শিরোনাম :
কক্সবাজারে বিমান উড্ডয়নের সময় ধাক্কাতে ২ টি গরুর মৃত্যু : বড় দূর্ঘটনা থেকে রক্ষা চকরিয়ায় ব্যালট পেপার বিনষ্টের অভিযোগে মামলা: প্রিজাইডিং অফিসার কারাগারে খুরুশকুল এলাকায় অভিযানে ১ লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে র‌্যাব-আটক ১ কস্তুরাঘাট সংলগ্ন বাকঁখালী নদী এখন প্রভাবশালীর ব্যাক্তিগত জমি বদরখালীতে নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় নৌকা প্রার্থীর ভাগ্নেকে পিটিয়ে হত্যা ঈদগাঁওতে শীতমৌসুমে গরম কাপড় কিনতে ক্রেতাদের ভীড় চকরিয়ায় ১০ ইউপিতে আ‘লীগ ৫ স্বতন্ত্র ৫ মুক্তিযোদ্ধাকে হত্যাচেষ্টা, মহেশখালীর মেয়রসহ ২৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা পিএমখালীতে ইয়াবা সহ আটক হোসেনের সিন্ডিকেট এখনো অধরা নাফ নদ থেকে ১ কেজি আইসসহ পাচারকারী আটক

ভিডিও কনফারেন্সে সব আছে বাস্তবে নাই আর নাই

রির্পোটার:
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, জুন ২, ২০২০
  • 670 বার সংবাদটি পড়া হয়েছে

মাহাবুবুর রহমান.
প্রধানমন্ত্রী ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রনালয়ের সাথে ভিডিও কনফারেন্সে সব কিছু ঠিক আছে কিন্তু বাস্তবে ভিন্ন চিত্র এমনটাই মনে করছেন কক্সবাজারের সচেতন মহল। করোনা সংকট কালীনএই সময়ে স্বাস্থ্য বিভাগের নাই আর নাই শুনতে শুনতে সাধারণ মানুষের মধ্যে আস্থার সংকট তৈরি হয়েছে বলে জানান তারা।
কক্সবাজার পৌরসভার প্যানেল মেয়র হেলাল উদ্দিন কবির বলেণ,করোনা সংকটকালীণ সময়ে কক্সবাজারের মানুষ নাই আর নাই শুনতে শুনতে হাপিয়ে উঠেছে অথচ যখনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী অথবা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রনালয়ের সাথে ভিডিও কনফারেন্স করা হয় তখন সব কিছু আছে আর আছে বলে কর্মকর্তারা। হাসপাতালে যে সব ডাক্তার রোগিদের চিকিৎসা দিতে আসে না তারা ভিডিও কনফারেন্সে ঠিকই আসে। আর যন্ত্রপাতী ব্যবহারের খেত্রে ব্যাপক ভাবে প্রচার করে। কিন্তু কোন রোগি হাসপাতালে হাসপাতালে আসলে সেই সুবিধা আর পাওয়া যায়না। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলে জেলা সদর হাসপাতালে অক্সিজেন না থাকার মত ঘটনা আগে কথনো দেখা যায়নি। এদিকে রামু আইসোলেশন সেন্টারে চিকিৎসাধীণ এক কাস্টম কর্মকর্তা জানান,আমার করোনা পজিটিভ হয়েছে,শাষকষ্ট বেড়ে যাওয়ার কারনে অক্সিজেন দরকার পড়ায় আমি নিজের খরচে কিনে এনে অক্সিজেন ব্যবহার করেছি। ব্যবসায়ি নেতা আবু মোর্শেদ চৌধুরী বলেণ,শুধু স্বাস্থ্য বিভাগ নয় সবখেত্রে শুধু ভিডিও কনফারেন্সে আছে বাস্তবে তার কিছুই দেখা মিলেনা। বাজার মনিটরিং করে শুধু ব্যবসায়িদের জরিমানা করা যায় কিন্তু তাদের জন্য কোন সুযোগ থাকেনা। মিটিংএ প্রস্তাব করলে হবে বলে কিন্তু বান্তবে হয় না। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপ পরিচালক ফাহমিদা বেগম বলেণ,করোনা সংকটে লাশ দাফন থেকে শুরু করেঅনেক কাজের সাথে ইসলামিক ফাউন্ডেশনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে এ পর্যন্ত আমাদের কর্মীদের কোন স্থায়ী পিপি তাদের সুরক্ষার জন্য উপকরণ এমনকি কোন বাজেট দেওয়া হয়নি। শুধু লাশ নিতে আমাদের ফোন করে। এদিকে শুধু জেলা নয় উপজেলা পর্যায়ে সংকট আরো তীব্র বলে জানান সংশ্লিষ্টরা পেকুয়া উপজেলার ২ জন ইউপি চেয়ারম্যান দাবী করেন কোন মিটিং এ গেলে সেখানে বলে আমাদের হাসপাতাল প্রস্তুত আছে,ডাক্তার নার্স প্রস্তুত আছে বিভিন্ন বাহিনী বা সেচ্ছাসেবক প্রস্তুত আছে কিন্তু কাজের বেলায় গেলে ইউনিয়ন পরিষদের চকিদার দফাদার ছাড়া কাউকে পাওয়া যায়না। প্রথম দিকে করোনা রোগিরা কিছু খাদ্য সহায়তা পেলেও এখন তাদের খোঁজ নেয়না কেউ এমনকি ঔষধ কিভাবে সেটাও জানতে পারছে না অনেকে। টেকনাফ পৌরসভার প্যানেল মেয়র আবদুল্লাহ মনির বলেণ,আমার মতে এখনো পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনের বাইরে যায়নি সব কিছু প্রশাসনের নিয়ন্ত্রনে আছে। তবে মাঠপর্যায়ে আন্তরিকতার অভাব আছে। বাস্তবতা হচ্ছে যার যেটা দায়িত্ব সেটা ঠিকমত অনেকে পালন না করায় কিছুটা সংকট তৈরি হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

এই বিষয়ে আরো সংবাদ দেখুন
© All rights reserved © 2021 cox71.com
Developed by WebArt IT