শিরোনাম :
রামু উপজেলা পরিষদের সৌন্দর্য্য নষ্ট করে দোকান বরাদ্ধের প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ ঈদগাঁও বটতলী-ইসলামপুর বাজার সড়কের বেহাল দশা আইসক্রিম বিক্রেতা থেকে কোটিপতি রোহিঙ্গা জালাল : নেপথ্যে ইয়াবা ব্যবসা পৌর কাউন্সিলার জামশেদের স্ত্রী‘র ইন্তেকাল : সকাল ১০ টায় জানাযা উখিয়ায় বিদ্যুৎ পৃষ্টে একজনের মৃত্যু কক্সবাজারে বেড়াতে এসে অতিরিক্ত মদপানে চট্টগ্রাম ছাত্রলীগ নেতার মৃত্যু টেকনাফে নৌকা বিদ্রোহীদের জন্য কঠিন শাস্তি অপেক্ষা করছে; সাবরাং পথসভায় মেয়র মুজিব ৮ হাজার পিস ইয়াবা, যৌন উত্তেজক সিরাপ নগদ টাকা সহ আটক ১ মহেশখালী পৌর বিএনপির সভাপতি বহিস্কার,কমিটি বাতিল করোনা:ছয় মাস পর দৈনিক শনাক্ত ৬ শতাংশের কম

সেই পাহাড়কাটার স্থানে পরিবেশ অধিদপ্তরের অভিযান

রির্পোটার:
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : শনিবার, জুলাই ৩১, ২০২১
  • 278 বার সংবাদটি পড়া হয়েছে

কক্স৭১

শহরের কলাতলীস্থ চন্দ্রিমা এলাকার পাহাড়িকা সমাজ পরিচালনা কমিটির সভাপতি জয়নাল আবেদীনের নেতৃত্বে পাহাড়কাটার খবর প্রকাশ হলে তাৎক্ষনিক অভিযান চালায় কক্সবাজার পরিবেশ অধিদপ্তর। এতে পাহাড় কাটা বন্ধ সহ পাহাড় কর্তনকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান কক্সবাজার পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক নেজাম উদ্দিন।
পরিবেশ অধিপ্তরের সহকারী পরিচালক জানান,৩১ জুলাই বিভিন্ন অনলাইন এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সংবাদ পেয়ে আমাদের একটি টিম কলাতলীস্থ চন্দ্রীমা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেছে। সেখানে তাৎক্ষনিক পাহাড় কাটা বন্ধ সহ যারা পাহাড় কাটছে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।
উল্লেখ্য দিনদুপুরে পাহাড় কাট সহা কক্সবাজার সদরের ঝিলংজা ১নং ওয়ার্ডের পূর্ব কলাতলীস্থ চন্দ্রিমা হাউজিং সংলগ্ন বখতিয়ার ঘোনা এলাকায় কয়েকমাস আগে গঠন করা হয়েছে পাহাড়িকা সমাজ পরিচালনা কমিটি। এই সমাজের সভাপতি জয়নাল আবেদীন। তার নেতৃত্বে গেল সপ্তাহ দশ দিন ধরে চলছে দিনদুপুরে পাহাড় কাটা। আর তাতে খন্ড খন্ড করে প্লট তৈরি করে বিক্রি হচ্ছে প্রতিগন্ডা ৬০/৭০ হাজার টাকা করে। ইতোমধ্যে সেখানে তৈরি করা হয়েছে শতাধিক ঘর। এখনো পাহাড় কেটে জয়নালের নেতৃত্বে সেখানে ঘর তৈরি হচ্ছে দিনরাত। এতে তার সহযোগী হিসেবে রয়েছে ফোরকান ও জালাল। সমাজপতি জয়নাল আবেদিন বখতিয়ার ঘোনা এলাকার আবদুল মান্নানের ছেলে। জানা গেছে, কলাতলী চন্দ্রিমার ঘোনাস্থ বখতিয়ার ঘোনা এলাকায় সরকারি পাহাড়গুলো দখল ও বিক্রির প্রতিযোগিতা চলছে গত এক বছর ধরে। এর মধ্যে আব্দুল মজিদ, প্রবাসী নাছির, ইফতেকার উদ্দিন, মঞ্জুর আলম ও সালামত উল্লাহ বাবুলের নাম উঠে এসেছে। তাদের নামে সবাই খন্ড খন্ড ভাবে সরকারি পাহাড়গুলো বিক্রি করে যাচ্ছে প্রতিনিয়ত। এরপর চলছে পাহাড় কেটে স্থাপনা তৈরি। বর্তমানে বখতিয়ার ঘোনা এলাকায় ১৫টি স্থানে চলছে পাহাড় কর্তন। একই সাথে ২০টির অধিক জায়গায় পাহাড় কেটে তৈরি করা হচ্ছে ঘর।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

এই বিষয়ে আরো সংবাদ দেখুন
© All rights reserved © 2021 cox71.com
Developed by WebArt IT