শিরোনাম :
মাতারবাড়ি প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ হাসিনার জম্মদিন উপলক্ষ্যে ঈদগাঁওতে ১ হাজার ৫শ জনের মাঝে টিকা আইসক্রিম বিক্রেতা থেকে কোটিপতি রোহিঙ্গা জালাল : নেপথ্যে ইয়াবা ব্যবসা সিনহা হত্যা মামলার চতুর্থ দফা সাক্ষ্যগ্রহন শুরু উখিয়ার রোহিঙ্গা ছৈয়দ নুরের এনআইডি বাতিল করতে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ আদালতের নির্দেশ অমান্য করে কলাতলীতে হোটেল দখলে নিতে তৎপর প্রতারক চক্র অবাধ তথ্য প্রবাহ দূর্নীতি প্রতিরোধে সহায়ক ভুমিকা রাখতে পারে : সুজনের আলোচনা সভায় বক্তারা ফাঁদে ফেলে ব্ল্যাকমেইল করতেন বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই নারী শিক্ষক ২০ হাজার ইয়াবা সহ আটক ১ জেলার বিভিন্ন মসজিদ মাদ্রাসায় কর্মরত রোহিঙ্গাদের সরকারি সুযোগ সুবিধা বাতিলের দাবীতে আবেদন

শহরের তারাবনিয়ারছড়ায় জোর পূর্বক জমি দখল করতে মরিয়া এক ভুমিদস্যু : পুলিশ দিয়ে হয়রানী করা হচ্ছে

রির্পোটার:
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, জানুয়ারী ১৪, ২০২১
  • 408 বার সংবাদটি পড়া হয়েছে

কক্স৭১
কক্সবাজার শহরের তারাবনিয়ারছড়ায় এক অসহায় পরিবারের জমি দখলে নিতে মরিয়ে হয়ে উঠেছে ভুমিদস্যূ চক্র। আর ভুমিদুস্যদের পক্ষ থেকে পুলিশ অসহায় পরিবারের সদস্যদের মামলা দিয়ে হয়রানী সহ শারীরিক ভাবে ও নাজেহাল সহ নানান ভাবে হয়রানী করছে বলে অভিযোগ করেছে ভুক্তভোগী পরিবার। শহরের তারাবনিয়ারছড়ার স্থানীয় বাসিন্দা আবদুর রহমানের স্ত্রী আমেনা খাতুন জানান, আমার স্বামী আবদুর রহমান থেকে ২০১০ সালে ছোট মহেশখালীর নলবিলা এলাকার মৃত মোজাফ্ফর আহামদের ছেলে ফরিদুল ইসলাম ৭ কড়া জমি বায়না করেন। সে সময় কথা অনুযায়ী আরো ৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা দিয়ে রেজিস্ট্রি নেওয়ার কথা থাকলেও তিনি দীর্ঘ ১০ বছরেও রেজিস্ট্রি নেন নি। বর্তমানে আমার স্বামী মারা যাওয়ার পরে সেই ফরিদুল ইসলাম জমি দখল নিতে আসলে আমার এলাকার সমাজ কমিটির সভাপতি সহ গন্যমান্য লোকজন বসে বৈঠকে ফরিদুল ইসলাম বলেছে বাকি টাকা দিয়ে আমি সহ আমার ছেলে মেয়েদের কাছ থেকে রেজিস্ট্রি নিয়ে জমিতে আসবে। এর মধ্যে তিনি লোকজন নিয়ে জমি দখল করার কথা জানতে পেরে আমরা সদর থানায় সাধারণ ডাইরী করেছিলাম। হঠাৎ করে গত ১৫ ডিসেম্বর ফরিদুল ইসলাম মহেশখালী থেকে ৩০/৪০ জন লোক নিয়ে এসে আমাদের ঘর থেকে বের করে দিয়ে জমি দখল করতে রট,সিমেন্ট,টিন নিয়ে এসে জোন করে জমি দখল করতে আসে। পরে এলাকার লোকজন এগিয়ে আসলে তারা সফল না হওয়ায় থানাতে আমি সহ ৬ জনের বিরুদ্ধে সম্পূর্ন মিথ্যা মামলা দায়ের করে। যা বর্তমানে আমরা আদালত থেকে জামিন নিয়েছি। এছাড়া গত ২১ ডিসেম্বর আমরা কক্সবাজার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্র্ েআদালত থেকে জমিতে প্রবেশ না করতে নিষেধাজ্ঞাও নিয়েছি। সেটা না মেনে ফরিদুল ইসলাম গং সব সময় আমাদের জমি দখল করতে অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে বারবার হামলা করছে। তবে এখানে সব চেয়ে আতংকের বিষয়ে হচ্ছে কক্সবাজার সদর থানার এস আই আবদুল মনছুর মির্জা নামের একজন পুলিশ কর্মকর্তা প্রায় সময় আমাদের বাড়িতে এসে আমাদের হুমকি ধমকি দেয় এবং ঘরে থাকা মহিলাদের বের করে দিয়ে ধাক্কা দিয়ে থাকে। সেই পুলিশ কর্মকর্তা আমাদের আরো বিভিন্ন মিথ্যা মামলার আসামী করার হুমকি দিয়ে থাকে এবং জমি খালি করে দিয়ে হুমকি দেয় যা খুবই দুঃখ জনক। এ ব্যপারে স্থানীয় সমাজ কমিটি,মসজিদ কমিটির নেতারা বলেন,ফরিদুল ইসলাম জমিটি বায়না করেছিল ১০ বছর আগে। বর্তমানে সেই বায়না দাতা মারা গেছে সে হিসাবে উনার বায়না কার্যকর নাই। আমরা স্থানীয় শালিশে সিদ্ধান্ত দিয়েছিলাম ১০ বছর আগে যে দাম ধার্য্যছিল সেই দামের বাকি টাকা দিয়ে আবদুর রহমানের ওয়ারিশদের কাছ থেকে রেজিস্ট্রি নিতে তিনি সেটা মেনে নিয়েছিলেন। কিন্তু এখন সেটা না করে থানা পুলিশকে ব্যবহার করে তিনি গরীব অহসায় মানুষের উপর চরম নির্যাতন করছে যা মস্তবড় অন্যায় আর পুলিশের ভুমিকা খুব রহস্যজনক। এ ব্যপারে পুলিশের এস আই আবদুল মনছুর মির্জা বলেন,আমরা অভিযোগের প্রেক্ষিতে ঘটনাস্থলে গেলে বাড়ির মহিলারা চরম বেয়াদবি এবং গালিগালাজ করে। আর তাদের নোটিশ দিলেও আসেনা। ফরিদুল ইসলামের রেজিস্ট্রি নেওয়া সহ অন্যান্য বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন,জমি নিয়ে নানান সমস্যা থাকতে পারে সেটা বসে সমাধান করতে হবে। তবে উনার জমি নিয়ে বিরুধ মিমাংসা করার এখতিয়ার আছে কিনা জানতে চাইলে তিনি কোন উত্তর দেন নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

এই বিষয়ে আরো সংবাদ দেখুন
© All rights reserved © 2021 cox71.com
Developed by WebArt IT