শিরোনাম :

মায়ানমারে বসে ইয়াবা বিক্রি করে দেশে এসে টাকা বুঝে নেয় রাখাইন সিন্ডিকেট

রির্পোটার:
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, জুন ২৮, ২০২২
  • 751 বার সংবাদটি পড়া হয়েছে

মাহাবুবুর রহমান.
মায়ানমারে বসে ইয়াবা বিক্রি করেন আর বাংলাদেশে এসে তার হিসাব এবং টাকা বুঝে নেন। এমন এক সিন্ডিকেটের তথ্য এখন লোকমুখে তার মধ্যে সবাই রাখাইন বলে জানা গেছে। সম্প্রতী একটি ইয়াবা চক্রের অনুসন্ধানে গিয়ে এমন তথ্য পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন একটি বিশেষ সংস্থা।
জানা গেছে শহরের টেকপাড়া এলাকার বাসিন্দা ন্যাশনাল টেইলার্সের মালিকের ছেলে স্যি স্যা রাখাইন কয়েক বছর আগেও পিতার সাথে খলিফা হিসাবে কাজ করতো। কিন্তু অল্প সময়ের ব্যবধানে এখন কোটিপতি সেই স্যি স্যা রাখাইন নামের যুবক। গত বছর টেকনাফ থেকে মাদক সহ আটক হয়ে বেশ কয়েক মাস কারাগারেও ছিল। বর্তমানে তার পুরাতন বাড়ি ভেঙ্গে আধুনীক ভবন করছে যেখানে ফাইলিংয়ে খরচ করেছে প্রায় কোটি টাকা। প্রতিবেশীদের মতে স্যি স্যা কয়েক বছর আগেও খুবই সাধারণ যুবক ছিল বর্তমানে সে অনেক টাকার মালিক মূলত মায়ানমার ভিত্তিত ব্যবসা রয়েছে। সেই ব্যবসার আড়ালে ইয়াবা পাচার করে বলে জানান খোদ অনেক রাখাইনরা। এছাড়া টেকপাড়া এলাকার ওয়াইনজ রাখাইন বর্তমানে মায়ানমারে থাকে। কিন্তু সেখান থেকেই টাকা পাঠিয়ে শহরের টেকপাড়ায় ৫ তলা বাড়ি নির্মাণ করছে, সে বাড়ির কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। স্থানীয় রাখাইনদের দাবী ওয়াইনজ অনেক আগে থেকে মায়ানমার আসা যাওয়া করে। বর্তমানে ৪/৫ বছর ধরে মায়ানমারে থাকে। শুনা যায় সে মোস্ট ওয়ানটেড মাদক কারবারী হিসাবে পরিচিত। এছাড়া চৌফলদন্ডী রাখাইন পাড়ার বাসিন্দা সুইম্যা রাখাইন (তার শশুর বাড়ি টেকপাড়া) সে অনেক বছর ধরে টেকপাড়াতেই থাকে চুলের ব্যবসার কারনে প্রায় সময় মায়ানমার যাতায়ত করে সে সুবাধে মাদকের রমরমা ব্যবসা করে। জানা গেছে তারা তিন জনই সরসরি বার্মা থেকে ইয়াবা বুঝিয়ে দেয় এবং বাংলাদেশে এসে টাকা কালেকশন করে। মাঝেমধ্যে তাদের আত্মীয় স্বজনদে মাধ্যমেও টাকা কালেকশন করে বলে জানা গেছে। এদিকে চৌফলদন্ডী গিয়ে জানা গেছে এলাকার সব চেয়ে বড় ইয়াবা ডন কিউবা রাখাইনও বর্তমানে বার্মা থাকে, সেখান থেকে সরসারি ইয়াবা পাঠায় সে। কক্সবাজারে তার ভাই হারি রাখাইন,মং কিউ রাখাইন,সুইম্যা সহ সবাই মিলে সিন্ডিকেট পরিচালনা করে।
এদিকে শহরের বেশ কয়েকজন রাখাইন সমাজপতিদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, স্যি স্যা,ওয়ানইজ,সুইম্যে সহ এলাকার যুবকরা বেশির ভাগ সময় বার্মায় থাকে। তারা কিন্তু আগে তেমন বেশি সচ্চল ছিল না। কিন্তু বর্তমানে তাদের টাকার আয়ের উৎস সন্দেহ জনক। যদি প্রশাসন নজরদারী করে সঠিক ভাবে তদন্ত করে আসল রহস্য বেরিয়ে আসবে। তাই বিষয়টি সঠিক ভাবে তদন্ত করে দ্রæত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবী জানা তারা।

নিউজটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

এই বিষয়ে আরো সংবাদ দেখুন
© All rights reserved © 2021 cox71.com
Developed by WebArt IT