শিরোনাম :
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে চোরাই পণ্যের ব্যবসা জমজমাট কক্সবাজারের দুই পৌরসভা ও ১৪ ইউপিতে ভোট ২০ সেপ্টেম্বর রামু উপজেলা পরিষদের সৌন্দর্য্য নষ্ট করে দোকান বরাদ্ধের প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ ঈদগাঁও বটতলী-ইসলামপুর বাজার সড়কের বেহাল দশা আইসক্রিম বিক্রেতা থেকে কোটিপতি রোহিঙ্গা জালাল : নেপথ্যে ইয়াবা ব্যবসা পৌর কাউন্সিলার জামশেদের স্ত্রী‘র ইন্তেকাল : সকাল ১০ টায় জানাযা উখিয়ায় বিদ্যুৎ পৃষ্টে একজনের মৃত্যু কক্সবাজারে বেড়াতে এসে অতিরিক্ত মদপানে চট্টগ্রাম ছাত্রলীগ নেতার মৃত্যু টেকনাফে নৌকা বিদ্রোহীদের জন্য কঠিন শাস্তি অপেক্ষা করছে; সাবরাং পথসভায় মেয়র মুজিব ৮ হাজার পিস ইয়াবা, যৌন উত্তেজক সিরাপ নগদ টাকা সহ আটক ১

শহরের গুদারপাড়ায় বেড়িবাঁধ ধ্বংস করে বালু তুলছে প্রভাবশালীরা

রির্পোটার:
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : শনিবার, মে ১, ২০২১
  • 309 বার সংবাদটি পড়া হয়েছে

মাহাবুবুর রহমান.
কক্সবাজার শহরের গুদারপাড়া এলাকায় সরকারের কোটি টাকার বিনিময়ে স্থাপন করা বেড়িবাধের নীচ থেকে মেশিন দিয়ে বালু তুলে কোটি টাকা আয় করছে গুদার পাড়া এলাকার কয়েকজন প্রভাবশালী। এতে যে কোন মুহুর্তে বেড়িবাঁধ ধ্বসে পড়তে পারে বলেও মনে করছেন সচেতন মহল। এদিকে প্রভাবশালী হওয়ায় কেউ মুখ খুলতে পারছেনা বলেও জানান এলাকাবাসী। তবে দ্রæত বাঁকখালী নদী এবং গুদার অংশের বেড়িবাধ থেকে বালু উত্তোলন বন্ধ করার দাবী জানিয়েছেন সচেতন মহল।
সরজমিনে শহরের উত্তর রুমালিয়ারছড়া এলাকা হয়ে প্রাচীন এলাকা গুদারপাড়ায় অংশের বাঁকখালী নদীর পাড়ে গিয়ে দেখা গেছে সেখানে সম্পূর্ন নতুন স্থাপন হওয়া বেড়িবাঁেধর পাশেই বসানো হয়েছে বালু তুলার পাইপ,নদীতে রাখা হয়েছে মেশিন সহ প্রয়োজনীয় সরাঞ্জাম। স্থানীয় কয়েক জনের সাথে আলাপ করে জানা গেছে, গুদারপাড়া এলাকার মুত মালেক মিস্ত্রির ছেলে আবদুল্লাহ,ছলিমের ছেলে সফিউল করিম,আবুল হোসেনের ছেলে মুজিব,মোঃ জুবায়েরের ছেলে ইরফান,আমানের ছেলে ওসমান সহ কয়েক জন মিলে সম্প্রতী হওয়া বেড়িবাঁধের নীচ থেকে বালু তুলে বিভিন্ন মানুষের জমি ভরাট কাজে ব্যবহার করছে। এতে তারা প্রতিফুটে ১২ থেকে ১৫ টাকা নেয়। স্থানীয়দের দাবী প্রতিটি ভিটাবাড়ি ভরাট করতে ২/৩ লাখ টাকা পায় আবার অনেক সময় বড় ভিটাবাড়ি হলে আরো বেশি টাকা পায়। এতে নদীর তলদেশে বালু আর থাকছেনা ফলে বেড়িবাধেঁর নীচ থেকে বালু নিচ্ছে এতে বর্ষা মৌসুমে যে কোন সময় সহজেই বেড়িবাঁধটি ধ্বসে পড়তে পারে। স্থানীয় আমিন নামের এক ব্যবসায়িরসাথে কথা বলে জানা গেছে গুদারপাড়া এলাকাটি নদীর কাছে হওয়াতে শত বছর ধরে এটা অবহেলিত ছিল সব সময় উন্নয়ন বঞ্চিতও ছিল। তবে বর্তমান সরকার বেড়িবাধ করে এলাকার মানুষকে কিছুটা সস্তি দিয়েছে। এতে বর্ষা মৌসুমে মানুষ কিছুটা হলে পানির হাত থেকে রক্ষা পাবে তবে এলাকার কিছু প্রভাবশালী এবং সন্ত্রাসী প্রকৃতির ছেলে বেড়িবাধ ধংস করে বালু তুলায় বেড়িবাধটি হুমকির মধ্যে পড়েছে। এছাড়া এ সব ছেলেদের স্থানীয় কাউন্সিলার সহ কয়েকজন সেল্টার দিচ্ছে ফলে তারা কাউকে পাত্তা দেয়না। তাই প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই পরিবেশ বিধ্বংসী সহ সাধারণ মানুষের ক্ষতি হয় এমন কাজ দ্রæত বন্ধ করে দেওয়া উচিত।

নিউজটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

এই বিষয়ে আরো সংবাদ দেখুন
© All rights reserved © 2021 cox71.com
Developed by WebArt IT