শিরোনাম :
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে চোরাই পণ্যের ব্যবসা জমজমাট কক্সবাজারের দুই পৌরসভা ও ১৪ ইউপিতে ভোট ২০ সেপ্টেম্বর রামু উপজেলা পরিষদের সৌন্দর্য্য নষ্ট করে দোকান বরাদ্ধের প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ ঈদগাঁও বটতলী-ইসলামপুর বাজার সড়কের বেহাল দশা আইসক্রিম বিক্রেতা থেকে কোটিপতি রোহিঙ্গা জালাল : নেপথ্যে ইয়াবা ব্যবসা পৌর কাউন্সিলার জামশেদের স্ত্রী‘র ইন্তেকাল : সকাল ১০ টায় জানাযা উখিয়ায় বিদ্যুৎ পৃষ্টে একজনের মৃত্যু কক্সবাজারে বেড়াতে এসে অতিরিক্ত মদপানে চট্টগ্রাম ছাত্রলীগ নেতার মৃত্যু টেকনাফে নৌকা বিদ্রোহীদের জন্য কঠিন শাস্তি অপেক্ষা করছে; সাবরাং পথসভায় মেয়র মুজিব ৮ হাজার পিস ইয়াবা, যৌন উত্তেজক সিরাপ নগদ টাকা সহ আটক ১

৪ মাসে বজ্রপাতে দেশে ১৭৭ জনের মৃত্যু’

রির্পোটার:
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : শুক্রবার, জুন ১১, ২০২১
  • 114 বার সংবাদটি পড়া হয়েছে

কক্স৭১
বজ্রপাতে ২০২১ সালের মার্চ থেকে জুন মাস পর্যন্ত ৪ মাসে ১৭৭ জনের প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। মৃতদের মধ্যে ১৪৯ জন পুরুষ এবং নারী ২৮ জন। এই সময়ের মধ্যে আহত হয়েছেন আরও ৪৭ জন।শুক্রবার(১১ জুন) এক সংবাদ সম্মেলনে জরিপের এ তথ্য প্রকাশ করে সেচ্ছাসেবী সংগঠন সেভ দ্য সোসাইটি অ্যান্ড থান্ডারস্টর্ম অ্যাওয়ারনেস ফোরাম-এসএসটিএফ।
সংগঠনটি সংবাদ সম্মেলনে জানায়, বজ্রপাতে হতাহতের পরিসংখ্যান জাতীয় দৈনিক, স্থানীয় দৈনিক পত্রিকা, অনলাইন নিউজ পোর্টালের নিউজ ও টেলিভিশনের স্ক্রল পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে তৈরি করা হয়েছে।পরিসংখ্যানে বলা হয়েছে, শুধু কৃষি কাজ করতে গিয়েই মৃত্যু হয়েছে ১২২ জনের এবং চলতি বছর বজ্রপাতের হট স্পট হিসেবে সিরাজগঞ্জ জেলাকে চিহ্নিত করা হয়েছে। জেলাটিতে গত মে এবং জুন মাসেই মারা গেছে ১৮ জন। এছাড়া, চলতি বছরের ৪ মাসে জামালপুরে ১৪ জন, নেত্রকোণায় ১৩ জন, চাপাইনবাবগঞ্জে ১৬ ও চট্টগ্রামে ১০ জন মারা গেছে।
সংবাদ সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি ও জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ের কীটতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. কবিরুল বাশার, বজ্রপাত বিশেষজ্ঞ ড. মুনির আহমেদ, এসএসটিএ’র সাধারণ সম্পাদক রাশিম মোল্লা ও এসএসটিএফের গবেষণা সেলের নির্বাহী প্রধান আব্দুল আলীম প্রমুখ।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা কিছু দাবি তুলে ধরেন, দাবি সমূহ:
বজ্রপাতের ১৫ মিনিট আগেই আবহাওয়া অধিদপ্তর জানতে পারে কোন কোন এলাকায় বজ্রপাত হবে। এটাকে মোবাইল মেসেজ আকারে সংশ্লিষ্ঠ এলাকার সকল মানুষকে জানানোর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। ঝড় বা জলচ্ছ্বাসের মতো প্রকৃতিক দুর্যোগে মানুষের মৃত্যুর হার যতোটা তার চেয়ে অনেক বেশি মৃত্যুর হার বজ্রপাতে। তবে এটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রাকৃতিক দুর্যোগ ঘোষণা করলেও এই খাতে বরাদ্দ কম। মানুষের জীবন রক্ষার্থে এই খাতে বরাদ্দ বাড়াতে হবে।
মাঠে, হাওর, বাওরে বা ফাকা কৃষি কাজের এলাকায় আশ্রয় কেন্দ্র নির্মাণ করতে হবে। যার ওপরে বজ্র নিরোধক দ-স্থাপন করতে হবে। যেন বজ্রপাতের সময় কৃষকগণ সেখানে অবস্থান বা আশ্রয় নিতে পারে। বিদেশ থেকে আমদানির ক্ষেত্রে থান্ডার প্রটেকশন সিস্টেমের সকল পণ্যে শুল্ক মওকুফ করতে হবে।সরকারিভাবে প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে বাড়ি বাড়ি বজ্র নিরোধক দ-স্থাপনের ঘোষণা দিতে হবে। বজ্র নিরোধক ব্যবস্থা বা থান্ডার প্রটেকশন সিস্টেম যুক্ত না থাকলে নতুন কোনো ভবনের নকশা অনুমোদন করা যাবে না।

নিউজটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

এই বিষয়ে আরো সংবাদ দেখুন
© All rights reserved © 2021 cox71.com
Developed by WebArt IT