শিরোনাম :
স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষ্যে জেলা আনসারও ভিডিপি’র বর্ণাঢ্য পতাকা র‌্যালী অনুষ্ঠিত ইচ্ছার বিরুদ্ধে বিয়ের জন্য চাপ দেওয়াতে ইসলামপুরে তরুনীর আত্মহত্যা ঈদগাঁও রাবার ড্রাম পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতির নিবার্চন সম্পন্ন সড়ক দূর্ঘটনায় মহেশখালী থানার পুলিশ কনস্টেবলের মৃত্যু গণপরিবহনে হাফ ভাড়া চান চট্টগ্রামের শিক্ষার্থীরাও কক্সবাজারে বিমান উড্ডয়নের সময় ধাক্কাতে ২ টি গরুর মৃত্যু : বড় দূর্ঘটনা থেকে রক্ষা চকরিয়ায় ব্যালট পেপার বিনষ্টের অভিযোগে মামলা: প্রিজাইডিং অফিসার কারাগারে খুরুশকুল এলাকায় অভিযানে ১ লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে র‌্যাব-আটক ১ কস্তুরাঘাট সংলগ্ন বাকঁখালী নদী এখন প্রভাবশালীর ব্যাক্তিগত জমি বদরখালীতে নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় নৌকা প্রার্থীর ভাগ্নেকে পিটিয়ে হত্যা

সন্ত্রাসী দূর্নীতিবাজ,প্রতারক ফরিদুল আলমের অত্যাচের অতিষ্ট মহেশখালীর মানুষ দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবী

রির্পোটার:
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : সোমবার, জুন ১৭, ২০১৯
  • 234 বার সংবাদটি পড়া হয়েছে

বার্তা পরিবেশক
বড় মহেশখালী ইউনিয়নের ফকিরাঘোনা এলাকার আলী হোসেনের ছেলে ফরিদুল আহাম্মদ প্রকাশ ফরিদুল আলমের অত্যাচারে অতিষ্ট এলাকাবাসী। সন্ত্রাসী,দূর্নীতি বাজ,প্রতারক এবং বহুমামলার গ্রেফতারী পরোয়ানা প্রাপ্ত আসামী ফরিদুল আলম সব সময় সাধারণ মানুষকে কোন না কোন ভাবে জিম্মি করে হয়রানী করে টাকা আদায় করে। এবং মাঝে মধ্যে সরকারি দলের নেতাদের নাম ব্যবহার করে নিজেকে বড় হিসাবে জাহির করে সব সময় ধান্দায় ব্যাস্ত থাকে। তাই মহেশখালী উপজেলা প্রশাসন থেকে শুরু করে জেলা প্রশাসন,পুলিশ প্রশাসনের কাছে এই সন্ত্রাসী,দূর্নীতিবাজ ও প্রতারক ফরিদুল আলম কে পশ্রয় না দেওয়া সহ তার শাস্তিদাবী করেছে এলাকাবাসী।
মহেশখালীর অসংখ্য সাধারণ মানুষের সাথে কথা বলে জানা গেছে বড় মহেশখালী ইউনিয়নের ফকিরাঘোনা এলাকার প্রতারক ফরিদুল আলমের বহু কুকৃত্তির কাহিনীর কথা।
জানা গেছে মহেশখালীর হেতালিয়া মৌজার ৯৩.৮০ একর জমির জাল পাট্টা সৃজন করে তা দখল করায় বাংলাদেশ দূর্নীতি দমন ব্যুরো ঢাকার স্বারক নাম্বার ২৫৪-২০০১ কক্সবাজার ১২৬৩,তারিখ ০৯/০৭/২০০১ ইং। তৎকালীন দূর্নীতি দমন ব্যুরো কক্সবাজারের পরিদর্শক মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন তৎকালীন জেলা দূর্নীতি দমন অফিসারকে রাম মোহন নাথ কে২৫/০৭/২০০১ ইং তারিখ চিঠি দেন। সেই চিঠিতে বলা হয়েছে ফকিরাঘোনা এলাকার মৃত আলী হোসেনের ছেলে মোঃফরিদ সহ অপর ২ জন মিলে প্রতারনার মাধ্যমে জাল পাট্টা সৃজর করে সরকারি সম্পদ আত্বসাৎের উদ্দেশে সরকারী ৯৩.৮০ একর জমির মুল্য ৯৩ লাখ ৮০ হাজার টাকা এবং ১৯৭৮ সাল হইতে উক্ত জমির সরকারী ইজারা মুল্য ৩৩ হাজার ৭৬ হাজার ৮০০ টাকা সহ মোট ১ কোটি ২৭ লাখ ৫৬ হাজার ৮০০ টাকা আত্বসাতের দায়ে দন্ড বিধি ৪২০/৪৬৭/৪৬৮/৪৭১/৪০৬/১০৯ ধারা মতে মামলা রুজু করার মতামত দেন তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিএসবি পরিদর্শক মোঃ ইকবাল হোসেন।
এছাড়া উক্ত ফরিদুল আলম সে কোন সাধারণ মানুষের জমি দখল,ছোট কারনে সন্ত্রাসী বাহিনি দিয়ে হামলা করে টাকা আদায় সহ সব সময় সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে লিপ্ত থাকে। সে এবং তার বাহিনি অস্ত্র বেচা কেনা থেকে শুরু করে চিংড়ী ঘের দখল করা,অন্যের জমি দখল করে বিচারের নামে টাকা আদায় থেকে শুরু করে সব ধরনের অপরাধে জড়িত। তাই ফরিদুল আলম সহ তাদের সন্ত্রাসী বাহিনির বিরুদ্ধে একাধিক মামলা আছে যার মধ্যে মহেশখালী থানার জিআর মামলা নাম্বার ১০/২০০১,৩৪/২০০৪,১২২/২০০৬,২৩০/২০১০,১৯/২০০৭,২২৫/২০১১,২১৬/২০০৬,৭৯/২০১৩,০২/২০১৮, এছাড়াও চলতি বছরে ফরিদ সহ তার বাহিনির বিরুদ্ধে জিআর ১৪২/১৯, জিআর ৭৭২/১৯ সিআর ২৯/১৯ এবং দলিল জালিয়তী প্রতারনা মামলা ০৩/২০১৯ বিচারাধীন ও তদন্তাধীন আছে।
এখানে শেষ নয় উক্ত ফরিদুল আলমের জালিয়াতির ইতিহাসও অনেক লম্বা, তিনি সে কোন সময় মানুষ থেকে টাকা পয়সা নিয়ে হঠাৎ করেই তা অস্বিকার করেন এবং টাকা না দেওয়ার ফন্দি ফিকির করে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষ থেকে জমি বেচার জন্য বায়না করে টাকা নিয়ে আর রেজিস্ট্রি দেয় না। পরে আবার সেই জমিঅন্যকে রেজিস্ট্রি দিয়ে প্রতারণা করেন তার একটি জলন্ত প্রমান হচ্ছে ২২/১০/৭৫ সালের ৯৭৬৩ নাম্বার দলিলে মোট জমির পরিমান ছিল.৭৯ একর কিন্তু সেখানে ফরিদুল আলম জালিয়াতি করে সেই দলিলকে সম্পূর্ন ভাবে নতুন ভাবে জাল দলিল তৈরি করে সাব-রেজিষ্ট্রার সহ সকল সীল জাল করে ১.৭৯ শতক জমি দেখিয়ে আরো একটি দলিল সৃষ্টি করে। আবার সেই জাল দলিল দিয়ে ২৪/৪/২০১৩ সালে ৭ জনের কাছে জালিয়াতি করে ১.৬৯ শতক জমি বিক্রি করে।
এছাড়া এলাকায় খোঁজ নিয়ে জানা গেছে উক্ত ফরিদুল আলম ছোট মহেশখালী এলাকার হাজী ছৈয়দ কবিরের ছেলে প্রবাসী মাওঃমোহাম্মদ ইউনুচের সাথে ২০১৮ সালের ৩ অক্টোবর বি,এস ২০৮,২১৩ নং খতিয়ানের বি,এস দাগ ১৪৩১,১৪৩০,১৪৩৪,১৪৩৩,১৪২৯ দাগাদির ১০ শতক ৩০ কড়া জমির বায়না করে সে অনুযায়ী স্বাক্ষী গনের স্বাক্ষাতে ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকার মধ্যে ২ লাখ ৪০ হাজার টাকা গ্রহন করে বাকী ২ লাখ ১০ হাজার টাকা দিলেই জমি রেজিস্ট্রি করে দেওয়ার কথা। কিন্তু সেই জমি বার বার রেজিস্ট্রে দেওয়ার কথা বল্লেও প্রতারক ফরিদ কোন ভাবেই দখল ও দেয়নি রেজিস্ট্রেও দেয়নি। বরং রেজিস্ট্রি দিতে চুক্তির বাইরে টাকা দাবী করে। তারদাবী কৃত চুক্তির বাইরে টাকা দিলে সেটাও আত্বসাৎ করে জমি রেজিস্ট্রি দেয়নি। সেকারনে মাওঃ মোহাম্মদ ইউনুচের শশুর মৌঃ জিয়াউল হক মহেশখালী সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা করে যার নাম্বার সিআর ২৬/১৯।
বর্তমানে সে ৩/১৫১ সহ একাধিক মামলার গ্রেফতারী পরোয়ানা প্রাপ্ত আসামী হওয়ার সত্বেও আইনের প্রতি বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন করে প্রকাশ্যে বীর দর্পে ঘুরাফেরা করছে। তাকে আটক না করায় জনগনের মাঝে ক্ষোভের সঞ্চার হচ্ছে।
বর্তমানে উক্ত ফরিদুল আলমের অনিয়ম দূর্নীতি আর প্রতারনা পাল্লা এতই ভারী হয়ে গেছে তার আর কোন জায়গা নেই তাই এখন বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতাদের পেছনে থেকে নিজেকে বাচাঁনোর চেস্টা করে। তাই প্রতারক,জালিয়াতি চক্রের মুলহুতা এবং দূর্নীতি বাজ সর্ম্পকে সবাইকে সজাগ থাকার অনুরোধ জানিয়েছে সমগ্র মহেশখালীর মানুষ।
একই সাথে উক্ত প্রতারক চক্রের মুলহুতা,সন্ত্রাসী ফরিদুল আলমকে দ্রুত আইনের আওতায় আনার জন্য প্রশাসনের কাছে দাবী জানিয়ছে এলাকাবাসী।

নিউজটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

এই বিষয়ে আরো সংবাদ দেখুন
© All rights reserved © 2021 cox71.com
Developed by WebArt IT