সামাজিক উদ্দোগেই লকডাউন হচ্ছে বেশির ভাগ এলাকাঃভাল উদ্দোগ বলছে প্রশাসন

রির্পোটার:
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : বুধবার, এপ্রিল ৮, ২০২০
  • 88 বার সংবাদটি পড়া হয়েছে

মাহাবুবুর রহমান.
করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন এবং করোনা ভাইরাস বিস্তার রোধে সরকারের দেওয়া পদক্ষেপের পরও অনেকে লকডাউন মানতে নারাজ তাই দিন দিন বাংলাদেশে ভয়াবহতা দেখাতে শুরু করেছে করোনা ভাইরাস। ফলে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করা এবং জনগনকে ঘর থেকে বের না হওয়ার জন্য বিভিন্ন পাড়া মহল্লায় ব্যাক্তি এবং সামাজিক উদ্দোগে হচ্ছে লকডাউন। ইতি মধ্যে শহরের বেশির ভাগ এলাকা এবং উপজেলা ভিত্তিক অসংখ্য এলাকা স্থানীয় ভাবে লকডাউনেরআওতায় এসেছে বলে জানা গেছে। এদিকে সামাজিক এই উদ্দোগকে স্বাগত জানিয়েছেন প্রশাসন সহ সুশীল সমাজের নেতবৃন্ধ।
সরকারের ঘোষনা অনুযায়ী ৭ এপ্রিল পর্যস্ত বাংলাদেশে করোনায় আক্রান্ত ১৬৪ জন। মৃত্যু ১৭ জন। অথচ কয়েকদিন আগেও সেই সংখ্যা ছিল এককের ঘরে। ৫ এপ্রিলের পর থেকে পাল্টে যেতে থাকে বাংলাদেশের করোনা পরিস্থিতি। তাইএখন কঠোর না হলে ভবিষ্যতে খুবই খারাপ সময় অপেক্ষা করছে জানিয়েছে টেকপাড়া সোসাইটির সভাপতি ব্যাংকার জাহেদ উল্লাহ ও সাইফুল কবির রনি জানান,করোনা পরিস্থিতি দিন দিন খারাপের দিকে যাচ্ছে। যেখাবে বিশে^র বড় বড় প্রযুক্তির এবং ধর্ণাঢ্য দেশ করোনা পরিস্থিতি সামাল দিতে পারছেনা সেখানে আমরা যদি বড় বিপদ হয় তাহলে কোথায় যাব। কিন্তু সাধারণ মানুষ এখনো সেই ভয়াবহতার কথা বুঝতে পারছেনা। তাই টেকপাড়া কালুর দোকান সড়কে আমরা ব্যারিকেট দিয়েছি যাতে কোন গাড়ী এবং বাইরের কোন মানুষ এলাকায় ঢুকতে না পারে। এছাড়াএলাকার মানুষকে আমরা বলছি অপ্রয়োজনে যেন ঘর থেকে বের না হয়।এদিকে কক্সবাজার পৌরসভার ১০ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলার ছালাউদ্দিন সেতুর নেতৃত্ব শহরের মোহাজের পাড়াকে লকডাউন ঘোষনা করা হয়েছে। এতে এলাকার প্রবেশ মুখে বাশঁকল দিয়ে গতিরোধ করা হয়েছে যাতে বাইরের কেউ এলাকায় আসতে না পারেএবং এলাকার মানুষও বেশি বাইরে যেতে না পারে।এদিকে শহরের সিটিকলেজ এলাকা,এস এম পাড়া,দক্ষিন রুমালিয়ারছড়া সহ বেশ কিছু এলাকা সামাজিক ভাবে লকডাউন করা হয়েছে বলে জানা গেছে। এদিকে শহরের পার্শবর্তি খুরুশকুল এলাকার তেতৈয়া সড়ক বন্ধ করে দিয়েছেএলাকা মানুষ,এছাড়া পিএমখালীর চেরাংঘাটা সহ অনেক রাস্তা সামাজিক ভাবে বন্ধ ঘোষনা করেছে স্থানীয় মানুষজন। এ ব্যপারে টেকপাড়ার এড,মোহাম্মদ আবদুল্লাহ বলেন,শুধু মাত্র প্রশাসন দিয়ে সব কিছু সম্ভব না,সাধারণ মানুষ এগিয়ে না আসলে কোন কাজই শতভাগ সফল হবে না। আমি মনে করি এলাকা ভিত্তিক সাধারণ মানুষকে অনেক আগেইএগিয়ে আসা উচিত ছিল তবে এখনো সব কিছু শেষ হয়ে যায়নি। মানুষ যে এগিয়ে আসছে সেটা খুবই ভাল দিক।করোনা ভাইরাস মারাত্বক ছোয়াছে। তাই এটা সহজে একজনের শরীর থেকে অন্যজনরে শরীরে প্রবেশ করতে পারে। তাই অবাধে যাতাযাত বন্ধ করতে হবে এবং বিনা প্রয়োজনে ঘর থেকে বের হওয়া বন্ধ করতে হবে। কক্সবাজার সিটি কলেজের অধ্যক্ষ ক্যাথিং অং বলেন,আমেরিকা,বটেন,চীন,ইতালি,স্পেন,ফ্রান্স পার্শবর্তি দেশ ভারত এগুলো আমাদের চেয়ে প্রযুক্তি এবং অর্থনৈতিক ভাবে অনেক এগিয়ে তারা যেখানে এই মহামারী করোনা ভাইরাস মোকাবেলা করতে হিমশিম খাচ্ছে সেখানে আমাদের যে কি করুন পরিনতি হবে সেটা এখনো মানুষ অনধাবন করতে পারছেনা। তাই সরকারের নির্দেশনা মেনে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা এবং ঘর থেকে বের না হয়ে আমাদের নাগরিক দায়িত্ব পালন করতে হবে। যেখেত্রে অনেকে আছে সচেতনতার অভাব এবং না বুঝে বের হচ্ছে এবং ঝুকি বাড়াচ্ছে তাই তাদের সামাজিক উদ্দোগে নিয়ন্ত্রন করতে হবে।
এ ব্যপারে কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইকবাল হোসেন বলেন,সরকার সেনাবাহিনি পুলিশ সহ সকল আইনশৃংখলা বাহিনি দিয়ে মানুষকে ঘরে থাকার জন্য আহবান জানিয়ে যাচ্ছে তবে আমরা কখনো কঠোর পন্থা অবলম্বন করিনি। মানুষকে বুঝিয়ে ঘরে ফেরানোর চেস্টা করেছি এখন সময় হয়েছে কঠোর হওয়ার। একই সাথে সামাজিক ভাবে সবাই এগিয়ে আসছে এটাও ভাল দিক এতে নিজ নিজ এলাকার দায়িত্ব নিলে সবার জন্য ভাল হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

এই বিষয়ে আরো সংবাদ দেখুন
© All rights reserved © 2021 cox71.com
Developed by WebArt IT