রামুতে ব্যাক্তিমালিকানাধীন জমিতে রাস্তা নির্মাণের নামে কোটি টাকার জমি আত্মসাতের অভিযোগ : প্রধানমন্ত্রীর সহায়তান অসহায় পরিবার

রির্পোটার:
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : বুধবার, মে ২৬, ২০২১
  • 71 বার সংবাদটি পড়া হয়েছে

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি
রামুতে অধিগ্রহন ছাড়াই কোন অনুমতি না নিয়ে উন্নয়নের নামে কোটি টাকা মূল্যের ব্যাক্তিমালিকাধীন জমি দখলে করে এক পরিবারকে পথে বসনোর পায়তারা করছে বলে অভিযোগ করেছেন জন্নেকার বেগম নামের এক ৯৫ বছরের বয়োবৃদ্ধা নারী। ২৫ মে সকালে কক্সবাজার শহরে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন,আমি ঠিকমত হাটতে পারিনা কথা বলতে পারিনা তার পরও মনে খুব দুঃখ নিয়ে সাংবাদিকদের সামনে হাজির হয়েছি। আমি রামু উপজেলার ফতেখারকুল ইউনিয়নের পূর্ব মেরুংলোয়ার বাসিন্দা। আমার স্বামী মরহুম গোলাম শরীফ একজন মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক। আমি স্বামী ১৯৭০ সালে প্রথম আওমীলীগের জন্য অফিস করতে নিজের জমি দিয়েছিল। ত্ইা মুক্তিযুদ্ধের সময় আমার ১৫/২০ লাখ টাকার সম্পদ পুড়িয়ে দিয়েছিল রাজাকার বাহীনি। বর্তমানে আমি খুবই অসহায়, স্বামীর রেখে যাওয়া কিছু সহায় সম্পদ নিয়ে সন্তান সন্ততি নিয়ে কোন মতে সম্মানের সাথে দিনযাপন করছি। আমার স্বামীর নামে মেরুংলোয়া মৌজার বি,এস ৬০ নং খতিয়ানে মৌজা এজমালীতে চুডান্ত লিপি আছে। উনার মৃত্যুর পর যা আমার সন্তানদের নিয়ে ভোগ দখলে থেকে বসাবাস করছি। এর মধ্যে একটি দাগ হচ্ছে বি,এস ১৭৯৮ দাগ যা নাল শ্রেণীর জমি। উক্ত দাগের পাশে বা খতিয়ানের মন্তব্য কলামে কিংবা সরজমিনে রাস্তার কোন কথা উল্লেখ নেই। এমনকি বিএস সিটে ও রাস্তা বা গোপাট হিসাবে লিপি নেই। অর্থাৎ যা সম্পূর্ন আমাদের ব্যাক্তিমালিকাধীন বসতবাড়ি। এতে হঠাৎ করে রামু উপজেলা প্রকৌশল অফিস (এলজিইডি) অফিস কর্তৃক প্রকল্প তৈরি করে আমার জমিতে রাস্তা নির্মাণ করার উদ্দ্যোগ নিয়েছে। যা তদারকি করার নামে আমার মূল্যবান জমি হাতিয়ে নিতে চাইছে স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী এবং রাজাকার পুত্ররা। কিন্তু আমার কথা হচ্ছে যদি সরকারের উন্নয়ন কাজে আমার জমি লাগে তাহলে আমার সাথে কথা বলে সরকারি নিয়ম মাফিক অধিগ্রহন করে অথবা অন্যকোন ভাবে আমার ক্ষতিপূরনের ব্যবস্থা করে নিতে হবে। এভাবে ব্যাক্তি মালিকানাধীন জমিতে উন্নয়নের নামে জমি দখল করা যায় কিনা যা আমি প্রশাসনের কাছে বিচার চাই। তিনি বলেন,সেই জমিতে আগে থেকে গোপাট আছে সেটা বাদ দিয়ে কিছু প্রভাবশালীর জমি রক্ষার করার জন্য এবং তাদের জমি দামি করার জন্য আমার জমিতে রাস্তা নির্মাণের পায়তারা করছে। এই জমি চলে গেলে আমি পথে বসবো এছাড়া কোটি টাকার ক্ষতি হয়ে যাবে। তাই এ বিষয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সহ সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা চেয়েছেন ভোক্তভোগী নারী। এ সময় উনার ছেলে কক্সবাজার সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রেজাউল করিম উপস্থিত ছিলেন। পরে অভিযোগের ভিত্তিতে রামু উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ নুরুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোথায় ব্যাক্তিমালিকাধীন জমিতে রাস্তা নির্মাণ হচ্ছে সে বিষয়ে জানেন না বলে জানান,একই সাথে ক্ষতিগ্রস্থদের উনার সাথে যোগাযোগ করার জন্য বলেন। তবে এটাকে সম্পূর্ন মিথ্যাচার দাবী করে রেজাউল করিম জানান উপজেলা প্রকৌশলীর অনুমতি অনুমোদন ছাড়া এতবড় কাজ কিভাবে হবে। তাছাড়া উনার কাছে আমি নিজে লিখিত দিয়েছি। তার পরও আবার যোগাযোগ করবো বলে জানান তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

এই বিষয়ে আরো সংবাদ দেখুন
© All rights reserved © 2021 cox71.com
Developed by WebArt IT