সতিনের ঝগড়ায় ক্ষত-বিক্ষত দু’ নিষ্পাপ শিশু

রির্পোটার:
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : শনিবার, জানুয়ারী ১১, ২০২০
  • 76 বার সংবাদটি পড়া হয়েছে
??????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????

মো: সাইফুল ইসলাম খোকন, চকরিয়া :
কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের গোয়াখালী বটতলিয়া পাড়ায় সতিনের সাথে ঝগড়া দিয়ে দুই শিশু সন্তানকে সর্বশরীরে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা করেছে গর্ভধারনী মা দিলোয়ারা বেগম। গতকাল শনিবার ১১জানুয়ারী বেলা ২টায় এ হৃদয় বিদারক ঘটনাটি ঘটেছে। আহত চার বছর বয়সী আরিফা ও দেড় বছর বয়সী আসিফা একই এলাকার আরিফুল ইসলামের মেয়ে।
স্থানীয় প্রতিবেশী গিয়াস উদ্দিন নামের একজন জানিয়েছেন, আরিফুল ইসলামের ১ম স্ত্রী দিলোয়ারা বেগম। তাদের ঘরে জন্ম নেয় দুই শিশু। পরে প্রথম স্ত্রী দিলোয়ারা বেগমের অনুমতি না নিয়ে দ্বিতীয় বিয়ে করেন স্বামী আরিফুল ইসলাম। ওই স্ত্রীকে নিয়ে চট্টগ্রাম শহরে বসবাস শুরু করেন। এ নিয়ে স্বামীর সাথে প্রথম স্ত্রী দিলোয়ারা বেগমের মোঠোফোনে প্রায় ঝগড়া হতো।
ইতোমধ্যে মধ্যে স্বামী আরিফুল ইসলাম তার দ্বিতীয় স্ত্রী বানুকে নিয়ে গ্রামের বাড়ি গোঁয়াখালীতে নিয়ে আসেন। এক ঘরে দু’সতিনের বসবাস হওয়ায় প্রায় সময় ঝগড়া হতো তাদের মধ্যে। গতকাল ঘটনার দিন দুপুরে দু’ সতিন ঝগড়ায় লিপ্ত হয়। এক পর্যায়ে দিলোয়ারা বেগম নিজ সন্তান আরিফা ও আসিফাকে দারালো দা দিয়ে কুপাতে থাকে। এক সময় দুই শিশু মাঠিতে নিস্তেজ হয়ে পড়ে। পরে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে গুরুতর আহত দুই শিশুকে হাসপাতালে নিয়ে আসেন। পাষন্ড মাকে স্থানীয়রা আটক করে পুলিশে দিয়েছে।
পেকুয়া সরকারি হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক মুজিবুর রহমান বলেন, এরকম ঘটনা আমার ডাক্তারী জীবনে খুব কম দেখেছি। মা দূরের কথা শত্রুরাও এমনভাকে কাউকে কুপাতে দেখিনা। আরিফার গলা, কব্জিসহ ৪টি আর আসিফার গলা, হাতসহ ৪টি কোপ রয়েছে। তাদের ক্ষত খুবই মারাত্বক। তাদের জরুরীভাবে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
পেকুয়া থানার ওসি কামরুল আজম বলেন, মর্মান্তিক ঘটনা। আটক করা হয়েছে মা নামের পাষন্ড দিলোয়ারা বেগমকে। ঘটনাটি কি কারণে ঘটেছে তার তদন্ত চলছে। যারাই এঘটনায় জড়িত তাদেরকে উপযুক্ত শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে। ##

নিউজটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

এই বিষয়ে আরো সংবাদ দেখুন
© All rights reserved © 2021 cox71.com
Developed by WebArt IT