শিরোনাম :
উখিয়ার রোহিঙ্গা ছৈয়দ নুরের এনআইডি বাতিল করতে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ আদালতের নির্দেশ অমান্য করে কলাতলীতে হোটেল দখলে নিতে তৎপর প্রতারক চক্র অবাধ তথ্য প্রবাহ দূর্নীতি প্রতিরোধে সহায়ক ভুমিকা রাখতে পারে : সুজনের আলোচনা সভায় বক্তারা ফাঁদে ফেলে ব্ল্যাকমেইল করতেন বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই নারী শিক্ষক ২০ হাজার ইয়াবা সহ আটক ১ জেলার বিভিন্ন মসজিদ মাদ্রাসায় কর্মরত রোহিঙ্গাদের সরকারি সুযোগ সুবিধা বাতিলের দাবীতে আবেদন রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীর হাতে অপহৃত ৩ বাংলাদেশীকে উদ্ধার করেছে র‌্যাব নাফ নদীতে অজ্ঞাত শিশুর লাশ উদ্ধার ১০ হাজার ইয়াবা সহ আটক ২ আইনজীবি হলেন স্বামী স্ত্রী জসিম উদ্দিন ও মর্জিনা আক্তার

রোহিঙ্গাদের ঘর নির্মাণে লুটপাট : আরআরআরসির সাইউ ইঞ্জিনিয়ার করছে ঠিকাদারী

রির্পোটার:
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, অক্টোবর ৬, ২০২০
  • 458 বার সংবাদটি পড়া হয়েছে

মাহাবুবুর রহমান.
রোহিঙ্গাদের থাকার জন্য ঘর নির্মাণের কাজে ব্যাপক অনিয়ম দূর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেছে। আর প্রায় ২৭ কোটি টাকার এই নির্মাণ কাজে ঠিকাদারের নাম থাকলেও সিন্ডিকেট করে কাজ করছেন আরআরআরসি অফিসের একজন সাইড ইঞ্জিনিয়ার। এর আগে এই কর্মকর্তা ক্যাম্পে পিলার সরবরাহ,বাশঁ সরবরাহ থেকে শুরু করে অনেক ঠিকাদারী করে কোটি কোটি টাকা আয় করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এছাড়া রোহিঙ্গাদের সেল্টার বা ঘর নির্মাণ কাজে জড়িত অন্যান্য ঠিকাদারের কাছ থেকে মোটা অংকের ঘোষ আদায় করছে যারা দিচ্ছেনা তাদের কাজে নানান ধরনের বাধাগ্রস্থ করছে বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এদিকে বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ^াষ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
কক্সবাজারের উখিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্প ৫,১৭ এবং ৮ ডাবিøইউ তে পর্যায় ক্রমে ৬ হাজার রোহিঙ্গা সেল্টার বা থাকার ঘর নির্মাণ কাজ চলছে প্রথম প্যাকেজে দেড় হাজার ঘর নির্মাণ কাজ আগে সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে কাজ চলছে ২ হাজার এবং সামনে আরো ২ হাজারের কাজ চলবে। আর প্রতিটি সেল্টার বা ঘর নির্মাণ কাজে ব্যায় ধরা হয়েছে ৪৫ হাজার টাকা যা বাঁশের বেড়া,উপরে তেরপল এবং ৮ টি আরসিসি পিলার দ্বারা নির্মিত হবে। বর্তমানে ক্যাম্প ৫ এ গিয়ে দেখা গেছে সেখানে ডুবাই দূতাবাসের এই সেল্টার নির্মাণ কাজ চলছে ঠিকাদারী প্রতিষ্টান কে এস আর। তবে সেখানে গিয়ে কর্মরত কয়েক জনের সাথে কথা বলে জানা গেছে এই কাজ করছে কোটবাজার এলাকার ফয়েজ নামের একজন। অবশ্য তাদের দাবী ফয়েজ নামে থাকলেও বাস্তবে কাজ করছে সাইড ইঞ্জিনিয়ার মোঃ আশরাফ। পরে আশরাফের খোঁজ নিতে গিয়ে জানা গেছে তিনি এক সময় ব্রাকের কর্মকর্তা হিসাবে ক্যাম্পে কাজে যোগদান করেন পরে সদ্য বিদায়ী এক ক্যাম্প ইনচার্জের আর্শিবাদের স্বরণার্থী ত্রান ও প্রত্যাবাসন কার্যালয়ের সাইড ইঞ্জিনিয়ার হিসাবে নিয়োগ পান। ব্রাকে থাকে তিনি ক্যাম্পে পিলার সরবরাহ,বাশঁ সরবরাহ থেকে শুরু করে অনেক কিছুর ঠিকাদারী করেন। আর সেই অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে বিপুল টাকার মালিক বনে যান অল্প সময়ে। আর সেই টাকা দিয়ে বর্তমানে নিজেকে আড়ালে রেখে করে যাচ্ছেন সেল্টার নির্মাণ কাজের ঠিকাদারী। এদিকে ক্যাম্প ৫ এ সেল্টার নির্মাণ কাজে তদারকি করা রোহিঙ্গা ভোলান্টিয়ার কেফায়েত,রমিজ সহকয়েকজন জনের কাছে জানতে চায়লে তারা বলেন,রোহিঙ্গাদের জন্য ঘর নির্মাণ কাজ করছে সিআইসি তবে এখানে আমাদের সব কাজ করায় আশরাফ সাহেব তিনি আমাদের বেতন ভাতা দেন আর বাশঁ থেকে শুরু করে সব কিছু আশরাফ স্যার সরবরাহ করেন। আমার আর কাউকে চিনি না এখানে তিনিই ঠিকাদার। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন জানান,সাইড ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ এবং ফয়েজের ব্যাংক একাউন্ট তল্লাসী করলেও ই বেরিয়ে আসবে অনেক তথ্য গত কয়েক বছরে তারা কি পরিমান টাকা এখান থেকে আয় করেছে। আর আশরাফের বেতন কত তার সম্পদ কত আছে তার যদি কোন হিসাব দরকার হয় তা বের করলেও বুঝাযাবে এখানে কি হচ্ছে।
এদিকে ঠিকাদার ফয়েজের দাবী তিনি কোন সেল্টার নির্মাণ কাজকরছেন না তবে তিনি বাথরুম সহ কিছু কাজের সামান্য ঠিকাদারী করেন। তবে সরজমিনে ক্যাম্পে কর্মরতদের দাবী অধিকাংশ কাজের বিল দেয় ফয়েজ।
এ ব্যপারে আরআরআরসি অফিসের সাইড ইঞ্জিনিয়ার মো : আশরাফ জানান,আমি সেল্টার নির্মাণ কাজ পরিদর্শন করি সরকারি কর্মকর্তা হিসাবে তাহলে ঠিকাদারী কিভাবে করবো ? আর ৬ হাজার সেল্টার নির্মাণ কাজ চলছে বিষয়টি সত্য নয় সেখানে ২ হাজার সেল্টার নির্মাণ কাজ চলছে। হয়তো কেউ আপনাদের ভুল তথ্য দিয়েছে।
এ ব্যপারে ক্যাম্প ৫,১৭,এবং ৮ ডাবিøইউ ইনচার্জ (উপ সচিব) হাফেজ উল্লাহ জানান,আমি নতুন যোগদান করেছি,তাছাড়া বর্তমানে ঢাকা আছি আমি বিষয়টি খতিয়ে দেখবো এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।

নিউজটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

এই বিষয়ে আরো সংবাদ দেখুন
© All rights reserved © 2021 cox71.com
Developed by WebArt IT