শিরোনাম :
আর্ন্তজাতিক পীস এ্যাওয়ার্ড পেলেন কক্সবাজারের ফরিদুল হক নান্নু আর্ন্তজাতিক পীস এ্যাওয়ার্ড পেলেন কক্সবাজারের ফরিদুল আলম নান্নু খুরুশকুলে পৃথক স্থানে আ‘লীগের দু‘গ্রæপের সম্মেলন : দুটি কমিটি ঘোষনা ঈদগাঁওতে উপজেলা প্রশাসনের অভিযান: জরিমানা আদায় কক্সবাজারে ২৪ দেশের সেনা কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণে সেমিনার রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করেছেন জাপানের রাষ্ট্রদূত বনানী কবরস্থানে শায়িত হলেন সাজেদা চৌধুরী টেকনাফ উপজেলা আ‘লীগের সম্মেলন সম্পন্ন : সভাপতি বশর,সম্পাদক মাহবুব মোর্শেদ দেশে ডেঙ্গুতে মৃত্যু ৩২ জনের মধ্যে ১৫ জনই কক্সবাজারে পেশাদার সাংবাদিকদের মর্যাদা বৃদ্ধিকে কাজ করছে প্রেস কাউন্সিল

প্রদীপের ২০ বছর, স্ত্রীর ২১ বছরের জেল, সম্পদ বাজেয়াপ্তের নির্দেশ

রির্পোটার:
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : বুধবার, জুলাই ২৭, ২০২২
  • 119 বার সংবাদটি পড়া হয়েছে

কক্স৭১
দুর্নীতি দমন কমিশনের দায়ের করা অবৈধভাবে সম্পদ অর্জনের মামলায় টেকনাফ থানার সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশের ২০ বছর এবং তার স্ত্রী চুমকি কারণের ২১ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাদের সব সম্পদ বাজেয়াপ্তের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।বুধবার (২৭ জুলাই) বেলা ১১টার দিকে চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মুন্সী আবদুল মজিদ এ রায় ঘোষণা করেন।বিষয়টি নিশ্চিত করে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আইনজীবী মাহমুদুল হক মাহমুদ বলেন, আদালতে আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছেন।
গত ১৭ জুলাই প্রদীপ-চুমকি দম্পতির বিরুদ্ধে দায়ের করা দুর্নীতি মামলার রায় ঘোষণার জন্য এদিন ধার্য করেছিলেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ মুন্সী আবদুল মজিদের আদালত। এর আগে প্রদীপ দম্পতির পক্ষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হলে রায় ঘোষণার দিন নির্ধারণ করেন আদালত। ওইদিন আদালতে প্রদীপ ও তার স্ত্রী চুমকিও উপস্থিত ছিলেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, গত ১৫ ডিসেম্বর প্রদীপ ও চুমকির বিরুদ্ধে দুদকের মামলায় অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। প্রদীপ কারাগারে থাকলেও তার স্ত্রী চুমকি তখন পলাতক ছিলেন। গত ২৩ মে চুমকি আদালতে আত্মসমর্পণ করেন।
এর আগে ২০২০ সালের ২৩ আগস্ট তাদের বিরুদ্ধে চার কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলা করে দুদক। দুদকের দেওয়া অভিযোগপত্রে বলা হয়, চট্টগ্রাম নগরীর কোতোয়ালি থানাধীন পাথরঘাটায় ৬ তলা বাড়ি, ষোলশহরে বাড়ি, ৪৫ ভরি সোনা, একটি গাড়ি, একটি মাইক্রোবাস, ব্যাংক হিসাব এবং কক্সবাজারের একটি ফ্ল্যাট রয়েছে চুমকির নামে।
তাদের ৪ কোটি ৮০ লাখ ৬৪ হাজার ৬৫১ টাকার স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের বিপরীতে বৈধ ও গ্রহণযোগ্য আয় পাওয়া যায় দুই কোটি ৪৪ লাখ ৬৬ হাজার ২৩৪ টাকা। দুই কোটি ৩৫ লাখ ৯৮ হাজার ৪১৭ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের সত্যতা পেয়েছে দুদক। এ ছাড়া চুমকি নিজেকে মৎস্য ব্যবসায়ী দাবি করলেও এ ব্যবসার কোনো অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি।
এদিকে ২০২১ সালের ২৬ জুলাই প্রদীপ ও তার স্ত্রী চুমকির বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে দুদক। মামলায় ২৯ সাক্ষীর মধ্যে ২৪ জন সাক্ষ্য দেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না।

এই বিষয়ে আরো সংবাদ দেখুন
© All rights reserved © 2021 cox71.com
Developed by WebArt IT