সনাক্ত হওয়ার করোনা রোগির ছেলে ও মেয়ের ২ টি ভবন লকডাউন

রির্পোটার:
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, মার্চ ২৪, ২০২০
  • 56 বার সংবাদটি পড়া হয়েছে

মাহাবুবুর রহমান.
কক্সবাজারের প্রথম করোনা রোগি মুসলিমা খাতুন যে দুই বাড়িতে ছিলেন সেই বাড়ি দুটি লকডাইন করে দিয়েছে প্রশাসন। ২৪ মার্চ দুপুরে কক্সবাজার শহরের পাহাড়তলী এলাকার কচ্চপিয়া পুকুর পাড়ে অবস্থিত মুসলিমা খাতুনের ছেলে কক্সবাজার সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ সোলায়মান এর বাড়ি খোরশেদ ভবন। এর পল্লীবে লেইনের ফরিদ ভবন এই ভবনের মালিক মুসলিমা খাতুনের মেয়ে জানা গেছে রোগি এই বাড়িতেও ছিল তাই এই দুটি ভবনকে লকডাইন করা হয়েছে এবং দুটি ভবনের সবাইকে ১৪ দিনের হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। স্থানীয় পৌর কাউন্সিলার আশরাফুল হুদা ছিদ্দিকি জামশেদ বলেন, যে দুটি বাড়িতে সনাক্ত হওয়া রোগি ছিল সেই বাড়ি দুটির সকল মানুষকে লকডাইন করা হয়েছে। এখানে পৌরসভার পক্ষ থেকে সার্বক্ষনিক পাহারায় থাকবে। আর প্রয়োজন হলে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে খাবার সরবরাহ করা হবে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আদিবুল ইসলাম,সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদ উল্লাহ মারুফ,সদর থানার ওসি শাহজাহান কবির সহ অন্যান্য কর্মকর্তারা। এদিকে ২৪ মার্চ জেলার প্রথম করোনা রোগি হিসাবে সনাক্ত করা হয়। খুটাখালী এলাকার বাসিন্দা তিনি ১৩ মার্চ ওমরা হজ¦ করে সৌদি আরব থেকে এসেছেন। পারিবারিক সূত থেকে জানা গেছে তিনি সৌদি আরব থেকে আসার সময় গায়ে জ¦র নিয়ে এসেছিলেন। তবে সেটাকে পাত্তা দেয়নি উনার ছেলে মেয়েরা। বরং জেলা সদর হাসপাতালে সৌদি আরব থেকে এসেছেন সেই তথ্যই গোপন করেন উনার ছেলে। এতে চরম দায়িত্বহীনতার পরিচয় দিয়েছেন বলে মন্তব্য করেন কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালের তত্ববধায়ক ডাঃ মোহাম্মদ মহিউদ্দিন। তিনি বলেণ,তিনি একজন শিক্ষিক মানুষ হয়ে যে দায়িত্বহীনতার পরিচয় দিয়েছেন সেটা কোন সাধারণ মানুষও করবেনা। এটা খুবই অন্যায় হয়েছে। এতে আমাদের ডাক্তার নার্সরাও সংকটে পড়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

এই বিষয়ে আরো সংবাদ দেখুন
© All rights reserved © 2021 cox71.com
Developed by WebArt IT