শিরোনাম :
উখিয়ার রোহিঙ্গা ছৈয়দ নুরের এনআইডি বাতিল করতে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ আদালতের নির্দেশ অমান্য করে কলাতলীতে হোটেল দখলে নিতে তৎপর প্রতারক চক্র অবাধ তথ্য প্রবাহ দূর্নীতি প্রতিরোধে সহায়ক ভুমিকা রাখতে পারে : সুজনের আলোচনা সভায় বক্তারা ফাঁদে ফেলে ব্ল্যাকমেইল করতেন বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই নারী শিক্ষক ২০ হাজার ইয়াবা সহ আটক ১ জেলার বিভিন্ন মসজিদ মাদ্রাসায় কর্মরত রোহিঙ্গাদের সরকারি সুযোগ সুবিধা বাতিলের দাবীতে আবেদন রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীর হাতে অপহৃত ৩ বাংলাদেশীকে উদ্ধার করেছে র‌্যাব নাফ নদীতে অজ্ঞাত শিশুর লাশ উদ্ধার ১০ হাজার ইয়াবা সহ আটক ২ আইনজীবি হলেন স্বামী স্ত্রী জসিম উদ্দিন ও মর্জিনা আক্তার

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের লভ্যাংশ নিয়ে দ্বন্দ্বে অধ্যক্ষকে ছয় টুকরা

রির্পোটার:
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : সোমবার, আগস্ট ৯, ২০২১
  • 164 বার সংবাদটি পড়া হয়েছে

কক্স৭১
প্রতিষ্ঠানের লভ্যাংশ নিয়ে দ্বন্দ্বে অধ্যক্ষকে ছয় টুকরাপ্রতিষ্ঠানের লভ্যাংশ নিয়ে দ্বন্দ্বে অধ্যক্ষকে ছয় টুকরা
সাভারের আশুলিয়ায় প্রায় এক মাস ধরে নিখোঁজ কলেজ অধ্যক্ষ মিন্টু চন্দ্র বর্মনের খন্ডিত মরদেহ উদ্ধার করেছে র‌্যাব। এ ঘটনায় মূলহোতাসহ তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে মরদেহের খন্ডিত বাকি অংশ উদ্ধারে অভিযান চলছে বলে জানিয়েছে র‌্যাব।সোমবার (০৯ আগস্ট) দুপুর ১টার দিকে আশুলিয়ার জামগড়া রূপায়ন এলাকায় সংবাদ সম্মেলন করে এ তথ্য জানান র‍্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন।
নিহত মিন্টু চন্দ্র বর্মন লালমনিরহাট জেলার হাতীবান্ধা উপজেলার টংভাঙ্গা ইউনিয়নের বাড়াইপাড়া গ্রামের শরত বর্মনের ছেলে। তিনি আশুলিয়ার জামগড়া এলাকার সাভার রেসিডেনশিয়াল স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ ছিলেন।
নিহতের পরিবারের স্বজনরা জানান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় আশুলিয়ার জামগড়া এলাকায় ভাড়া বাসায় থেকে টিউশনি করিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন অধ্যক্ষ মিন্টু চন্দ্র বর্মণ। গত ১৩ জুলাই আশুলিয়ার বেরন এলাকা থেকে তিনি নিখোঁজ হন। এরপর পরিবারের সদস্যরা অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি। তার ফোনও বন্ধ ছিল। পরে ২২ জুলাই তার ছোট ভাই দীপক চন্দ্র বর্মণ আশুলিয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। অভিযোগ জানানো হয় র‍্যাবের কাছেও।র‍্যাব তদন্তে নেমে জানতে পারেন, মিন্টু বর্মণকে হত্যার পর লাশ ছয় টুকরা করে স্কুলের মাঠে পুঁতে ফেলা হয়। দেহ থেকে মিন্টুর মাথা বিচ্ছিন্ন করে রাজধানীর দক্ষিণখানের আশকোনার একটি ডোবায় ফেলে দেওয়া হয়।
র‍্যাব জানায়, বেলা সাড়ে ১১টার দিকে আশুলিয়ার জামগড়ায় রেসিডেন্সিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ এলাকায় মিন্টু বর্মণের লাশ উদ্ধারে অভিযান শুরু করে র‍্যাব। মিন্টু চন্দ্র বর্মণ সাত বছর ধরে আশুলিয়ার জামগড়া এলাকায় বসবাস করতেন। তিনি সেখানকার আমিন মডেল টাউন স্কুল অ্যান্ড কলেজে শিক্ষকতা করতেন। দুই বছর আগে (২০১৯ সাল) মিন্টু চন্দ্র বর্মণসহ চারজন মিলে জামগড়া এলাকায় একটি বাসা ভাড়া নিয়ে সাভার রেসিডেন্সিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ নামে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেন। অন্য তিন সহ-প্রতিষ্ঠাতা হলেন রবিউল ইসলাম, মোতালেব ও শামসুজ্জামান। মিন্টু চন্দ্র বর্মণ ছিলেন এর অধ্যক্ষ। গত ১৩ জুলাই থেকে তাঁর সন্ধান মিলছিল না। প্রায় ২৮ দিন ধরে তিনি নিখোঁজ ছিলেন।
র‌্যাব সদর দফতরের মিডিয়া উইয়ং এর কমান্ডার খন্দকার আল মঈন সংবাদ সম্মেলনে বলেন, প্রথমে ৭ জুলাই মিন্টুকে হত্যার পরিকল্পনা করে। পরে ১৩ জুলাই স্কুলটিতে কোচিং পরবর্তী সময়ে ১০৬ নম্বরে মিন্টুকে ডেকে নিয়ে যায় বাদশা ও মোতালেব। এসময় মিন্টুর মাথায় হাতুড়ি দিয়ে বাদশা আঘাত করে। পরে ৬ টুকরো করে মাথা রাজধানীর আশকোনার একটি ডোবায় ফেলে দেয়। বাকি ৫ টুকরো স্কুলের আঙিনায় পুঁতে রাখে তারা।
তিনি আরও বলেন, মিন্টু বর্মণের সুনাম ও খুব ভালো শিক্ষক হওয়ায় পেশাগত হিংসা শুরু করেন গ্রেফতারকৃতরা। এছাড়া প্রতিষ্ঠানের লভ্যাংশ নিয়েও তাদের মধ্যে মনোমালিন্য ছিল। এর জের ধরেই তাকে হত্যা করে তারা। এরপর থেকেই রবিউল পলাতক ছিল। গত মধ্যরাতে রবিউলকে আব্দুল্লাপুর থেকে, তার ভাগিনা বাদশাকে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ থেকে আর মোতালেবকে আশকোনা থেকে গ্রেফতার করা হয়। পরে রবিউলের দেওয়া তথ্যমতে স্কুলের আঙিনা থেকে মিন্টুর শরীরের ৫টি খন্ডিতাংশ উদ্ধার করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

এই বিষয়ে আরো সংবাদ দেখুন
© All rights reserved © 2021 cox71.com
Developed by WebArt IT