শিরোনাম :
দেশের বিভিন্ন স্থানে দূর্গা পূজায় হামলা প্রতীমা ভাংচুরের প্রতিবাদে কক্সবাজারে মানববন্ধন বিদেশে যেতে চায় মুহিবুল্লাহ‘র পরিবার পাহাড়তলীতে বেলালের গ্যারেজে আড়ালে চলছে ইয়াবা ব্যবসা কাপ্তাইয়ে আওয়ামী লীগ মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থীকে গুলি করে হত্যা মাস্ক পরার বাধ্যবাধকতা আর থাকছে না সৌদিতে বিনা শুল্কে মিয়ানমার থেকে পেঁয়াজ আমদানীর নির্দেশ দিলেন অতিরিক্ত বানিজ্য সচিব পাহাড়তলীতে গ্যারেজের আড়ালে চলছে ইয়াবা ব্যবসা টেকনাফ সদর ইউনিয়ন ছাত্রলীগ সভাপতি ইয়াবা নিয়ে সহযোগি সহ ঢাকায় আটক পাঁচ কেজি আইসসহ টেকনাফ সিন্ডিকেট প্রধান ঢাকায় আটক পেকুয়ায় ত্রিভূজ প্রেমের বলি দুই প্রেমিক-প্রেমিকা

ফিসারিপাড়া আলমগীরের এত ক্ষমতা ও অর্থবিত্ত্বের উৎস কি ?

রির্পোটার:
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ২২, ২০২১
  • 279 বার সংবাদটি পড়া হয়েছে

মাহাবুবুর রহমান.
কক্সবাজার শহরের নতুন ফিসারিপাড়া এলাকায় অল্পদিনে কোটিপতি বনে যাওয়া এক পরিবারের অর্থবিত্ত¡নিয়ে এলাকার মানুষের মধ্যে চাঞ্জল্য সৃস্টি হয়েছে। এলাকাবাসীর দাবী মাছের তেলের ব্যবসার আড়ালে মাদক ব্যবসা ছাড়া অল্পদিনে এত টাকার মালিক হওয়া অসম্ভব। তারা মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রন করতেই বাকঁখালী নদীর জমি দখল করে গড়ে তুলেছে নিজস্ব কারখানা,রাস্তা লাগিয়েছে সিসি ক্যামেরা যাতে প্রশাসনের লোকজন সহ সবার গতিবিধি নজরে রাখা যায়। তবে সব কিছুর মুলে রয়েছে কিছু অদৃশ্যহাত যাদের ইন্দনে যারা আরো বেপরোয়া হয়ে পড়েছে।
শহরেরর নতুন ফিসারিপাড়া এলাকার আবুল কাশেম প্রকাশ টক্কাইন্না কয়েক বছর ধরে হাঙ্গরের তেল সহ কিছু মাছের ব্যবসা করে আসছিল। কয়েক বছর আগেও তার ছেলে আলমগীর সহ অনেকে ব্যবসা করেও কোন তেম আর্থিক সচ্চলতা ছিলনা। তবে মাত্র কয়েক বছরের মধ্যে যেন আলাদিনের চেরাগ পাওয়ার অবস্থা টিনসেট বাড়ির বদলে ৪ তলা আলিশান বাড়ি,নিজস্ব দামী মটরসাইকেল সহ দামি গাড়িতে চলাফেরা,ঘরের মহিলাদে আলিশান জীবনযাপন সহ কিছুযেন পরিবতর্ন। এলাকার মানুষের দাবী বাকঁখালী নদীর জমি দখল করে গড়ে আলমগীর গড়ে তুলেছে কারখানা সেখানে মাছের তেলের কাজ করানো হয়। যা খুবই ঝুকিপূর্ন যে কোন মুহুর্তে আগুন লাগলে এলাকায় কয়েকশত বাড়ি পুড়ে ছাই হয়ে যাবে। এছাড়া তারা বাকঁখালীর সেই ঘাট দিয়ে রাতবিরাতে মাদক পাচার করে সেটা যাতে কেই বুঝতে না পারে এবং প্রশাসনের লোকজনের গতিবিধি নজরে রাখা যায় সে জন্য রান্তা থেকে বাড়ি পর্যন্ত সব খানে সিসি ক্যামেরা বসানো হয়েছে। এছাড়া এলাকার মানুষ অভিযোগ করেছেন মুক্তিযুদ্ধা না হয়েও বাড়ির সামনে মুক্তিযুদ্ধা সাইনবোর্ড লাগিয়ে সাধারণ মানুষ এবং প্রশাসনকে বুকা বানাচ্ছে আলমগীর এবং তার পরিবার। একই সাথে তারা সব সময় তাদের এক নিকট আত্বীয় যিনি পরিকল্পনা মন্ত্রনালয়ে নাকি সচিব হিসাবে আছেন সব সময় উনার ক্ষমতা দেখায় মামলার হুমকি দেয়। এক কথায় পুুরু এলাকাকে একক নিয়ন্ত্রনে রাখতে চায় আলমগীরের পরিবার। এ ব্যপারে নতুন ফিসারিপাড়ার আলমগীর বলেন,বাকঁখালী নদীর জমি আমরা দখল করিনি সেই জমি আমার বাবা বেশ কয়েক বছর আগে বন্দোবস্তির জন্য আবেদন করেছেন। আর আমরা কোন হাঙ্গরের তেলের ব্যবসা করিনা দেশে হাঙ্গরই নাই। আমরা বৈধ ভাবে মাছের বিভিন্ন অংশের তেল ব্যবহার করে তা বড় বড় কোম্পানীকে সরবরাহ করি যার বৈধ কাগজ পত্র আমাদের আছে। আর আবার বাবা একজন প্রকৃত মুক্তিযুদ্ধা। বর্তমান মুক্তিযুদ্ধার তালিকায় আমার বাবার নাম ৬৮ নাম্বারে আছে। মূলত যারা আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য দিয়েছে তারা বেশির ভাগই রোহিঙ্গা এবং খারাপ প্রকৃতির লোক। কিছুদিন আগে আমার পরিবারে হামলা ঘটনাকে নিয়ে তারা আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

এই বিষয়ে আরো সংবাদ দেখুন
© All rights reserved © 2021 cox71.com
Developed by WebArt IT