সর্বত্র সুদখোরের দৌরাত্ব বাড়ছে

রির্পোটার:
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : শনিবার, জুন ১৩, ২০২০
  • 449 বার সংবাদটি পড়া হয়েছে

মাহাবুবুর রহমান.
করোনা পরিস্থিতিতে সরকারি হিসাবে কাজ হারিয়েছে প্রায় ৫৬% মানুষ। এর মধ্যে অতি দরিদ্র ৩৬% মানুষ খাদ্য সংকটে আছে। তাই এখন সুদখোরদের কাছে ছুটছে সেই অতিদরদ্রি মানুষ। আর এই সুযোগে উচ্চসুদে ঋন দিয়ে সেইটাকার সুদদিতে চরম বেকায়দায় পড়ছে সেই সব অসহায় গরীব মানুষরা। অন্যদিকে করোনা সুযোগে পাড়া মহল্লায় এখন জমে উঠেছে সুদের ব্যবসা যারা আগে থেকে অল্প পূজি নিয়ে সূদের ব্যবসা করতো তারা এখন আরো বেশি পরিমান পূজি খাটিয়ে সুদের ব্যবসা করছে বলে জানা গেছে এবং ৫ হাজার টাকা থেকে শুরু করে কয়েক লাখ টাকা সুদে খাটাচ্ছে বলে জানা গেছে। তবে আর্শচ্য জনক বিষয় হচ্ছে সুদ ইমলামের দৃষ্টিতে সম্পর্ন হারাম হলেও সুদখোররাই এখন সমাজের গন্যমান্য ব্যাক্তি এমনকি তারাই মসজিদ স্কুল ধর্মীয় প্রতিষ্টানের দায়িত্বশীল পদে দেখা যায়।
পাহাড়তলী এলাকার হাসিনা বেগম সহ আরো কয়েকজন জানান,আমার গরিব মানুষ কাজ না করলে খেতে পারিনা। এখন দেশে করোনা পরিস্থিতির কারনে পরিবারের পুরুষ সদস্যরা বেকার একদিন কাজ করলে ১ সপ্তাহ ঘরে থাকে তাই সংসার চালাতে সুদে টাকা নিয়েছি ১ হাজার মাসে ২০০ টাকা করে। আগে সেই রেইট আরো কম ছিল কিন্তু এখন বেড়েছে। আর সময়মত টাকা দিতে না পারলে সুদখোররা বাড়িতে এসে ঘরে জিনিস পত্র নিয়ে যায়। মোহাজের পাড়া এলাকার এক বাসিন্দা বলেন,এখানে বেশ কয়েকজন সুদে টাকা খাটায় তারা করোনা পরিস্থিতিতে আগের চেয়ে বেশি টাকা পূজি খাটিয়ে ভাল ব্যবসা করছে আর যারা সুদি ব্যবসা করে তারা সমাজে প্রভাবশালী তাই তাদের টাকা কেউ না দিয়ে পারে না। আর নির্দিস্ট সময়ে টাকা দিতে না পারলে সুদের উপর সুদ বসিয়ে চক্র হারে হিসাব করে টাকা উসুল করবে। পেশকারপাড়া এলাকার মাছ ব্যবসায়ি মনজুর বলেণ,এখানে পঙ্গু আ অক্ষরের একজন লোকজন আছে তার কাছ থেকে অনেকে সুদি টাকা নেয়। সে সুদি টাকা দিতে না পারায় অনেকের জমি ঘরের জিনিস পত্র এবং চেকের মামলা করেছে অনেকে নামে। আর বর্তমান তার দৌরাত্বে অসহায় মানুষ। এদিকে মাঝিরঘাট,নুনিয়ারছড়া,ফিসারীঘাট,নতুন বাহারছড়া,গাড়ীর মাঠ,টেকপাড়া,রুমালিয়ারছড়া,তারাবানিয়ারছড়া,উপজেলা অফিসের পাশে এবং বিভিন্ন দপ্তর ভিত্তিক সুদি কারবারী আছে বলে জানা গেছে তারা আবার অনেকে স্থানীয় মসজিদ কমিটি স্কুল কমিটিতে বড় বড় পদে দায়িত্ব পালন করে বলে জানা জানান স্থানীয় বাসিন্দারা। আর বর্তমান করোনা পরিস্থিতিতে সব কিছু মাফ হলেও সুদির টাকা কোন মাফ নেই।
এ ব্যপারে কক্সবাজার ইমাম সমিতির সভাপতি মৌলানা সিরাজুল ইসলাম ছিদ্দিকি বলেণ,ইসলামে সুদ সম্পূর্ন হারাম। আর সুদের টাকা আয় করা টাকা দিয়ে যা কিছু করা হবে সেটাও হারাম হিসাবে গন্য হবে। মূলত আমার শুধু মসজিদে আসলে ইসলাম খুজি আর যারা কিছুটা হলেও ইসলামী রীতিনীতিতে চলে তাদের নিয়ে সমালোচনা করি অথচ সমাজে সুদখোর সহ নানান ব্যবিচারি মানুষ গুলোই আজ নেতৃত্ব দিচ্ছে এটাই ইসলামের সব চেয়ে বড় পরাজয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

এই বিষয়ে আরো সংবাদ দেখুন
© All rights reserved © 2021 cox71.com
Developed by WebArt IT