শিরোনাম :
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে চোরাই পণ্যের ব্যবসা জমজমাট কক্সবাজারের দুই পৌরসভা ও ১৪ ইউপিতে ভোট ২০ সেপ্টেম্বর রামু উপজেলা পরিষদের সৌন্দর্য্য নষ্ট করে দোকান বরাদ্ধের প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ ঈদগাঁও বটতলী-ইসলামপুর বাজার সড়কের বেহাল দশা আইসক্রিম বিক্রেতা থেকে কোটিপতি রোহিঙ্গা জালাল : নেপথ্যে ইয়াবা ব্যবসা পৌর কাউন্সিলার জামশেদের স্ত্রী‘র ইন্তেকাল : সকাল ১০ টায় জানাযা উখিয়ায় বিদ্যুৎ পৃষ্টে একজনের মৃত্যু কক্সবাজারে বেড়াতে এসে অতিরিক্ত মদপানে চট্টগ্রাম ছাত্রলীগ নেতার মৃত্যু টেকনাফে নৌকা বিদ্রোহীদের জন্য কঠিন শাস্তি অপেক্ষা করছে; সাবরাং পথসভায় মেয়র মুজিব ৮ হাজার পিস ইয়াবা, যৌন উত্তেজক সিরাপ নগদ টাকা সহ আটক ১

প্রতি উপজেলায় সাংস্কৃতিক কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করা হবে :রামুতে সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী

রির্পোটার:
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : বুধবার, অক্টোবর ২৮, ২০২০
  • 373 বার সংবাদটি পড়া হয়েছে

খালেদ শহীদ, রামু
সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ বলেছেন, দেশের প্রতি উপজেলায় সাংস্কৃতিক কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করা হবে। প্রথম পর্যায়ে দেশের একশ উপজেলায় সাংস্কৃতিক কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। শিল্পকলা একাডেমীকে সমৃদ্ধ করার জন্যে রামুতেও প্রতিষ্ঠিত হবে উপজেলা সাংস্কৃতিক কেন্দ্র। এর ফলে সংস্কৃতিকর্মীরা তৃণমূল পর্যায়ে সংস্কৃতিকে লালন করার ভূমিকা রাখতে পারবেন। গতকাল বুধবার (২৮ অক্টোবর) রামুতে বৌদ্ধ বিহার পরিদর্শন শেষে বিকালে সাংবাদিকদের একথা বলেন।
সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ বুধবার দুপুর ২টায় রামু উপজেলার জোয়ারিয়ানালা ইউনিয়নের উত্তর মিঠাছড়িতে প্রতিষ্ঠিত দেশে বৃহৎ ‘ভুবনশান্তি একশ ফুট গৌতম বুদ্ধ মূর্তি’ ও ‘বিমুক্তি বিদর্শন ভাবনা কেন্দ্র’ পরিদর্শন করেন। বিহার পরিদর্শনে আসলে সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রীকে সম্ভাষণ জানান, দেশের বৃহৎ বুদ্ধ বুদ্ধ মূর্তির প্রতিষ্ঠাতা ও বিহার অধ্যক্ষ করুণাশ্রী থের, বিহার পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক শিপন বড়ুয়া। পরে সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী ফতেখাঁরকুল ইউনিয়নের হাইটুপি এলাকায় রাখাইন সম্প্রদায়ের বৌদ্ধ বিহার ‘বড় ক্যাং’ পরিদর্শন করেন।
সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ বলেন, রামুতে বৌদ্ধদের নান্দনিক স্থাপনাগুলো দেখলেই বুঝা যায়, এ অঞ্চলের সংস্কৃতি ঐতিহ্য কয়েকশ বছর পুরানো। ২০১২ সালে রামুতে দুর্বৃত্তরা বৌদ্ধদের ঐতিহ্যময় বিহার পুড়িয়ে দিয়েছিলো। বর্তমান সরকার সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিতে বিশ্বাসী। দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত বিহারগুলো পুণঃনির্মাণ করা হয়। অক্ষত বৌদ্ধ বিহারগুলো দেখলেই বুঝা যায়, সংস্কৃতির উর্বর অঞ্চল রামু’র ইতিহাস, ঐতিহ্য প্রাচীন।সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী বলেন, ২০১২ সালে বৌদ্ধ বিহারে সহিংস ঘটনার পরে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির কারণে রামুতে প্রতিষ্ঠিত রাখাইন সাংস্কৃতিক কেন্দ্র বিজিবিকে, কক্সবাজার সাংস্কৃতিক কেন্দ্র পুলিশ বাহিনীকে ব্যবহারের জন্য দেয়া হয়। বিজিবি ও পুলিশ বাহিনীকে সাংস্কৃতিক কেন্দ্র ছেড়ে দেয়ার জন্যে চিঠি দেয়া হয়েছে। পুলিশ ইতিমধ্যে সাগর পাড়ে ‘কক্সবাজার সাংস্কৃতিক কেন্দ্র’ ছেড়ে দিয়েছে। বিজিবি অচিরেই রামুর রাখাইন সাংস্কৃতিক কেন্দ্র ছেড়ে দেবে।
রামুতে সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রীর বৌদ্ধ বিহার পরিদর্শনের সময়ে উপস্থিত ছিলেন, কক্সবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য সাইমুম সরওয়ার কমল, সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট আরাফাত হোসেন, ফতেখাঁরকুল ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ফরিদুল আলম, রামু থানা অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) মো. রবিউল ইসলাম, রামু উপজেলা যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক নীতিশ বড়ুয়া, উপজেলা স্বেচ্ছা সেবকলীগ সাধারণ সম্পাদক তপন মল্লিক প্রমুখ।
রামুতে বৌদ্ধ বিহার পরিদর্শন শেষে সাইমুম সরওয়ার কমল এমপির আমন্ত্রণে সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ রামুর ওসমান ভবনে প্রীতিভোজে অংশ নেন। এ সময় সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক ও সংস্কৃতিকর্মী এবং সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, অ্যান্টি টেররিজম ইউনিটের অতিরিক্ত ডিআইজি মো. মনিরুজ্জামান, চট্টগ্রাম বিশ্ব বিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি অধ্যক্ষ আবু ছালেক মো. সেলিম রেজা সৌরভ, বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন ‘বাফুফে’ সদস্য বিজন বড়ুয়া, কক্সবাজার জেলা যুবলীগ নেতা পলক বড়ুয়া আপ্পু, রামু প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি খালেদ শহীদ, ঝিলংজা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক কুদরত উল্লাহ সিকদার প্রমুখ।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

এই বিষয়ে আরো সংবাদ দেখুন
© All rights reserved © 2021 cox71.com
Developed by WebArt IT