বি কে পাল সড়কের রাস্তা উন্নয়ন কাজে ব্যাপক অনিয়ম ও অসমতা

রির্পোটার:
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, অক্টোবর ২৭, ২০২০
  • 272 বার সংবাদটি পড়া হয়েছে
?

বার্তা পরিবেশক
দীর্ঘ ৯ মাসেও শেষ হয়নি শহরের বি কে পাল সড়কের নালা নির্মাণ কাজ। এতে রাস্তাটি ৯ মাস ধরে রাস্তাটি ব্যবহার করতে পারছেনা স্থানীয়রা। অন্যদিকে নালা নির্মাণে ব্যাপক অনিয়ম এবং সেচ্ছাচারীতার আশ্রয় নিয়েছে পৌরসভা কর্তৃপক্ষ। রাস্তায় কোথাও ১২ ফুট,কোথাও ১৪ ফুট আবার কিছু জায়গায় ১৭ ফুট জায়গা রেখে নালা করা হচ্ছে এতে চরম ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে কিছু বাসিন্দা। আবার দীর্ঘ দিন ধরে মাটি কুড়ে রাখায় অনেকের বাড়ি ঘর পড়ে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে বলে সরজমিনে গিয়ে দেখা গেছে। এদিকে রাস্তারা কাজ কখণ শেষ হবে সেটা সঠিক বলতে পারছেনা কর্তৃপক্ষ।
কক্সবাজার শহরের জনগুরুত্বপূর্ন বিকেপাল সড়কের শনির দশা কাটছে না। দীর্ঘ ৯ মাস ধরে নালা নির্মাণ করার কাজের কারনে বন্ধ হয়েআছে রাস্তাটি এতে চরম বিপাকে পড়েছে স্থানীয় বাসিন্দারা। এদিকে দীর্ঘ দিন মাটি কুড়ে ফেলে রাখার কারনে বৃষ্টির পানিতে মাটি নরম হয়ে অনেকের ঘর পড়ে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। এতে চরম আতংকে দিন কাটাচ্ছে প্রতিবন্ধি এক বাসিন্দা সহ অনেক পরিবার। সরজমিনে গিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা প্রতিবন্ধি আবেদ নুর এবং আবদু রহিম,উম্মে ফেরদৌসি সুলতানা জানান,দীর্ঘ ৯ মাস ধরে রাস্তাটি ব্যবহার করা যাচ্ছেনা,এর মধ্যে বেশির ভাগ জায়গায় নালা নির্মাণ কাজ শেষ হলেও আমাদের বাড়ির সামনে নালা নির্মাণ কাজ শুরুই হয়নি,অথচ সেখানে মাটি কুড়ে রেখেছে শুরু থেকে ফলে এখন বাড়িটি হেলে পড়ছে,আর রাস্তায় গোলদিঘির পাড় হয়ে অনুকূল ঠাকুর আশ্রমের পাশে সাড়ে ১২ ফুট,ডাঃ অজয় ঘোষের পাশে সাড়ে ১৩ ফুট,এবং বাদল মেম্বারের বাড়ির পাশে ১৪ ফুট ৯ ইঞ্চি রেখে সংস্কার কাজ শেষ করেছে। অথচ আমাদের বাড়ির পাশে এসে প্রথমে ১৪ ফুট পরে ১৫ ফুট রাস্তা রেখে কাজ শেষ করার সিদ্ধান্ত জানায় স্থানীয় কাউন্সিলার এবং পৌরসভার প্রকৌশলী টিটন এতে আমাদের ঘরের বাউন্ডারী ওয়াল ভেঙ্গে রাস্তার জন্য ৪ ফুট জমি ছেড়ে দিয়েছি তার পর আবার প্রকৌশলী টিটন এবং কাউন্সিলার রাজবিহারী দাশ ১৮ ফিট রাস্তা নেওয়ার জন্য হুমকী ধমকি দিচ্ছে। অথচ আর জরিপে রাস্তা আছে ৬ ফিট,কোথাও ৮ ফিুট আবার কোথাও ৯ ফিট, এছাড়া বিএস জরিপে রাস্তা আছে ১৪ ফিট বা ১৫ ফিট। পরে বিষয়টি আমার পৌরসভার মেয়র মুজিবুর রহমান সাহেবকে জানালে তিনি ১৬ ফুট রাস্তা রেখে কাজ করার জন্য নির্দেশ দেয়। আমরাও মেয়র মহোদয়ের কথা মত ১৬ ফুট ছেড়ে দিয়েছি। তার পরও কাজ শেষ করছেনা কর্তৃপক্ষ এখন আবারো ঘরে ভেঙ্গে জমি নেওয়ার কথা বলছে। এতে আমরা চরম অসহায় হয়ে পড়েছি। তাই আমাদের দাবী মেয়র সাহেবের নির্দেশমত ১৬ ফুট রাস্তা রেখে নালা নির্মাণের কাজ দ্রæত শেষ করে আমাদের পরিবার পরিজনকে নিয়ে প্রাণে বাঁচার জন্য পৌর কর্তৃপক্ষ সহ সংশ্লিষ্ট সকলের নিকট জোরদাবী জানাচ্ছি। এ ব্যপারে কক্সবাজার পৌরসভার প্রকৌশলী টিটন দাশ বলেন, মন্দিরের মুখে পৌরসভার ট্রেসে যে টুকু জমি আছে সে টুকু নেওয়া হয়েছে বাকি গুলো গার্ল স্কুলের দেয়াল ভেঙ্গে দেওয়ার কথা হয়েছে। তবে যে স্থানের কথা বলা হচ্ছে সেখানে একটি জায়গায় সামান্য সমস্য আছে বাকি গুলো ঠিক হলে কাজ শুরু হবে। স্থানীয় পৌর কাউন্সিলার রাজবিহারী দাশ বলেন,পৌরসভার প্রকৌশলীদের মাধ্যমে পরিমাপ করে যেটুকু নেওয়ার কথা সে পরিমান রাস্তার জন্য জমি নেওয়া হবে। কারো ঘর ভেঙ্গে রাস্তার জন্য বা নালার জন্য জমি নেওয়া হবে না। বিষয়টি আমি নজরে রাখবো।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

এই বিষয়ে আরো সংবাদ দেখুন
© All rights reserved © 2021 cox71.com
Developed by WebArt IT