রোহিঙ্গাদের নিয়ে মহাঝুকিতে কক্সবাজার

রির্পোটার:
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : সোমবার, এপ্রিল ৮, ২০১৯
  • 295 বার সংবাদটি পড়া হয়েছে

এম. বদোরুল আলম :
রহেঙ্গিাদরে নয়িে প্রতদিনিই বাড়ছে ঝামলো। রোহঙ্গিাদরে নয়িে একটি শষে হলে নতুন একটি উদ্ভব হচ্ছে সমস্যা। সাম্প্রতকি সময়ে বশেি আলাচতি হচ্ছে ইয়াবা পাচার। গলে কয়কেদনিে যোগ হয়ছেে রোহঙ্গিা যুবতদিরে বদিশেে পাচাররে ঝুঁক।ি সপ্তাহরে ব্যবধানে শহররে কুতুবদয়িা পাড়া, মহশেখালীর গহনি পাহাড়ে এবং টকেনাফরে বাহারছড়ায়সহ ৩ স্থানে পুলশি, বজিবি,ি কোষ্টর্গাড দড়ে শতাধকি রোহঙ্গিা মালয়শেয়িা পাচারকালে আটক করছেে যা নতুন করে প্রশাসনকে ভাবয়িে তুলছ।ে হঠাৎ করে পাচাররে হার যমেন উদ্বগেজনকহারে বড়েছেে তমেনি প্রশাসনরে নতিে হচ্ছে বাড়তি র্সতকতা। এছাড়া রোহঙ্গিাদরে দয়িে সম্প্রতি স্থানীয় ইয়াবা ডলিাররা ইয়াবা পাচার বৃদ্ধি করছে।ে প্রশাসন কড়াকাড়ি আরোপরে পর ও কৌশলে রোহঙ্গিা নারীদরে ব্যবহার করে ইয়াবা পাচার করছ।ে গত ৩১ র্মাচ রাতে পুলশি এবং বজিবিি পৃথক অভযিান চালয়িে ৩ পাচাকারকিে আটক করে পরে বন্দুক যুদ্ধে তারা নহিত হয়। কম খরচে ক্যাম্পরে বাইরে আসার সুযোগরে প্রলোভনেে এবং বাড়তি টাকা আয়রে আশায় রোহঙ্গিা নারী পুরুষ ইয়াবা পাচারে জড়য়িে পড়ছে যা হঠাৎ করে জলোর আইনশৃংখলা অবনতরি কারন হয়ে দাড়য়িছে।ে ফলে প্রতদিনিই বাড়ছে রোহঙ্গিাদরে নয়িে ঝুঁকরি শংকা।
রোহঙ্গিাদরে কারনে কম সময়রে ব্যবধানে নজিভূমে পরবাসি হতে চলছেে কক্সবাজাররে উখয়িা ও টকেনাফরে স্থানয়িরা। মানবকি কারনে আশ্রয় দয়ো রোহঙ্গিারা এখন জলোবাসরি জন্য মহা বপিদ ডকেে আনছ।ে তাদরে কারনে নতুন করে পোহাতে হচ্ছে নানা সমস্যা। রোহঙ্গিাদরে কারনে বাড়ছে এইডস এর বস্তিার। বাংলাদশেে কলরো না থাকলওে রোহঙ্গিাদরে মধ্যে রয়ছেে সইে সমস্যাও। উখয়িা – টকেনাফরে বর্স্তিীণ বনভূমি উজাড় হচ্ছ,ে পাহাড় কটেে ধ্বংস করা হয়ছে।ে র্দীঘময়োদি র্অথনতৈকি ঝুঁকওি বাড়ছ।ে র্আথ-সামাজকি ও রাজনতৈকি সমস্যা ও বৃদ্ধওি আশংকা করছনে স্থানয়িরা।
২০১৭ সালরে ২৫ আগস্ট থকেে ময়িানমার সরকাররে নর্যিাতনরে কারনে নরিাপদ আশ্রয়রে খোঁজে বাংলাদশেে পালয়িে এসছেে প্রায় ১১ লাখ রোহঙ্গিা। তাদরে আগমনরে পর থকেে জলোয় আইনশৃংখলা পরস্থিতিরি ক্রমাবনতি হয়ছে।ে
জানা যায়, রোহঙ্গিাদরে কারনে স্থানয়িরা অনকেইে অসুস্থ হয়ে ও হাসপাতালে র্পযাপ্ত চকিৎিসাসবো বঞ্চতি হচ্ছ।ে ফলে স্থানীয় লোকজনরে চকিৎিসাসবো পাওয়া আগরে চয়েে দুরুহ হচ্ছ।ে র্পযাপ্ত স্বাস্থ্যসম্মত টয়লটেরে অভাবে রোহঙ্গিারা যখোনে সখোনে মলমূত্র ত্যাগ করছনে। ফলে পানবিাহতি রোগজীবাণু ছড়য়িে পড়ে মারাত্মক স্বাস্থ্য ঝুঁকরি সৃষ্টি হচ্ছ।ে দনৈকি সাড়ে ৫ হাজার টন মানুষরে র্বজ্য রাখার জায়গা নইে এমনতিে রোহঙ্গিাদরে জন্য নর্মিতি শডে।ে বভিন্নি এনজওি’র নর্মিতি অস্থায়ি টয়লটেগুলো এখন অনকেটায় অর্কাযকর বলে জানয়িছেে জলো জনস্বাস্থ্য ও প্রকৌশল অধদিপ্তররে নবর্িাহি প্রকৌশলী ঋত্বকি চৌধুরী। তনিি বলনে, রোহঙ্গিাদরে জন্য এখনো র্পযাপ্ত স্বাস্থ্যসম্মত পায়খানা তরৈি হয়ন।ি বভিন্নি এনজওি যে টয়লটে নর্মিান করছেলি তা অনকেটা অর্কাযকর। আগামি র্বষায় চরম ভোগান্ততিে পড়বে রোহঙ্গিারা।
রোহঙ্গিাদরে কারনে কক্সবাজার এমনতিইে স্বাস্থ্য ঝুঁকতিে আছ।ে তাঁরা বভিন্নি ধরনরে রোগ নয়িে এসছেে । রোহঙ্গিাদরে স্বাস্থ্যসবো দতিে বশে বগে পতেে হচ্ছ।ে কারণ দুই লাখ মানুষরে জন্য যে স্বাস্থ্য ব্যবস্থা তরৈ,ি সখোনে ১১ লাখ মানুষরে সবো দতিে হচ্ছে স্বাস্থ্য বভিাগক।ে
অপরদকিে রোহঙ্গিাদরে কারনে উখয়িা ও টকেনাফে এখন স্থানীয় নাগরকিরা সংখ্যালঘুতে পরণিত হয়ছেনে। দনি দনি পরস্থিতিি কঠনি হয়ে উঠছ।ে এভাবে চলতে থাকলে এক র্পযায়ে দশে নরিাপত্তা ঝুঁকতিে পড়বে বলে মনে করনে স্থানয়িরা। রোহঙ্গিাদরে কারনে স্থানীয় দরদ্রি শ্রমকিরা র্কমহীন হয়ে পড়ছে।ে সরকাররে গুরুত্বর্পূণ অনকে প্রকল্প বাস্তবায়নে অন্যতম বাঁধা র্বতমানে রোহঙ্গিারা।
রোহঙ্গিাদরে অবস্থান র্দীঘস্থায়ী হলে কক্সবাজাররে র্পযটন শল্পিে ধস নামার আশঙ্কা আছ।ে এখনই রোহঙ্গিা নারীদরে কক্সবাজারে অবাধে চলাফরো করতে দখো যাচ্ছ।ে দহে ব্যবসায়ও অনকে নারী জড়য়িে পড়ছ।ে এ নয়িে স্থানীয়রা উদ্বগ্নি, উদ্বগ্নি প্রশাসনও । এভাবে চলতে থাকলে কক্সবাজারকে অনকেইে পাশ কাটয়িে অন্য র্পযটনকন্দ্রেে চলে যতেে পারনে। এমনটা হলে কক্সবাজাররে র্পযটন ব্যবসায় ভয়াবহ ধস নামতে পারে এমন আশংকা করছনে সংশ্লষ্টি ব্যবসায়রিা।
র্পযটন সংশ্লষ্টি কয়কেজন ব্যবসায়ি জানান, কক্সবাজারে সাড়ে তনিশ’ হোটলে, মোটলে, গস্টে হাউস ও কটজে রয়ছে।ে পালয়িে আসা রোহঙ্গিা নারীদরে অনকেকইে হোটলে-মোটলেে দহেব্যবসায় পাওয়া যাচ্ছ।ে এদরে মধ্যে এইডস আক্রান্ত রোহঙ্গিা নারি ও রয়ছে।ে তাঁদরে সঙ্গে র্পযটকসহ হোটলে-মোটলে শ্রমকিদরে শারীরকি মলোমশোয় বভিন্নি ধরনরে রোগ ছড়য়িে পড়ার আশংকা রয়ছে।ে বসেরকারি উন্নয়ন সংস্থার এক র্কমর্কতা বলনে, এইডস আক্রান্ত রোহঙ্গিাদরে সঙ্গে স্থানীয় অনকেে দহৈকি সর্ম্পকে লপ্তি হওয়ায় কক্সবাজারে এইডস ছড়ানোর আশঙ্কা রয়ছে।ে
খোঁজ নয়িে জানা গছে,ে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারসহ আশপাশরে জলোয় তাঁরা বাসা ভাড়া নয়িে থাকছনে । এছাড়া র্দীঘদনি ধরে বাংলাদশেে অবস্থানকারী রোহঙ্গিাদরে কাছওে তাঁরা আশ্রয় নচ্ছিনে। পুরনো রোহঙ্গিারা স্থানীয় প্রভাবশালীদরে ‘ম্যানজে’ করে নানা রকম অবধৈ ও অনতৈকি কাজে লপ্তি হয়ে পড়ছে।ে
অপরদকিে রোহঙ্গিারা উজাড় করছে সবুজ বন এবং পাহাড়। বন বভিাগরে হসিাব অনুযায়ী, সাড়ে চার হাজার একর পাহাড় কটেে ময়িানমার থকেে পালয়িে আসা রোহঙ্গিাদরে জন্য বসতি করা হয়ছে?ে ফলে ওই এলাকায় ভয়াবহ পরবিশে বর্পিযয়রে আশঙ্কা দখো দয়িছে।ে আগামি র্বষায় একটু ভারী বৃষ্টপিাত হলইে ধসে পড়তে পারে পাহাড় । এতে বহু মানুষ হতাহতরে আশঙ্কাও করা হচ্ছে ? উখয়িা রঞ্জেে কুতুপালং, থাইংখালী ও আশপাশরে পাহাড়রে প্রায় তনি হাজার একর জায়গায় রোহঙ্গিাদরে আশ্রয়কন্দ্রে করা হয়ছে?ে এছাড়া টকেনাফ রঞ্জেে ৪৫০ একর, পুটবিুনয়িা রঞ্জেরে ৫০ একর এবং শলিখালী রঞ্জেরে ৩৭৫ একর পাহাড়ি বন কটেে রোহঙ্গিা বসতি করা হয়ছেে ?ফলে মারাত্বক পরবিশে বর্পিযয়রে পাশাপাশি সবুজ বনভূমি এখন অনকেটা বরিানভূমতিে পরনিত হয়ছে।ে
জলোর ২৪ লাখ জনগোষ্টরি কথা ববিচেনা করে আইনশৃংখলা স্বাভাবকি রাখতে রোহঙ্গিাদরে যনে দ্রুত সরকাররে প্রস্তাবতি ভাসানচরে স্থানান্তর করা হয় এমনটাই দাবী সচতেন মহলরে।

নিউজটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

এই বিষয়ে আরো সংবাদ দেখুন
© All rights reserved © 2021 cox71.com
Developed by WebArt IT