শিরোনাম :
উখিয়ার রোহিঙ্গা ছৈয়দ নুরের এনআইডি বাতিল করতে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ আদালতের নির্দেশ অমান্য করে কলাতলীতে হোটেল দখলে নিতে তৎপর প্রতারক চক্র অবাধ তথ্য প্রবাহ দূর্নীতি প্রতিরোধে সহায়ক ভুমিকা রাখতে পারে : সুজনের আলোচনা সভায় বক্তারা ফাঁদে ফেলে ব্ল্যাকমেইল করতেন বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই নারী শিক্ষক ২০ হাজার ইয়াবা সহ আটক ১ জেলার বিভিন্ন মসজিদ মাদ্রাসায় কর্মরত রোহিঙ্গাদের সরকারি সুযোগ সুবিধা বাতিলের দাবীতে আবেদন রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীর হাতে অপহৃত ৩ বাংলাদেশীকে উদ্ধার করেছে র‌্যাব নাফ নদীতে অজ্ঞাত শিশুর লাশ উদ্ধার ১০ হাজার ইয়াবা সহ আটক ২ আইনজীবি হলেন স্বামী স্ত্রী জসিম উদ্দিন ও মর্জিনা আক্তার

বাসটার্মিনালে বানিজ্যিক প্রতিষ্টানে সয়লাব : গাড়ী থাকে রাস্তায়

রির্পোটার:
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : শনিবার, মার্চ ২০, ২০২১
  • 279 বার সংবাদটি পড়া হয়েছে

মাহাবুবুর রহমান.
কক্সবাজার বাস টার্মিনালের বেশির ভাগ জায়গা জুড়ে গড়ে উঠেছে অসংখ্য বানিজ্যিক প্রতিষ্টান। আবার একই পরিবহণের বেশ কয়েকটি কাউন্টার সহ বেশ কিছু স্থাপনার কারনে বাস টার্মিনালে এখন গাড়ি রাখার জায়গা নেই। তাই গাড়ী থাকে রাস্তায় আর বাসটার্মিনাল জুড়ে বানিজ্যিক প্রতিষ্টান। আর এসব বানিজ্যিক প্রতিষ্টানের পেছনে রয়েছে প্রভাবশালীরা তাই এখনো গড়ে উঠছে দোকানপাট।
গত কয়েকদিন ধরে কক্সবাজার কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালে গিয়ে দেখা দেখে সিমাহীন নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি বিরাজ করছে। বাস টার্মিনালে হাতে গুনা কিছু গাড়ী থাকলেও রয়েছে অসংখ্য দোকান পাট সহ বানিজ্যিক প্রতিষ্টান। এ সময় বাস কর্মচারী রফিক জানান,বাস টার্মিনালের প্রবেশ মুখ থেকে শুরু করে সর্বত্র দোকানপাঠ,আর প্রতিটি দোকান বিক্রি হয়েছে অনেক চড়া দামে প্রায় ৫ থেকে ১০ লাখ টাকায় এখানে দোকান বিক্রি হয়েছে বলে জানা গেছে। তিনি জানান সত্যি বলতে পৌরসভার বেশ কয়েকজন সাবেক ও বর্তমান নেতৃবৃন্ধ এখানে দোকান সিন্ডিকেটের সাথে জড়িত। এদিকে নাম প্রকাশে বেশ কয়েকজন বাস চালক বলেন,গত ২ বছরের মধ্যে বাস টার্মিনালের প্রবেশ মুখে ৩ টি দ্বিতল ভবন উঠেছে এর মধ্যে একটি ডিককুল এলাকার মিজানের অন্যটি মৃদুল নামের একজনের। জানা গেছে মিজান বাসটার্মিনাল এলাকার চিহ্নিত অপরাধী সে তার সন্ত্রাসী বাহিনি দিয়ে পুরু টার্মিনাল নিয়ন্ত্রন করে। আর মৃদুলের আরো একটি দোকান আছে সে এখানে সব ধরনের ব্যবসা নিয়ন্ত্রন করে। এছাড়া টার্মিনালের দক্ষিণ দিকের প্রবেশ মুখে অসংখ্য দোকান গড়ে উঠছে সেগুলো এখন চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে তবে সেখানে অনেকে কাউন্টার করার জন্য নিচ্ছে তবে কাউন্টার পাওয়ার ও একটা নিয়ম আছে অনেক এসি বাস আছে যে গুলো দৈনিক একটা আসে অথবা সপ্তাহে ২/৩ টি আসে সেগুলো কিভাবে কাউন্টার পাবে। তবে সে সব বাসের মালিকেদের টাকা আছে তাই তারা সব ম্যানেজ করে কাউন্টার পাচ্ছে। আগে টেকনাফের গাড়ী গুলো রাখার স্থান বেশ বড় ছিল কিন্তু গত কয়েক বছরে তা ছোট হতে হতে মাত্র ১০ টি গাড়ী রাখার স্থানে চলে এসেছে বাকি গাড়ী গুলো সব সময় রাস্তায় রাখতে হয়। আবার ইতি মধ্যে গড়ে উঠেছে অসংখ্য দোকান যে গুলো বর্তমান অনেক কমিশনার চুক্তিতে ভাড়া দিয়েছে এতে টার্মিনালে গাড়ী রাখার জায়গা একেবারে কমে গেছে। একই সাথে কিছু শ্রমিক নেতা ও এখানে নিয়মিত ব্যবসা ও চাঁদাবাজী করে আসছে। মোট কথা টাকার আয় করার জন্য এখানে দোকানপাট বসিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এদিকে বেশ কয়েকজনের দাবী ২০০৪ সালে এই টার্মিনাল উদ্বোধন হওয়ার পরে ১৫ বছরে যত দোকান হয়নি গত ৪/৫ বছরে তার চেয়ে বেশি দোকান হয়েছে। তবে এটাও ঠিক কয়েক বছর আগে এখানে ভুতুড়ে পরিবেশ ছিল বর্তমান মেয়র এখানে কিছুটা উন্নয়ন করেছেন যাত্রীদের বসার জন্য কিছু সুযোগ সুবিধা তৈরি করেছেন। এদিকে উত্তোরণ আবাসিক এলাকার সামনে গাড়ী পার্ক করা এস আলম পরিবহনের এক চালককে রাস্তার উপরে কেন গাড়ী পার্কিং করেছেন জানতে চাইলে তিনি বলেন,টার্মিনালে গাড়ী রাখার জায়গা নাই তাই এখানে গাড়ী রেখেছি। এভাবে রাস্তায় গাড়ী রাখা খুবই ঝুকিপূর্ন কারন সে কোন মুহুর্তে বড় দূর্ঘটনা হয়ে যেতে পারে। গাড়ী থেকে অনেক কিছু চুরি হতে পারে। আর আমরা টার্মিনালে গাড়ী পার্কিং না করলেও পৌরসভাকে নিয়মিত পার্কিং ফিস দিতে হচ্ছে তাই আমরা চাই বাস টার্মিনালেই গাড়ী রাখার ব্যবস্থা করা হউক। একই ভাবে হর্টিকালসার অফিসের সামনে ঈদগাঁও লাইন এবং টেকনাল লাইনের দুটি গাড়ী রাখা অবস্থায় চালকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে টার্মিনালে গাড়ী রাখার জায়গা না থাকায় রাস্তায় গাড়ী রাখতে হচ্ছে এটা আমাদের জন্য খুবই সমস্যার। আমরা চাই টার্মিনালে গাড়ী রাখতে। তারা বলেন,টার্মিনালে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা নাই বিশেষ করে রাতের পরিবেশ খুবই ঝুকিপূর্ন থাকে এখানে ছিনতাইকারী,মাদকসেবীদের আড্ডায় পরিনত হয়। আর পাতিনেতারে দৈরাত্মে এখানে টিকে থাকা মুশকিল।
এ ব্যপারে কক্সবাজার পৌরসভার মেয়র মুজিবুর রহমান বলেন,আমি দায়িত্ব নেওয়ার পরে বাস টার্মিনালের যে উন্নয়ন করেছি তা অতীতে কেউ করেনি। আর টার্মিনালে অপ্রয়জনীয় দোকান পাট থাকলে সেগুলো উচ্ছেদ করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

এই বিষয়ে আরো সংবাদ দেখুন
© All rights reserved © 2021 cox71.com
Developed by WebArt IT