শিরোনাম :

পুলিশকে সংবাদ না দেওয়ায় জালালাবাদ ইউপি সদস্য আটকঃমিশ্র প্রতিক্রিয়া

রির্পোটার:
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, মে ২৮, ২০১৯
  • 336 বার সংবাদটি পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঈদগাঁও
মাদক ব্যবসায়ী আটক করে পুলিশকে সংবাদ না দেওয়ায় এক ইউপি সদস্যকে আটক করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। আটকের সংবাদের এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া শুরু হয়েছে। আটক কৃত মোক্তার আহমদ জালালাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের ১নং ওয়ার্ডের নির্বাচিত সদস্য। এ সময় পেশাদার এক মাদক ব্যবসায়ীসহ আরো দুইজনকে সন্দেহজনক আটক করে আদালতে সোপর্দ করেছে পুলিশ।
তারা হল ইসলামাবাদ ইউনিয়নের পাহাশিয়া খালী গ্রামের মৃত নুর আহমদ খলিফার ছেলে পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী মোহাম্মদ জাফর আহমদ, জালালাবাদ তেলী পাড়া এলাকার মোহাম্মদ নাছিরের ছেলে দেলোয়ার হোসেন, হারুন অর রশিদের ছেলে ইমাম হোসেন।
২৬ মে বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে বাজারের পশ্চিমে হাদেমর চর এলাকার মনির মুন্সির কলোনির সামনে থেকে তাদের ধৃত করা হয়। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে,আটকের আগ মুহূর্তে জাফর আহমদ বিক্রির উদ্দেশ্যে আনুমানিক ১ কেজি গাঁজা নিয়ে অবস্থান করছিল। আরেকটু অদূরে এলজিএসপির একটি প্রকল্পের কাজ তদারকি করছিল মোক্তার আহমদ মেম্বার। পরক্ষণেই মেম্বার বিষয়টা জানতে পেরে গাঁজা সহ জাফর আহমদকে ধরে পেলে। পরে তার কাছ বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করে পুলিশকে জানানোর আগেই ঘটনাস্থলে পৌঁছে একদল পুলিশ। তারপর গাঁজাসহ জাফর আহমদকে আটক করে ঈদগাঁও পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এসআই কাজী আবুল বাসারসহ একদল সঙ্গীয় ফোর্স। এ সময় মোক্তার মেম্বারকে বিস্তারিত তথ্য জানার জন্য তদন্ত কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়।ঘটনাস্থল থেকে প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষী হিসেবে নেওয়া হয় দেলোয়ার ও ইমাম হোসেন নামের দুই কিশোরকে। পরে তাদেরকে মামলা দিয়ে ফাসানোর অভিযোগ তুলেন তাদের স্বজনরা। তদন্ত কেন্দ্রের এসআই কাজী আবুল বাসারের মতে,হাদেমরচর এলাকায় বিক্রির উদ্দেশ্যে একজন মাদক ব্যবসায়ী অপেক্ষা করছে মর্মে গোপন সংবাদ পেয়ে সেখানে অভিযান চালানো হয় । এ সময় পলিব্যাগ মোড়ানো এক কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয় জাফর আহমদ থেকে। দেলোয়ার ও ইমাম হোসেনের কাছেও গাঁজা পাওয়া যায় বলে জানান এ পুলিশ কর্মকর্তা। তার মতে,মোক্তার আহমদ মেম্বারকে মাদক নিয়ে আটক করা হয়নি। তার কাছে কোন ধরনের মাদক পাওয়া যায়নি। মুলত গাঁজা ব্যবসায়ী জাফর আহমদকে ধৃত করে পুলিশের হাতে তুলে দিতে গড়িমসি করায় তাকে ডেকে আনা হয়েছে। রাতে তাকে মুচলেকা না নিয়ে ছেড়ে দেওয়ার কথা হলেও সকালে অদৃশ্য শক্তির ইশারায় মামলা দিয়ে আদালতে সোপর্দ করেছে পুলিশ । অপরদিকে মোক্তার মেম্বারের মতে,তার নির্বাচনী এলাকায় কয়েকটি মাদক সিন্ডিকেট উঠে পড়ে লেগেছে। ইতিমধ্যেই ২৭ জন চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীর তালিকাসহ পুলিশ সুপার, র্যাব,মাদকদ্রব্য অধিদপ্তরসহ সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দায়ের করেছে মোক্তার মেম্বার ।সে থেকেই মাদক ব্যবসায়ী ,নির্বাচনী ও রাজনৈতিক প্রতিপক্ষরা তার বিরুদ্ধে উঠে পড়ে লেগেছে । তিনি এ ঘটনার সাথে বিন্দু পরিমাণ জড়িত নয় বলে দাবী করেন।
এ বিষয়ে ঈদগাঁও পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ আসাদুজ্জামানের মতে,তিনি মামলা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে ঢাকায় অবস্থান করছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

এই বিষয়ে আরো সংবাদ দেখুন
© All rights reserved © 2021 cox71.com
Developed by WebArt IT