শিরোনাম :
উখিয়ার রোহিঙ্গা ছৈয়দ নুরের এনআইডি বাতিল করতে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ আদালতের নির্দেশ অমান্য করে কলাতলীতে হোটেল দখলে নিতে তৎপর প্রতারক চক্র অবাধ তথ্য প্রবাহ দূর্নীতি প্রতিরোধে সহায়ক ভুমিকা রাখতে পারে : সুজনের আলোচনা সভায় বক্তারা ফাঁদে ফেলে ব্ল্যাকমেইল করতেন বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই নারী শিক্ষক ২০ হাজার ইয়াবা সহ আটক ১ জেলার বিভিন্ন মসজিদ মাদ্রাসায় কর্মরত রোহিঙ্গাদের সরকারি সুযোগ সুবিধা বাতিলের দাবীতে আবেদন রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীর হাতে অপহৃত ৩ বাংলাদেশীকে উদ্ধার করেছে র‌্যাব নাফ নদীতে অজ্ঞাত শিশুর লাশ উদ্ধার ১০ হাজার ইয়াবা সহ আটক ২ আইনজীবি হলেন স্বামী স্ত্রী জসিম উদ্দিন ও মর্জিনা আক্তার

পেশায় ভ্যান চালক,থাকে ফ্ল্যাটবাড়িতে ছেলের আছে ফার্নিচারের ব্যবসা : নেপথ্যে ইয়াবা

রির্পোটার:
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : সোমবার, মে ৩১, ২০২১
  • 658 বার সংবাদটি পড়া হয়েছে

মাহাবুবুর রহমান.
ছৈয়দুল আমিন একজন প্রকৃত রোহিঙ্গা. পেশায় একজন ভ্যান চালক শহরের রুমালিয়ারছড়া এলাকার বেশির ভাগ ফার্নিচার দোকানের শ্রমিকরা তাকে চিনে বেশ কয়েক বছর ধরে কিন্তু সেই ছৈয়দুল আমিন আর আজকের ছৈয়দুল আমিনের মধ্যে ব্যাপক ফারাক। বর্তমানে থাকেন এস এম পাড়া বালিকা মাদ্রাসার পাশে পিএমখালীর ওসমানের ফ্ল্যাট বাড়িতে। তার ছেলে শাকিল ও বর্তমানে মোরশেদ নামের এক ফার্নিচার ব্যবসায়ির সাথে যৌথ ব্যবসা করছে। একই সাথে ছৈয়দুল আমিনও ইয়াবার টাকা দিয়ে ফার্নিচারের দোকানে পার্টনার সহ কিনে গাড়ী। আর ছৈয়দুল আমিনের স্ত্রী নুর জাহান সহ ছেলেমেয়েদের চলাফেরা রিজার্ভ সিএনজিতে করে মাঝে মধ্যে মাইক্রোতে যাতায়ত। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে মূলত ইয়াবা ব্যবসা করে ভ্যান চালক থেকে বিপুল টাকার মালিক হয়ে গেছেন রোহিঙ্গা ছৈয়দুল আমিন তার ছেলে শাকিল,স্ত্রী নুর জাহান। কিছুদিন আগে সমিতিপাড়া বাজারে টিনের ছাউনি,বাশের বেড়ার ভাড়া ঘরে থাকলেও সেখান থেকে তাড়িয়ে দিয়েছেন এলাকাবাসী। পরে দীর্ঘদিন ছিল সিটি কলেজের পাশে এখন থাকেন আলিশান ফ্ল্যাট বাড়িতে। স্থানীয়দের দাবী গোপনে এবং প্রকাশ্যে রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে স্থায়ী হয়ে যাচ্ছে আর তারা ইয়াবা ব্যবসা করে স্থানীয় অনেক ছেলেমেয়েকে বিপদে ফেলছে। এসব অপকর্মে তারা নিজের মেয়েদেরও ব্যবহার করে। এদিকে ছৈয়দুল আমিনের এক মেয়ের বিয়ের কাবিন নামা থেকে দেখা যায় নিজের মেয়ে রাবেয়া বসরীর কাবিন নামায় পিতার নাম লেখা আছে ছব্বির আহামদ আর মাতার নামে লেখা রয়েছে জান্নাতুল ফেরদৌস। পরে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে আইডি কার্ড না থাকায় অন্য আত্বীয়দের নাম ব্যবহার করেছে রোহিঙ্গারা। এদিকে জানা গেছে ছৈয়দুল আমিনের ছেলে শাকিলকে একবার গোয়েন্দা সংস্থা নিয়ে গিয়েছিল অনেকদিন পরে আবার কিভাবেএলাকায় এসেছে কেউ জানেনা। এ ব্যপারে এস এম পাড়ার বাড়ির মালিকের ছেলের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন,ছৈয়দুল আমিন ভ্যান চালায় এটা আমি জানিনা,আমাদের বলেছে ফার্নিচারের ব্যবসা করে। এ ব্যপারে রোহিঙ্গা ছৈয়দুল আমিনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন,মূলত এগুলো আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা কথা বলা হচ্ছে। আমি একজন সামান্য লেবার।

নিউজটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

এই বিষয়ে আরো সংবাদ দেখুন
© All rights reserved © 2021 cox71.com
Developed by WebArt IT