শিরোনাম :
কক্সবাজারে বিমান উড্ডয়নের সময় ধাক্কাতে ২ টি গরুর মৃত্যু : বড় দূর্ঘটনা থেকে রক্ষা চকরিয়ায় ব্যালট পেপার বিনষ্টের অভিযোগে মামলা: প্রিজাইডিং অফিসার কারাগারে খুরুশকুল এলাকায় অভিযানে ১ লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে র‌্যাব-আটক ১ কস্তুরাঘাট সংলগ্ন বাকঁখালী নদী এখন প্রভাবশালীর ব্যাক্তিগত জমি বদরখালীতে নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় নৌকা প্রার্থীর ভাগ্নেকে পিটিয়ে হত্যা ঈদগাঁওতে শীতমৌসুমে গরম কাপড় কিনতে ক্রেতাদের ভীড় চকরিয়ায় ১০ ইউপিতে আ‘লীগ ৫ স্বতন্ত্র ৫ মুক্তিযোদ্ধাকে হত্যাচেষ্টা, মহেশখালীর মেয়রসহ ২৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা পিএমখালীতে ইয়াবা সহ আটক হোসেনের সিন্ডিকেট এখনো অধরা নাফ নদ থেকে ১ কেজি আইসসহ পাচারকারী আটক

বাজার বন্ধ : পান নিয়ে বিপাকে চাষীরা

রির্পোটার:
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : রবিবার, এপ্রিল ১২, ২০২০
  • 69 বার সংবাদটি পড়া হয়েছে

সৈয়দুল কাদের :
জেলার সবকটি পান বাজার বন্ধ থাকায় বিপাকে পড়েছেন পান চাষীরা। যার ফলে অর্থের সংকটে পড়েছেন জেলার অন্তত ৬০ হাজার পান চাষী। প্রধান আয়ের উৎস পান বিক্রি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। পান চাষীরা প্রশাসনের নির্দেশনা মেনে উৎপাদিত পান বিক্রি করতে চায়।
পান নিয়ে বিপাকে পড়েছেন জেলার অন্তত ৬০ হাজার প্রান্তিক চাষী। জেলায় কুতুবদিয়া ছাড়া অন্য ৭ উপজেলায় উৎপাদিত হয় পান। এতে সর্বোচ্চ মিস্টি পান উৎপাদন হয় মহেশখালী, চকরিয়া, ও পেকুয়া উপে জলায়। ৭টি উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নে রয়েছে একাধীক পান বাজার। যার সবকটিই এখন বন্ধ রয়েছে।
মহেশখালীর বিশিষ্ট পান ব্যবসায়ি মোহাম্মদ মিয়া জানান, প্রতি সপ্তাহে পান বিক্রি না করলে পান গাছের সব পানই নষ্ট হয়ে যায়। বাজার বন্ধ থাকায় পান বিক্রি না করে তা মাটিতে পুতে দিতে হচ্ছে। শুধু চাষী নয়, পান চাষের উপর নির্ভরশীল রয়েছে আরো অর্ধলক্ষাধীক পরিবার। কেউ পান ব্যবসা করে আর কেউ পানের শ্রমিক। এখন সবকিছুই বন্ধ রয়েছে। আমরা সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে বাজারে পান বিক্রি করতে চাই। গত এক সপ্তাহ ধরে পান বন্ধ থাকায় পান চাষে জড়িত নিম্নবত্তি ও মধ্যবিত্ত এসব পরিবারের ব্যাপক অর্থ সংকট দেখা দিয়েছে। তাই বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আনা অতীব জরুরী। এ ছাড়া সরকারকে রাজস্ব দিয়ে যার পান বাজার ইজরা নিয়েছে তারাও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
পান চাষী চকরিয়ার ডুলাহাজারার ফজল করিম জানিয়েছেন, পান বিক্রি বন্ধ থাকায় আমরা পরিবার নিয়ে অনেক কষ্টে আছি। পান চাষীরা কোন সহায়তাও পায়নি। এতে আমরা বিপাকে পড়েছি। পান কাঁচা পণ্য। এটি কোন ভাবেই পান গাছে রাখা যায় না। প্রতি সপ্তাহেই পান বিক্রি করতে হয়। আমরা চাই সরকারের নির্দেশনা মেনে পান বিক্রি করতে।
মহেশখালীর সর্ববৃহৎ পান বাজারের ইজরাদার উত্তর নলবিলার মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন জানিয়েছেন, প্রতি সপ্তাহে দুইদিন বাজার বসে। এতে দুইবারে পান বিক্রি হয় অন্তত ১ কোটি টাকার। এ সব এলাকার অর্থনীতির চাকা সচল রেখেছে পান। তা বন্ধ হয়ে যাওয়া সাধারণ মানুষ দিশেহারা হয়ে পড়েছে। এখন মাটি কাটতেও শ্রমিকের প্রয়োজন হয় না। পান চাষেই এখন সর্বোচ্চ শ্রমিকের প্রয়োজন। প্রতিটি পান বরজের উপর নির্ভর করে অন্তত ৫টি পরিবার। এখন সবই বন্ধ রয়েছে। আমরা চাই যাচাই-বাচাই করে পান বাজারগুলি চালু করতে।
কক্সবাজার সদর উপজেলার পান ব্যবসায়ি মোহাম্মদ ইসমাঈল জানিয়েছেন, বিভিন্ন খুচরা বাজার থেকে পান না আসায় আমাদের ব্যবসাও বন্ধ রয়েছে। এখন পরিবার নিয়ে আমরাও অর্থ সংকটে পড়েছি। আমাদের ব্যবসা বন্ধ থাকায় আরো অনেক খুচরা ব্যবসায়ির ব্যবসা বন্ধ হয়ে গেছে। মহেশখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ জামিরুল ইসলাম জানিয়েছেন, বিষয়টি আমরা খতিয়ে দেখছি।

নিউজটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

এই বিষয়ে আরো সংবাদ দেখুন
© All rights reserved © 2021 cox71.com
Developed by WebArt IT