সরকারী বাহিনীর মত পোষাক বানিয়ে অপরাধ কর্মকান্ড করছে রোহিঙ্গারা

রির্পোটার:
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : সোমবার, মার্চ ৯, ২০২০
  • 143 বার সংবাদটি পড়া হয়েছে

কক্স৭১

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করতে সন্ত্রাসী রোহিঙ্গারা এবার সরকারী বাহিনীর পোশাকের আদলে পোশাক বানিয়ে অপরাধ কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছে। পুলিশ অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন বাহিনীর পোশাকসহ তিন রোহিঙ্গা ডাকাতকে আটক করেছে। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে বিদেশী অস্ত্র, গুলি ও ইয়াবা। সূত্র জানায়, মানবিক কারণে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেয়া হয়েছে বাংলাদেশে। ক্যাম্পে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সদস্যরাও রোহিঙ্গাদের মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে সহায়তা করে চলেছে। এতে রোহিঙ্গারা মানবতা বিষয়টি কি- বুঝতে চেষ্টা করছে না মোটেও। বেপরোয়া মনোভাব নিয়ে আশ্রয় শিবিরে নানা বিভ্রাট সৃষ্টি করে চলেছে। পুরনো রোহিঙ্গা নেতাদের সহযোগিতায় ক্যাম্পে অবৈধ অস্ত্রের মজুদ বাড়িয়েছে রোহিঙ্গারা। র্যাব-পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা সন্ত্রাসীদের ধরতে নিয়মিত অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। তবে লাখ লাখ রোহিঙ্গার মাঝে লুকিয়ে থাকায় সশস্ত্র সন্ত্রাসী রোহিঙ্গাদের পাকড়াও করা যাচ্ছে না বলে জানা গেছে। জানা যায়, মিয়ানমার থেকে অনুপ্রবেশ করে এখানে আশ্রয় নিয়ে এমন কোন অপরাধ বাকি নেই, যা করছে না রোহিঙ্গারা। খুন, অপহরণ, গুম, অস্ত্র চালানো ট্রেনিং, ডাকাতি এমনকি প্রশাসনের সদস্যদের ওপরও গুলি চালাতে দ্বিধা করছে না রোহিঙ্গারা। গত তিনমাসের মধ্যে অন্তত তিনবার পুলিশের ওপর গুলি চালিয়েছে রোহিঙ্গা ডাকাতদল। সচেতন মহল বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মানবিক কারণে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়েছেন বলে বিষয়টি এই নয় যে, রোহিঙ্গারা আশ্রিত দেশের (বাংলাদেশ) প্রচলিত আইন নিজের হাতে তুলে নেবে। ক্যাম্প অভ্যন্তরে তারা মহাসমাবেশ করার মতো সুযোগ পেতে পারে না। কিছুসংখ্যক এনজিওর উস্কানির কারণে বেড়ে গেছে রোহিঙ্গাদের স্পর্দা। রোহিঙ্গাদের বেলায় শরণার্থী আইন মানা হচ্ছে না মোটেও। পুলিশ, বিজিবি ও র্যাব অভিযান চালিয়ে রোহিঙ্গাদের কাছ থেকে বহু অস্ত্র উদ্ধার করেছে। আটক করেছে সন্ত্রাসী বহু রোহিঙ্গাকে। তবে এ পর্যন্ত কোন এনজিও কর্মীর সহযোগিতায় একজন অপরাধী রোহিঙ্গাকে আটকের নজির নেই।
স্থানীয়দের প্রশ্ন হচ্ছে-রোহিঙ্গারা এখানে শুধু সাময়িক আশ্রিত মাত্র। সরকার যখন চাইবে, তখনই তাদের প্রত্যাবাসন এবং স্থানান্তরে রাজি থাকতে হবে। এখন রোহিঙ্গারা উল্টো সিদ্ধান্ত নেয় কেন? তাদের এই সাহস যোগাচ্ছে কারা? কারা তাদের হাতে অস্ত্র তুলে দিচ্ছে? তাদের বেপরোয়া করে তোলা হচ্ছে কি উদ্দেশে? এসব বিষয় খতিয়ে দেখা প্রয়োজন হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বাংলাদেশ মিয়ানমারের মধ্যে সম্পাদিত প্রত্যাবাসন চুক্তির কোন ত্রুটি থাকলে সেটা ঠিক করে দ্রুত সকল রোহিঙ্গাকে একযোগে প্রত্যাবাসন করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

নিউজটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

এই বিষয়ে আরো সংবাদ দেখুন
© All rights reserved © 2021 cox71.com
Developed by WebArt IT