শিরোনাম :
কক্সবাজারে বিমান উড্ডয়নের সময় ধাক্কাতে ২ টি গরুর মৃত্যু : বড় দূর্ঘটনা থেকে রক্ষা চকরিয়ায় ব্যালট পেপার বিনষ্টের অভিযোগে মামলা: প্রিজাইডিং অফিসার কারাগারে খুরুশকুল এলাকায় অভিযানে ১ লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে র‌্যাব-আটক ১ কস্তুরাঘাট সংলগ্ন বাকঁখালী নদী এখন প্রভাবশালীর ব্যাক্তিগত জমি বদরখালীতে নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় নৌকা প্রার্থীর ভাগ্নেকে পিটিয়ে হত্যা ঈদগাঁওতে শীতমৌসুমে গরম কাপড় কিনতে ক্রেতাদের ভীড় চকরিয়ায় ১০ ইউপিতে আ‘লীগ ৫ স্বতন্ত্র ৫ মুক্তিযোদ্ধাকে হত্যাচেষ্টা, মহেশখালীর মেয়রসহ ২৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা পিএমখালীতে ইয়াবা সহ আটক হোসেনের সিন্ডিকেট এখনো অধরা নাফ নদ থেকে ১ কেজি আইসসহ পাচারকারী আটক

ভুতুড়ে বিদ্যূৎ নিয়ে দিশেহারা মানুষ

রির্পোটার:
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : শুক্রবার, জুন ১২, ২০২০
  • 177 বার সংবাদটি পড়া হয়েছে

মাহাবুবুর রহমান.
কক্সবাজারে সাধারণ মানুষের অভিযোগ মিটারে বর্তমান রিডিং এর চেয়ে তিন গুন বিদ্যূৎ বিল দেওয়া হয়েছে আর কর্তৃপক্ষ বলছে মন্ত্রনালয়ের নির্দেশে আগের মাসের চেয়ে ১০% থেকে ১৫% বাড়ানো হয়েছে। বিদ্যূৎ বিলের অতিরিক্ত বিলের কথা ছাপিয়ে উল্টো মিটার রিডারকে বাড়িতে ঢুকতে না দেওয়ার কথা বলে সাধারণ মানুষকেউ দোষারুপ করলেও নির্বাহী প্রকৌশলী। গত ২ দিন ধরে শহরের বিভিন্ন নাগরিকরা ফোন করে এবং মোবাইলে ভুতুড়ে বিদ্যূৎ বিলের কপি দিয়ে অভিযোগ করেন অতিরিক্ত বিদ্যূৎ বিল শোধ করতে এখন ঋন নিতে হবে। আলাপ কালে শহরের বৌদ্ধ মন্দির রোড়ের বাসিন্দা এড,মোহাম্মদ ইউনুচ বলেণ,আমার প্রতি মাসে বিল আসে ১০০০ থেকে সর্বোচ্চ দেড় হাজার টাকা। কিন্তু চলতি মাসে বিল দিয়েছে ৭ হাজার টাকা। আমার আগের কোন বকেয়া নেই। লকডাউনেওআমি বিকাশে বিল দিয়েছি। একই এলাকার মংছেন রাখাইন বলেণ,আমার বাড়িতে প্রতি মাসে বিল আসে ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা এখন বিল দিয়েছে ৪৭০০ টাকা এখন আমি এতটাকা কোথায় পাব আমি সামান্য ব্যবসা করি ৩ মাস ধরে দোকানেও কোন আয় নেইএখন মনে হচ্ছে করো কাছ থেকে ধার দিয়ে বিল শোধ করতে হবে। বাহারছড়ার জসিমউদ্দিন বলেণ,আমারদের এলাকার প্রতিটি বাড়িতে বিদ্যূৎ বিল অতিরিক্ত এসেছে এটা নিয়ে প্রত্যেকে ক্ষুব্ধ। আমি যতুটুক জানি জুন মাসে প্রায় সময় বিদ্যূৎ বিল বাড়িয়ে দেয় কিন্তু এত বেশি না। আর উনারা বলছে পরের মাসে ঠিক করে দেবে কিন্তু এখন ইউনিট হিসাবে আমার কাছ থেকে প্রায় ৯ টাকা করে নেওয়া হয়েছে পরের মাসে যখন ইউনিট কমে যাবে তখন বিলও কমতে তাহলেতো এই মাসে আমি অতিরিক্ত টাকা দিলাম সেটা কোথায় যাবে। আর সব চেয়ে বড় কথা সবাই এক সমান না আমার পাশেই ২ জন ইতি মধ্যে বিদ্যূৎ বিল পরিশোধের জন্য টাকা ধার চাইতে এসেছে এখন মানুষের হাতে টাকা নেই এই মুহুর্তে এতটাকা মানুষ পাবে কোথায় ? এ ব্যপারে কক্সবাজার বিদ্যূৎ বিতরণ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী ওসমান গনি বলেণ, মূলত লকডাউন চলাকালিন অনেকে মিটার রিডারদের বাড়িতে ঢুকতে দেয়নি। তাই মিটার দেখতে পারেনি। তাছাড়া মন্ত্রনালয়ের নির্দেশে ১০ থেকে ১৫% বিল বাড়ানো হয়েছে অতিরিক্ত হওয়ার কোন কারন নেই। তবুও হয়ে থাকলে সেটা আমরা ঠিক করে দেব অথবা পরের মাসে ঠিক হয়ে যাবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

এই বিষয়ে আরো সংবাদ দেখুন
© All rights reserved © 2021 cox71.com
Developed by WebArt IT