১৫ জনকে অভিযুক্ত করে মেজর সিনহা হত্যা মামলার চার্জশিট জমা

রির্পোটার:
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : রবিবার, ডিসেম্বর ১৩, ২০২০
  • 216 বার সংবাদটি পড়া হয়েছে

কক্স৭১
কক্সবাজারের টেকনাফে অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান হত্যা মামলার চার্জশিট জমা দেওয়া হয়েছে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা র‌্যাব এর সহকারী পুলিশ সুপার মোঃ খায়রুল ইসলাম বোরবান সকাল ১০ টায় কক্সবাজার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাটিস্ট্রেট তামান্না ফারাহর আদালতে চার্জশিট জমা করেন। পরে আদালত থেকে বের হয়ে তদন্তকারী কর্মকর্তা সাংবাদিকদের বলেন,দীর্ঘ তদন্ত শেষে এই মামলার চার মাস আটদিনের মাথায় মামলার চার্জশিট দেওয়া হলো। এই মামলায় ১৫ জনকে চার্জশিট ভুক্ত আসামী করে চুড়ান্ত প্রতিবেদন দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ পত্রের চম্বুক অংশ হলো-টেকনাফ থানার বরখাস্ত হওয়া ওসি প্রদীপ কুমার দাশের পরিকল্পনাতে অবসর প্রাপ্ত মেজর সিনহা মোঃ রাশেদ খানকে হত্যা করা হয়। মূলত ওসি প্রদীপের বেশ কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য মেজর সিনহা জেনে গিয়েছিল তাই তাকে হত্যার পরিকল্পনার অংশ হিসাবেই ওসি প্রদীপের নির্দেশে শাপলাপুর পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক লিয়াকত মেজর সিনহাকে গুলি করে হত্যা নিশ্চিত করে।
উল্লেখ্য ৩১ জুলাই রাতে কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর চেকপোস্টে গাড়ি তল্লাশি কেন্দ্র করে পুলিশের গুলিতে নিহত হন সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান।
এ ঘটনায় গত ৫ আগস্ট নিহত সিনহার বোন শারমিন শাহরিয়ার ফেরদৌস বাদী হয়ে বাহারছড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের সাবেক ইনচার্জ পরিদর্শক লিয়াকত আলীকে প্রধান আসামি করে টেকনাফ থানার সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশসহ ৯ পুলিশ সদস্যকে আসামি করা হয়। আদালত মামলাটির তদন্ত করার আদেশ দেন র‌্যাবকে।
গত ৩১ জুলাই রাতে টেকনাফের মারিশবুনিয়া পাহাড়ে ভিডিওচিত্র ধারণ করে মেরিন ড্রাইভ দিয়ে কক্সবাজারের হিমছড়ি এলাকার নীলিমা রিসোর্টে ফেরার পথে টেকনাফ শামলাপুর তল্লাশিচৌকিতে গুলিতে নিহত হন মেজর (অব.) সিনহা মো. রাশেদ।এ সময় পুলিশ সিনহার সঙ্গে থাকা সহযোগী সিফাতকে আটক করে কারাগারে পাঠায় পুলিশ। পরে রিসোর্ট থেকে শিপ্রাকে আটক করা হয়।
দুজনই বর্তমানে জামিনে মুক্ত। ওই ঘটনায় টেকনাফের সাবেক পরিদর্শক লিয়াকত ও ওসি প্রদীপসহ অন্য পুলিশ সদস্যরা এবং পুলিশের দায়ের করা মামলার তিন সাক্ষী কারাগারে রয়েছে।বর্তমানে ওসি প্রদীপ কুমার দাশ দুদকের একটি মামলায় চট্টগ্রাম কারাগারে রয়েছে। অন্য আসামিরা কক্সবাজার জেলা কারাগারে রয়েছে।

এ ঘটনায় ১৪ আসামির মধ্যে ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ও কনস্টেবল রুবেল শর্মা ছাড়া অন্য ১২ আসামি তদন্ত সংস্থা র‌্যাবের মাধ্যমে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

এই বিষয়ে আরো সংবাদ দেখুন
© All rights reserved © 2021 cox71.com
Developed by WebArt IT