শিরোনাম :
রামু উপজেলা পরিষদের সৌন্দর্য্য নষ্ট করে দোকান বরাদ্ধের প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ ঈদগাঁও বটতলী-ইসলামপুর বাজার সড়কের বেহাল দশা আইসক্রিম বিক্রেতা থেকে কোটিপতি রোহিঙ্গা জালাল : নেপথ্যে ইয়াবা ব্যবসা পৌর কাউন্সিলার জামশেদের স্ত্রী‘র ইন্তেকাল : সকাল ১০ টায় জানাযা উখিয়ায় বিদ্যুৎ পৃষ্টে একজনের মৃত্যু কক্সবাজারে বেড়াতে এসে অতিরিক্ত মদপানে চট্টগ্রাম ছাত্রলীগ নেতার মৃত্যু টেকনাফে নৌকা বিদ্রোহীদের জন্য কঠিন শাস্তি অপেক্ষা করছে; সাবরাং পথসভায় মেয়র মুজিব ৮ হাজার পিস ইয়াবা, যৌন উত্তেজক সিরাপ নগদ টাকা সহ আটক ১ মহেশখালী পৌর বিএনপির সভাপতি বহিস্কার,কমিটি বাতিল করোনা:ছয় মাস পর দৈনিক শনাক্ত ৬ শতাংশের কম

পিএমখালীর ডিকপাড়ায় রোহিঙ্গা মর্জিনার জমজমাট ইয়াবা ব্যবসা

রির্পোটার:
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : শুক্রবার, জুলাই ২, ২০২১
  • 382 বার সংবাদটি পড়া হয়েছে

মাহাবুবুর রহমান.
যেখানে রোহিঙ্গা সেখানেই অপরাধ কথাটি আবার প্রমান হলো পিএমখালীতে এসে। শহরের পাশবর্তী প্রবাসীদের এলাকার হিসাবে চিহ্নিত পিএমখালী ইউনিয়নে বেশ কয়েক বছর আগে বসতি গড়েছেন কিছু রোহিঙ্গা পরিবার তারাই এখন ইয়াবা ব্যবসা জমজমাট করে তুলেছে। পিএমখালীর ৫ নং ওয়ার্ডের সব চেয়ে আলোচিত রোহিঙ্গা বাড়ি এবং ইয়াবা বাড়ি হিসাবে এক নামে পরিচিত দক্ষিণ ডিকপাড়া এলাকার রোহিঙ্গা মর্জিনার বাড়ি। পুরু এলাকার মানুষ যে বাড়িকে বার্মা বাড়ি এবং ইয়াবা বাড়ি হিসাবে চিনে। এলাকাবাসির দেওয়া তথ্য মতে দক্ষিণ ডিকপাড়া এলাকার আবদুল হাকিম শেষে একজন রোহিঙ্গা নারীকে বিয়ে করে তার আত্বীয় হিসাবে আবদুল হাকিমের কাছ থেকে জমি কিনে পাকা বাড়ি করেছে রোহিঙ্গা মর্জিনা। তার ছেলে মুজিবুর রহমান,আবদুল করিম,জাকারিয়া,মেয়ে জুবাইদা এবং সুবাইদা সবাই ইয়াবা পবিহন এবং ব্যবসার সাথে জড়িত। প্রায় ২ বছর আগে পুলিশ তাদের বাড়ি থেকে বড় একটি ইয়াবার চালান উদ্ধার করলেও বিপুল টাকা দিয়ে তা সামলে নেয় তারা। এছাড়া এলাকায় তারা সব সময় হাজার হাজার টাকা নিয়ে চলাফেরা করে। আর তাদের বাড়িদে রাত বিরাতে মটর সাইকেল সহ অন্যান্য গাড়ী নিয়ে অপরিচিত লোকজন আসা যাওয়া। মর্জিনা এবং তার ছেলেমেয়েরাও বেশির ভাগ সময় বাইরে আসা যাওয়া করে। তাদের চলাফেরা খুবই সন্দেহ জনক। স্থানীয় এক মহিলা দাবী করেন আমি হলফ করে বলতে পারি তারা পুরু পরিবার ইয়াবা ব্যবসার সাথে জড়িত এবং প্রকৃত রোহিঙ্গা কারো আইডি কার্ড নাই। তারা আমার ছেলেকে বিদেশ থেকে এনে টাকা লোভ দেখিয়ে তার ৩ সন্তানের জননী মেয়েকে বিয়ে দিয়েছে সেই ছেলে এখন আমাকে দেখে না। এলাকার মানুষ হাততুলা স্বাক্ষী দেবে তারা ইয়াবা ব্যবসায়ি তাদের কারনে আমাদের ছেলেমেয়েরা এখন অনিরাপদ হয়ে গেছে। তবে মর্জিনা এসব বিষয় অস্বিকার করেন তিনি রোহিঙ্গা সেটা স্বীকার করলেও ইয়াবা ব্যবসায়ি সেটা অস্বিকার করেন। এছাড়া তার ১ ছেলে মুজিব আর দুই মেয়ে আছে বলে জানান। এলাকার সচেতন মহলের দাবী রোহিঙ্গারা যেখানে গেছে সেখানেই অপরাধ কর্মকান্ডে জড়ায়। পিএমখালীতে বড় বড় অপরাধ এবং ইয়াবা ব্যবসা করছে এখানে স্থানীয় হওয়া রোহিঙ্গারা। আর ডিকপাড়ার মর্জিনা একজন স্বীকৃত ইয়াবা ব্যবসায়ি দ্রæত তাকে সহ তার পরিবারকে আটক করার দাবী জানান তারা।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

এই বিষয়ে আরো সংবাদ দেখুন
© All rights reserved © 2021 cox71.com
Developed by WebArt IT