শিরোনাম :
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে চোরাই পণ্যের ব্যবসা জমজমাট কক্সবাজারের দুই পৌরসভা ও ১৪ ইউপিতে ভোট ২০ সেপ্টেম্বর রামু উপজেলা পরিষদের সৌন্দর্য্য নষ্ট করে দোকান বরাদ্ধের প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ ঈদগাঁও বটতলী-ইসলামপুর বাজার সড়কের বেহাল দশা আইসক্রিম বিক্রেতা থেকে কোটিপতি রোহিঙ্গা জালাল : নেপথ্যে ইয়াবা ব্যবসা পৌর কাউন্সিলার জামশেদের স্ত্রী‘র ইন্তেকাল : সকাল ১০ টায় জানাযা উখিয়ায় বিদ্যুৎ পৃষ্টে একজনের মৃত্যু কক্সবাজারে বেড়াতে এসে অতিরিক্ত মদপানে চট্টগ্রাম ছাত্রলীগ নেতার মৃত্যু টেকনাফে নৌকা বিদ্রোহীদের জন্য কঠিন শাস্তি অপেক্ষা করছে; সাবরাং পথসভায় মেয়র মুজিব ৮ হাজার পিস ইয়াবা, যৌন উত্তেজক সিরাপ নগদ টাকা সহ আটক ১

লকডাউনের খবরে বাজারে উপচে পড়া ভীড়

রির্পোটার:
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : সোমবার, জুন ২৮, ২০২১
  • 74 বার সংবাদটি পড়া হয়েছে

মাহাবুবুর রহমান.
দেশে অব্যাহত বাড়তে থাকা করোনা সংক্রামন কমাতে আজ সোমবার থেকে সীমিত আকারে পরবর্তীতে বৃহস্পতিবার থেকে কঠোর লকডাউন ঘোষনা করেছে সরকার। আর এই খবরে পর্যটন নগরী কক্সবাজারের সাধারণ মানুষের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়া থাকলে বেশির ভাগ মানুষকে দেখা গেছে বাজারের দিকে ছুটতে। অনেকে লকডাউনের জন্য ঘরের প্রয়োজনীয় সামগ্রি কিনে রাখছেন বলে জানা গেছে। এতে বাজারে বিরুপ প্রভাব পড়েছে বেশ কিছু পণ্য সংকটের ফলে দামও বাড়তি তবুও বাড়তি দামেই কিনছে অনেকে। তবে প্রশাসন ও সচেতন মহলের মতে এটা অতিরঞ্জনের ফলে বাজারে নিত্যপণ্যের উপর প্রভাব পড়ছে।
খুরুশকুল এলাকার স্কুল শিক্ষক মনিরুল আলম তিনি বড় বাজার এলাকায় এসেছেন,চাল,ডাল,তেল,পিয়াজ সহ বেশ কিছু মসলা কিনার জন্য জানতে চাইলে তিনি বলেন,সামনে লকডাউন আসছে তাই পরিবারের জন্য কিছু বাজার করতে আসলাম। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন,আমার পরিচিত অনেকে বাজার করেছে শুনেছি তাই আমি এসেছি। তিনি এক সাথে ২ বস্তা চাল সহ অনেক কিছু কিনতে দেখা গেছে। বাহারছড়া এলাকা থাকা এক সরকারি কর্মচারীর সাথে আলাপ কালে বলেন,আমি ও রবিবার বেশ কিছু বাজার করেছি,ঘরের স্ত্রী বার বার বলছে বাজার করতে,কারন আশপাশে অনেকে প্রচুর পরিমান বাজার করেছে,তাই আমি বাধ্য হয়ে মাছ,মাংস,মুরগি,তরিকরকারী কিনেছি। তিনি জানান,বাজারে অনেক মানুষ একসাথে যাওয়াতে জিনিস পত্রের দামও অনেক বেড়েছে তবে কি করবো বাড়তি দাম দিয়েই কিনেছি সব কিছু। এদিকে শহরের বার্মিজ মার্কেটএলাকা থাকা একটিও কর্মী নাসরিন আক্তার,তার স্বামী মোহাম্মদ আবদুল্লাহকে দেখা গেছে,কালুরদোকান এলাকায় বাজার করতে তাদের সাথে আলাপ কালে জানা গেছে,তারাও বের হয়েছে কিছু বাজার করতে,কারন লকডাউনে ঘর থেকে বের হওয়া যায় না। তাছাড়া অফিসও বন্ধ থাকে,তাই বেশ কিছু নিত্যপন্য সহ ছেলেমেয়েদের জন্য কিছু জিনিস পত্র কিনবে তারা। একই সাথে সামনে কোরবানীর সময় তাই এখন থেকে কিছু মসলাপাতিও কিনবে বলে জানান এই দপ্ততি। এদিকে শহরের বড় বাজার এলাকার ব্যবসায়ি জসিম উদ্দিন বলেন,লকডাউন ঘোষনার পর থেকে বেচাকেনা বেশ বেড়েছে,মানুষ তেল,পেয়াজ,আদা,রসুন থেকে শুরু করে দুধ.চিনি,চাপাতা,নডুলস সব কিছু বেশি বেশি কিনে নিয়ে যাচ্ছে। তবে অনেকে মসলাও কিনছে। তিনি বলেন,হঠাৎ করে ক্রেতা বেশি হওয়াতে বাজারে অনেক জিনিসের সংকট হচ্ছে তাই অনেক ব্যবসায়ি দাম বাড়িয়ে দিয়েছে তবুও ক্রেতারা বাড়তি দামেও কিনে নিয়ে যাচ্ছে। তবে ভিন্ন দৃশ্যপটও আছে,রিক্সা চালক হালিম,টমটম চালক হারুন সহ নি¤œবিত্ত¡ কয়েক জনের সাথে কথা বলে জানা গেছে.তারা বর্তমানে তিন বেলা ভাত যোগাড় করতেই হিমশিম খাচ্ছে সেখানে অগ্রিম বাজার করার চিন্তা করতে পারছেনা। তাদের দাবী সরকার লকডাউন দিলেও গরীব মানুষের পেটের কথা চিন্তা করা উচিত ছিল। প্রথম পর্যায়ে যেভাবে ত্রাণ সহায়তা দেওয়া হয়েছিল বর্তমানে কেউ একমোঠ চালও দেয়নি। তাহলে ঘরের ছেলেমেয়েরা কিখাবে ? এদিকে লকডাউনের খবরে বাজারে উপচে পড়া ভীড় কোন ভাবেই কাম্য নয় জানিয়েছে অধ্যাপক অজিত দাশ বলেন,দেশে দূর্ভিক্ষ হবে এমন কোন সম্ভবনা নাই। তাই লকডাউন দিলেই যে বাজার করে ঘরপূর্ন করে রাখতে হবে এই মানসিকতা ঠিকনা। তাছাড়া এর ফলে বাজারে জিনিস পত্রের উপর প্রভাব পড়বে তখন সাধারণ মানুষ চাইলেও তা কিনতে পারবেনা। আমার মতে বর্তমান পরিস্থিতি একটি প্রাকৃতিক দূর্যোগ সবাইকে মিলেমিশে এই সংকট মোকাবেলা করতে হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

এই বিষয়ে আরো সংবাদ দেখুন
© All rights reserved © 2021 cox71.com
Developed by WebArt IT