শিরোনাম :
কক্সবাজারে বিমান উড্ডয়নের সময় ধাক্কাতে ২ টি গরুর মৃত্যু : বড় দূর্ঘটনা থেকে রক্ষা চকরিয়ায় ব্যালট পেপার বিনষ্টের অভিযোগে মামলা: প্রিজাইডিং অফিসার কারাগারে খুরুশকুল এলাকায় অভিযানে ১ লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে র‌্যাব-আটক ১ কস্তুরাঘাট সংলগ্ন বাকঁখালী নদী এখন প্রভাবশালীর ব্যাক্তিগত জমি বদরখালীতে নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় নৌকা প্রার্থীর ভাগ্নেকে পিটিয়ে হত্যা ঈদগাঁওতে শীতমৌসুমে গরম কাপড় কিনতে ক্রেতাদের ভীড় চকরিয়ায় ১০ ইউপিতে আ‘লীগ ৫ স্বতন্ত্র ৫ মুক্তিযোদ্ধাকে হত্যাচেষ্টা, মহেশখালীর মেয়রসহ ২৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা পিএমখালীতে ইয়াবা সহ আটক হোসেনের সিন্ডিকেট এখনো অধরা নাফ নদ থেকে ১ কেজি আইসসহ পাচারকারী আটক

সদর হাসপাতাল ও সিভিল সার্জন অফিসের ১০ ডাক্তার ২১ নার্স ৭ কর্মচারী করোনা আক্রান্ত

রির্পোটার:
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : রবিবার, মে ৩১, ২০২০
  • 1187 বার সংবাদটি পড়া হয়েছে

মাহাবুবুর রহমান.
কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালের ৯ জন ডাক্তার ২১ জন নার্স এবং ৩ জন কর্মচারী করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এছাড়া সিভিল সার্জন অফিসের ১ জন ডাক্তার সহ ৪ জন পদস্থ কর্মচারী করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন এরা প্রত্যেকেই নিজ নিজ দায়িত্ব পালনে সচেষ্ট থেকে সাধারণ মানুষে সেবা করতে গিয়ে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
কক্সবাজার সদর হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে,৮ মার্চ থেকে বাংলাদেশে করোনা সংকটে থাকা অবস্থায় দেশের স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মীদের দায়িত্ব সব চেয়ে পড়ে। অন্যান্য সকল দপ্তরের কর্মীরা পরিবারের সাথে ঘরে থাকতে পারলেও স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মীদের ঘরে থাকার সুযোগ ছিল না। তাই এই বিভাগের কর্মীদের বেশি আক্রান্ত হতে হয়েছে ভয়াল করোনা ভাইরাসে। এতে জেলার অন্যতম চিকিৎসা সেবা প্রতিষ্টান কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে করোনার সব চেয়ে ভয়াল থাবা পড়েছে। এতে ৩০ মে পর্যন্ত সদর হাসপাতালের ৯ জন ডাক্তার ২১ জন নার্স এবং ৩ জন কর্মচারী করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন বলে জানা গেছে। তবুও চিকিৎসা সেবা দিয়ে যাচ্ছে এই প্রতিষ্টানের বাকি কর্মীরা। এদিকে সিভিল সার্জন অফিসের একজন মেডিকেল অফিসার সহ ৪ জন পদস্থ কর্মচারী করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন বলে জানা গেছে। এ ব্যপারে সচেতন মহলের দাবী করোনা এই সংকটে স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মীদের দায়িত্ব বেশি আর উনারা নিজের দায়িত্ব সঠিক ভাবে এ পর্যন্ত পালন করে আসছে কারন আমরা দেখছি এখনো মাঠে ঘাটে গিয়ে স্বাস্থ্য কর্মীরা মানুষের সেবা দিয়ে যাচ্ছে। তবে হাসপাতাল গুলোতে সাধারণ রোগিরা চিকিৎসা পাচ্ছে না বলেও অভিযোগ করেন অনেকে।
এ ব্যপারে সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ শাহীন আবদুর রহমান বলেণ,দেশের সকল বিভাগের দায়িত্বশীলরা পরিবারের সাথে ঘরে থাকতে পারছে স্বাস্থ্য বিভাগ সহ কয়েকটি দপ্তরের কর্মচারীরা তার বিপরীত তাদের সব সময় মানুষের সেবা দিতে কর্মস্থলে থাকতে হয়েছে আমি মনে করি জাতীর এই দুঃসময়ে স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তা কর্মচারীরা যে উদার মানসিকতা নিয়ে মানুষের সেবা দিচ্ছে তার কখনো ভুলার মত না। এমনকি অনেক কর্মী আছে করোনা সনাক্ত হওয়ার পরে ঘরে থাকার সময় বলছে আমি দ্রæত কাজে যোগ দিতে যায়। কক্সবাজারের সিভিল সার্জন ডাঃ মাহাবুবুর রহমান বলেন,করোনা টেস্ট রিপোর্ট প্রদান সেটা প্রচার করা করোনা রোগির চিকিৎসা দেওয়া সেবা করা থেকে শুরু করে যাবতিয় কাজের প্রধান ভুমিকা রাখছে স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মীরা। এমনকি রাত ২ টা এমনকি ফজরের আযানের সময়ও অনেক করোনা রোগি ফোন করে তখনো আমি এবং আমার সহকর্র্মীরা রোগির সেবা দেয়। এ সময় তিনি করোনা আক্রান্ত সকল বিভাগের কর্মীদের সুস্থতা কামনা করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

এই বিষয়ে আরো সংবাদ দেখুন
© All rights reserved © 2021 cox71.com
Developed by WebArt IT