শিরোনাম :
আইসক্রিম বিক্রেতা থেকে কোটিপতি রোহিঙ্গা জালাল : নেপথ্যে ইয়াবা ব্যবসা সিনহা হত্যা মামলার চতুর্থ দফা সাক্ষ্যগ্রহন শুরু উখিয়ার রোহিঙ্গা ছৈয়দ নুরের এনআইডি বাতিল করতে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ আদালতের নির্দেশ অমান্য করে কলাতলীতে হোটেল দখলে নিতে তৎপর প্রতারক চক্র অবাধ তথ্য প্রবাহ দূর্নীতি প্রতিরোধে সহায়ক ভুমিকা রাখতে পারে : সুজনের আলোচনা সভায় বক্তারা ফাঁদে ফেলে ব্ল্যাকমেইল করতেন বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই নারী শিক্ষক ২০ হাজার ইয়াবা সহ আটক ১ জেলার বিভিন্ন মসজিদ মাদ্রাসায় কর্মরত রোহিঙ্গাদের সরকারি সুযোগ সুবিধা বাতিলের দাবীতে আবেদন রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীর হাতে অপহৃত ৩ বাংলাদেশীকে উদ্ধার করেছে র‌্যাব নাফ নদীতে অজ্ঞাত শিশুর লাশ উদ্ধার

মেরিন ড্রাইভের পাশে শতাধিক দোকানের মালিক রোহিঙ্গারা : চালাচ্ছে ইয়াবা ব্যবসা

রির্পোটার:
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : বুধবার, অক্টোবর ২৮, ২০২০
  • 178 বার সংবাদটি পড়া হয়েছে
?

মাহাবুবুর রহমান.
কক্সবাজারের মেরিন ড্রাইভের পাশে শতাধিক দোকানের মালিক রোহিঙ্গারা একই সাথে মেরিন ড্রাইভের পাশে অন্তত তিন শতাধিক বাড়ি তৈরি করে থাকছে রোহিঙ্গারা যেখানে কয়েক হাজার রোহিঙ্গা বসাবাস করছে। সচেতন মহলের দাবী মেরিন ড্রাইভ রোড় অনেকটা রোহিঙ্গাদের দখলে। সেখানে মাছ ধরার কথা বলে যোগাযোগ ব্যবস্থা ভাল হওয়ায় অবাধে ইয়াবা পাচার করছে রোহিঙ্গারা একই সাথে মেরিন ড্রাইভের পাশে আধুনীক দোকান পাট নির্মাণ করে ব্যবসা করে বিপুল টাকা আয় করছে তারা। তবে সেখানে স্থানীয় কেউ দোকান করলে সাথে সাথে প্রশাসন অভিযান চালিয়ে ভেঙ্গে দেয় বলে জানান জনপ্রতিনিধিরা।
টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের নোয়াখালী পাড়া এলাকা কয়েকটি দোকানে গিয়ে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে সব দোকানের মালিক রোহিঙ্গা। এ সময় আলাপ কালে রোহিঙ্গা আবদস সবুর বলেন,আমাদের আসল বাড়ি বর্মা তবে এখানে এসেছি ৭/৮ বছর। আমার পরিবারে মোট ১২ জন সদস্য আমরা রাস্তার পাশে বাসা নিয়ে থাকি এই দোকান করি,ছেলেরা সাগর থেকে মাছ ধরে মেয়েরা মাছ শোকায় ঘরের কাজ করে। তিনি দাবী করেন মেরিন ড্রাইভে রোহিঙ্গাদের অন্তত ১০০ দোকান আছে। শাপলাপুর এলাকার পুলিশ চেক পোস্টের পাশে একটি চা‘র দোকানে গিয়ে মালিকের পরিচয় জানতে চায়লে শুক্কুর নামের সেই মালিক অনায়াসে স্বীকার করে সে রোহিঙ্গা,তবে এক দিনের জন্য ক্যাম্পে থাকেনি। বরং নতুন আসা অনেক রোহিঙ্গা আত্বীয় স্বজন তাদের সাথে থাকে ব্যবসা বানিজ্য করে। তিনি বলেন,আমার মাছের বোট আছে,দোকান করি,আমার আওতায় আরো ১৫ জন শ্রমিক কাজ করে। তার মধ্যে অনেক বাংলাদেশীও আছে। এছাড়া তার মত বেশির ভাগ রোহিঙ্গারাই এখানে ব্যবসা বানিজ্য করছে বলে জানান তিনি। এ সময় শাপলাপুর এলাকার সাবেক জনপ্রতিনিধি শফিউল আলম বলেন,মেরিভ ড্রাইভ রোড় পুরুপুরি রোহিঙ্গাদের দখলে এখানে বেশির ভাগ বোট দৈনিক সাগর থেকে মাছ ধরে আনে প্রত্যেক মাঝিমাল্লা রোহিঙ্গা। আবার অনেক রোহিঙ্গা বোটের মালিক আছে,এছাড়া যারা মাছ শুকানোর কাজে থাকে,বিক্রি করে সবাই রোহিঙ্গা,এছাড়া মেরিন ড্রাইভের পাশে যতসব আধুনীক দোকান দেখবেন সব কটির মালিক রোহিঙ্গা। পরিস্থিতি এতই খারাপ যে রোহিঙ্গাদের কাছে এখন আমরাই অসহায় হয়ে পড়েছি। আবার কোন স্থানীয় রাস্তার পাশে কোন দোকান করলে সে গুলো প্রশাসন এসে ভেঙ্গে দিয়ে যায়। তিনি দাবী করেন মেরিন ড্রাইভ সড়কে যত সব ডাব বিক্রেতা দেখা যাবে বেশির ভাগই রোহিঙ্গা। এখানে ডাব বিক্রির পজিসন বা স্থান বিক্রি হয় ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকা দিয়ে এরকম বহু বিচার আমরা করে দিয়েছি। মেরিন ড্রাইভের রাজারছড়া এলাকার এলাকা রোহিঙ্গা আবদুল জলিল বলেন,এখানে আমি এসেছি বহু বছর আগে প্রথমে ঢাকার এক অফিসারের জমির পাহারাদার ছিলাম,এখন আরো অনেকে জমির পাহারাদার হিসাবে আছি মাসে তারা আমাদের বেতন দেয়। ৩ স্ত্রী সহ বর্তমানে তার পরিবারের সদস্য সংখ্যা ১৩ জন বলে জানান তিনি। একই সাথে তারা সবাই বিভিন্ন কাজে আছে ছেলেরাও এখন ভাল ব্যবসা বানিজ্য করছে বলে জানান তিনি। ইয়াবার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন,আমরা করিনা তবে অনেকে ইয়াবা ব্যবসা করে। রাস্তার পাশে হওয়াতে ইয়াবা জমা রাখা,হাত বদল করা খুব সহজ তাই টাকা কামানো সহজ বলে জানান তিনি। এ ব্যপারে টেকনাফ বাহারছড়া ইউপি চেয়ারম্যান মৌলবী আবদুল আজিজ বলেন,এটা সত্য মেরিন ড্রাইভে রোহিঙ্গা বেশ তৎপরতা আছে,মূলত স্থানীয়রা আগে তাদের সুবিধার জন্য রোহিঙ্গাদের ব্যবহার করেছে এখন তারা সেকড় লম্বা হয়ে গেছে ফলে এখন আর কিছু করা সম্ভব না। বরং আমরা এখন নিজেদের সম্মান রক্ষা করে চলি। এদিকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন বলেন সরকারের অনেক সংস্থা রোহিঙ্গাদের তাদের সোর্স বা গোপন সংবাদ দাতা হিসাবে ব্যবহার করে যার ফলে তারা উল্টো স্থানীয়দের উপর অত্যাচার করে।

নিউজটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

এই বিষয়ে আরো সংবাদ দেখুন
© All rights reserved © 2021 cox71.com
Developed by WebArt IT