চৌধুরী টেকনাফ উপজেলা আ‘লীগের সম্মেলন সম্পন্ন : সভাপতি বশর,সম্পাদক মাহবুব মোর্শেদ দেশে ডেঙ্গুতে মৃত্যু ৩২ জনের মধ্যে ১৫ জনই কক্সবাজারে পেশাদার সাংবাদিকদের মর্যাদা বৃদ্ধিকে কাজ করছে প্রেস কাউন্সিল

৭৫% তরুন প্রজন্ম স্যোসাল মিডিয়ায় আসক্ত

রির্পোটার:
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, আগস্ট ১১, ২০২২
  • 53 বার সংবাদটি পড়া হয়েছে

কক্স৭১

দ্য স্যাভেজ গার্ডেন’ উপন্যাসে মার্ক মিলস লিখেছিলেন, ‘বয়স্কদের কাজ হলো তরুণরা যেটাই করবে, তাতে বাধা দেওয়া’। কম বয়সী ছেলে-মেয়েরা স্ক্রিনের দিকে কতক্ষণ তাকিয়ে থাকে তা নিয়ে বিতর্ক বহু বছর ধরে চলছে। কিন্তু নতুন প্রজন্মের কিশোর-কিশোরীরা কি আগের তুলনায় অনলাইনে বেশি সময় কাটাচ্ছে? তারা কি আসক্ত হয়ে পড়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়?
এখনকার অপ্রাপ্তবয়স্করা ইন্টারনেট ও সোশ্যাল মিডিয়ায় কতটা সময় কাটাচ্ছে তার একটি তুলনামূলক চিত্র উঠে এসেছে মার্কিন থিংক-ট্যাংক পিউ রিসার্চ সেন্টারের জরিপে। সম্প্রতি প্রতিষ্ঠানটি যুক্তরাষ্ট্রে ১৩ থেকে ১৭ বছর বয়সী ১ হাজার ৩০০ কিশোর-কিশোরীর কাছে তাদের ডিজিটাল মিডিয়া ব্যবহারের তথ্য জানতে চেয়েছিল।
জরিপে দেখা গেছে, এ যুগের ছেলে-মেয়েরা আগের তুলনায় অনলাইনে অনেক বেশি সময় কাটায়। একসময়ের জনপ্রিয় প্লাটফর্মগুলো পরিহার করার ক্ষেত্রেও এগিয়ে তারা।
জরিপে সবচেয়ে জনপ্রিয় প্লাটফর্ম হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে ইউটিউব। ৯৫ শতাংশ কিশোর-কিশোরী বলেছে বলেছে, তারা একবার হলেও এটি ব্যবহার করেছে। এক-পঞ্চমাংশ ‘প্রায় অবিরত’ এবং ৭৭ শতাংশ দৈনিক একবার ইউটিউব ব্যবহারের কথা জানিয়েছে। ১৭ বছরের পুরোনো প্লাটফর্ম হিসেবে এমন পারফরম্যান্স মন্দ নয়।
ইউটিউবের চেয়ে বয়সে এক বছরের বড় ফেসবুক তুলনায় এখনো ডায়নোসর। পিউ ২০১৪-১৫ সালে সবশেষ যখন কিশোর-কিশোরীদের ওপর জরিপ চালায়, তখন সবচেয়ে জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্ম হয়েছিল ফেসবুক। সেসময় ৭১ শতাংশ অংশগ্রহণকারী এটি ব্যবহারের কথা জানিয়েছিল। এখন মাত্র ৩২ শতাংশ বলেছে, তারা জীবনে একবার হলেও ফেসবুক ব্যবহার করেছে।
নতুন প্রজন্মের ছেলেমেয়েরা ফেসবুক, টুইটার, টাম্বলারের মতো টেক্সট-নির্ভর অ্যাপগুলো এড়িয়ে চলছে। মাত্র পাঁচ শতাংশ কিশোর-কিশোরী একবার হলেও টাম্বলার ব্যবহার করেছে, অথচ আট বছর আগেও এর হার ছিল ১৪ শতাংশ। ২০১৪-১৫ সালে টুইটার ব্যবহারকারী ছিল ৩৩ শতাংশ, এখন তা কমে হয়েছে ২৩ শতাংশ।
সেই তুলনায় ইনস্টাগ্রাম-স্ন্যাপচ্যাটের মতো ছবি-নির্ভর অ্যাপগুলো নতুন প্রজন্মের কাছে বেশি জনপ্রিয়। তুলনামূলক বয়ঃজ্যেষ্ঠরা ইনস্টাগ্রাম বেশি পছন্দ করে। ১৫ থেকে ১৭ বছর বয়সীদের মধ্যে ৭৩ শতাংশ এবং ১৩ থেকে ১৪ বছর বয়সীদের মধ্যে ৪৫ শতাংশই অ্যাপটি ব্যবহারের কথা জানিয়েছে।
চীনা মালিকানাধীন ভিডিও অ্যাপ টিকটক হলো উদীয়মান তারকা। এখনকার ৬৭ শতাংশ কিশোর-কিশোরী এটি ব্যবহার করে এবং ১৬ শতাংশের কাছে তা ‘প্রায় অবিরত’। মেয়ে এবং কৃষ্ণাঙ্গদের কাছে টিকটক বেশি জনপ্রিয়।
মোটকথা, আট বছর আগের তুলনায় এখনকার মার্কিন কিশোর-কিশোরীরা অনলাইনে অনেক বেশি সময় কাটায়। আগের জরিপের তুলনায় ‘প্রায় অবিরত’ ব্যবহারকারীর হার প্রায় দ্বিগুণ বেড়েছে। ২০১৪-১৫ সালে এ ধরনের সোশ্যাল মিডিয়ায় আসক্তের হার ছিল ২৪ শতাংশ, এখন তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৬ শতাংশে। আরও ৪৮ শতাংশ বলেছে, তারা ‘দিনে একাধিকবার’ ইন্টারনেট ব্যবহার করে।
এরপরেও বেশিরভাগ কিশোর-কিশোরীর বিশ্বাস, সোশ্যাল মিডিয়ায় তাদের সময় কাটানোর পরিমাণ ঠিকই আছে। কেবল ৩৬ শতাংশ মনে করে, এটি বেশি হয়ে যাচ্ছে। অবশ্য পিউ যদি অভিভাবকদের মতামত নিতো, তাহলে হয়তো এর হার পুরো ১০০ শতাংশই দেখা যেতো।

নিউজটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না।

এই বিষয়ে আরো সংবাদ দেখুন
© All rights reserved © 2021 cox71.com
Developed by WebArt IT