বড় সিন্ডিকেটের ছোট অংশ ছিল রিয়াজ

রির্পোটার:
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : রবিবার, অক্টোবর ৪, ২০২০
  • 486 বার সংবাদটি পড়া হয়েছে

কক্স৭১
কক্সবাজার শহরের নতুন বাহারছড়া এলাকা থেকে ১ অক্টোবর র‌্যাবের হাতের আটক পোকখালী ইউনিয়নের গুমাতলি এলাকার হায়দার আলীর ছেলে রিয়াজ উদ্দিন ৪ হাজার ইযাবা সহ আটক হয়। এ ঘটনা বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে প্রচার হলে স্থানীয় অনেক লোকজন এসে রিয়াজ সহ তার সহযোগিদের বিষয়ে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ন তথ্য দেয়। পরে এসব তথ্য অনুযায়ী অনুসন্ধানে গিয়ে দেখা গেছে র‌্যাবের হাতে আটক রিয়াজ শুধু একজন নয় তার সাথে রয়েছে ইয়াবা ব্যবসায়িদের অনেক বড় সিন্ডিকেট। রিয়াজ ছিল সেই সিন্ডিকেটের অনেক ছোট অংশ। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে রিয়াজ উদ্দিন শহরের উত্তর নুনিয়ারছড়া এলাকা সাবেক মহিলা মেম্বার রাজুর মেয়ের জামাই এবং স্থানীয় বড় ইয়াবা ডিলার জহিরুল ইসলাম ফারুকের বোনের জামাই। আর এলাকাবাসী জানা জহিরুল ইসলাম ফারুক কয়েক বছর আগেও সামান্য মাছের ব্যবসা করতো পরে বোট থেকে মাছ ডাকাতির ঘটনায়ও জড়িত ছিল সে সূত্রে তার বিরুদ্ধে ডাকাতি মামলা আছে এবং জেল ও খেটেছে। পরে কয়েক বছর আগে নুনিয়ারছড়া এলাকায় একটি বড় ইয়াবার চালান খালাস হয় ফারুকের নেতৃত্বে যেঘটনায় এখানকার স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতাকেও র‌্যাবের নিয়ে গিয়েছিল বলে এলাকার মানুষ জানে। সেই বড় ইয়াবা চালান বিক্রি করে ফারুক সম্প্রতী নিজে ১ কোটি টাকা দিয়ে বোট তৈরি করছে,এর আগে ৭০ লাখ টাকা দিয়ে বোট করছে,খুরুশকুলে জমি কিনেছে,হাজী পাড়া এলাকার এক ব্যবসায়িকে ৬০ লাখ টাকা সুদে টাকা দিয়েছে,কলাতলীতে ২ টি ফ্ল্যাট কিনেছে, ফারুকের রাজকিয়া বাড়ি দেখলে যে কোন বড় জমিদারও হার মানবে। এছাড়া তার শশুর আবুল কালামকে আলিশান ঘর তৈরি করে দিয়েছে,ব্যবসা ধরিয়ে দিয়েছি, আর তার ইয়াবা ব্যবসা নিয়ন্ত্রন সহ সার্বিক সহযোগিতা করতো তার বোনের জামাই রিয়াজ,স্থানীয় আমেনা নামের এক মহিলা সহ আরো অনেকে। এদিকে কলাতলী এলাকায় খোঁজ নিয়ে জানা গেছে বীচ হলিডে হোটেলের পাশে সাগর গাঁও রেষ্টুরেন্ট করতো রিয়াজ সহ আরো কয়েকজন এর মধ্যে অন্যতম পিএমখালী মোহসনিয়া পাড়া এলাকা মৌলবী বদিউল আলমের ছেলে হাফিজুর রহমান লাভলু যার আপন ভাই বাপ্পী বর্তমানে ইয়াবা সহ আটক হয়ে সৌদি আরবে কারাগারে রয়েছে। জানা গেছে প্রায় ২ বছর আগে বাংলাদেশ থেকে ইয়াবা নিয়ে যাওয়ার সময় সৌদি আরব বিমানবন্দরে আটক হয় ঝিলংজা মহুরী পাড়ার খোরশেদ নামের এক যুবক পরে সেখানকার পুলিশ জানতে পারে ইয়াবা গুলো আনা হয়েছিল আগে থেকে সেখানে থাকা বাপ্পীর জন্য পরে পুলিশ তাকেও আটক করে। সে ঘটনায় খোরশেদের মায়ের দাবী ছিল রুমালিয়ারছড়া এলাকা সোহাগ নামের এক যুবক তার ছেলেকে ইয়াবা গুলো দিয়েছিল এখন আবার রিয়াজের সাথে ব্যবসা করে সেই হাফিজুর রহমান লাভলু,সোহাগরা এতে এলাকাবাসীর দাবী মূলত এটা বড় ইয়াবা সিন্ডিকেট তাই রিয়াজকে রিমান্ডে নিয়ে গিয়ে তার সাথে জড়িত এবং তার গডফাদারদের আটক করতে পারলে কক্সবাজার থেকে একটি বড় ইয়াবা সিন্ডিকেট ধরা পড়বে এতে পুরু সমাজ উপকৃত হবে। এ ব্যপারে উত্তর নুনিয়ারছড়ার জহিরুল ইসলাম ফারুকের কাছে জানতে চায়লে তিনি প্রথমে মোবাইল রিসিভ করলেও পরে সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে পরিচয় গোপন করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

এই বিষয়ে আরো সংবাদ দেখুন
© All rights reserved © 2021 cox71.com
Developed by WebArt IT