শিরোনাম :

পিএমখালীতে রোহিঙ্গাদের আলিশান জীবন : চালাচ্ছে ইয়াবা ব্যবসা

রির্পোটার:
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, জুলাই ১, ২০২১
  • 1103 বার সংবাদটি পড়া হয়েছে

মাহাবুবুর রহমান.
যেখানে রোহিঙ্গা সেখানেই অপরাধ কথাটি আবার প্রমান হলো পিএমখালীতে এসে। শহরের পাশবর্তী প্রবাসীদের এলাকার হিসাবে চিহ্নিত পিএমখালী ইউনিয়নে বেশ কয়েক বছর আগে বসতি গড়েছেন কিছু রোহিঙ্গা পরিবার তারাই এখন ইয়াবা ব্যবসা জমজমাট করে তুলেছে। সরজমিনে পিএমখালীর উত্তর নয়াপাড়া এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে সেখানে কয়েক বছর আগে বাড়িঘর করেছেন গফফার নামের এক রোহিঙ্গা এলাকাবাসীর দেওয়া তথ্যমতে বর্তমানে তার ৪ জন স্ত্রী এবং কমপক্ষে ২০ জন ছেলে মেয়ে রয়েছে এর মধ্যে অনেকে বিদেশে থাকে। তবে খুব সম্প্রতী বেরিয়ে আসেছে গফফারের আসল চেহারে কয়েক মাস আগে গফফারের বাড়ি থেকেই কক্সবাজার ডিবি পুলিশ উদ্ধার করে এক লাখ ২০ হাজার ইয়াবার একটি বড় চালান। দৃশ্যমান কোন আয় না থাকলেও এলাকায় একের পর এক কিনেছেন জমি সেখানে গড়েছেন আলিশান বাড়ি। সেখানে নয়াপাড়ার এক বাড়িতে থাকা রাহামা নামের এক স্ত্রীর সাথে কথা হলে তিনি বলেন,গফফার রোহিঙ্গা সেটা ঠিক তবে তিনি ডুবাই সহ বিভিন্ন দেশে থাকেন এছাড়া তার আরো স্ত্রী আছে। এলাকাবাসীর দাবী রোহিঙ্গা গফফার এবং ছেলেমেয়ে স্ত্রীরা ইয়াবা ব্যবসার সাথে জড়িত। এদিকে তার পাশেই দীর্ঘদিন ধরে বসাবাস করে আসছেন আবু তাহের নামের আরেক রোহিঙ্গা। তিনিও গড়েছেন আলিশান বাড়ি। তবে সেই বাড়িতে গিয়ে জানা গেছে আবু তাহেরের রয়েছে আরেক স্ত্রী তার নাম মিনারা সেই একজন রোহিঙ্গা বর্তমানে থাকে শহরের পাহাড়তলী এলাকাতে সেখানেই গড়েছেন বিলাশ বহুল বাড়ি।তবে মিনারা এবং আবু তাহের দুজনেই ভোটার আইডি কার্ড করেছেন দক্ষিণ রুমালিয়ারছড়ার ঠিকানায়। এদিকে পিএমখালী এলাকাবাসীর নয়াপাড়া এলাকার মানুষের সাথে কথা বলে জানা গেছে আবু তাহের একজন মানবপাচারকারীএবং ইয়াবা ব্যবসার সাথে জড়িত তারও একাধিক স্ত্রী রয়েছে। তার পিএমখালীতে তার স্ত্রী জেসমিন যে বাড়ি করেছে সেখানে প্রতি নিয়ত ২০ থেকে ৩০ জন রোহিঙ্গা থাকে। জেসমিনও একজন রোহিঙ্গা তবে সে নিজেকে তুতুকখালী এলাকার এক জনপ্রতিনিধির ভাগ্নি হিসাবে পরিচয় দেয় তবে তার ভোটার আইডি কার্ড পৌর এলাকার বলে জানা গেছে। এছাড়া ইউচুপ নামের এক রোহিঙ্গা শ্রমিকের দেখা পাওয়া গেছে,ঠিকানা জানতে চাইলে তিনি অপকটে স্বীকার করেন বার্মার বুচিদং এলাকা তার বাড়ি ছিল এখানে লায়লা নামের স্থানীয় এক মেয়েকে বিয়ে করে আইডি কার্ড করেছেন তিনি। এদিকে পিএমখালীর ৫ নং ওয়ার্ডের সব চেয়ে আলোচিত রোহিঙ্গা বাড়ি এবং ইয়াবা বাড়ি হিসাবে এক নামে পরিচিত দক্ষিণ ডিকপাড়া এলাকার রোহিঙ্গা মর্জিনার বাড়ি। পুরু এলাকার মানুষ যে বাড়িকে বার্মা বাড়ি এবং ইয়াবা বাড়ি হিসাবে চিনে। এলাকাবাসির দেওয়া তথ্য মতে দক্ষিণ ডিকপাড়া এলাকার আবদুল হাকিম শেষে একজন রোহিঙ্গা নারীকে বিয়ে করে তার আত্বীয় হিসাবে আবদুল হাকিমের কাছ থেকে জমি কিনে পাকা বাড়ি করেছে রোহিঙ্গা মর্জিনা। তার ছেলে মুজিবুর রহমান,আবদুল করিম,জাকারিয়া,মেয়ে জুবাইদা এবং সুবাইদা সবাই ইয়াবা পবিহন এবং ব্যবসার সাথে জড়িত। প্রায় ২ বছর আগে পুলিশ তাদের বাড়ি থেকে বড় একটি ইয়াবার চালান উদ্ধার করলেও বিপুল টাকা দিয়ে তা সামলে নেয় তারা। এছাড়া এলাকায় তারা সব সময় হাজার হাজার টাকা নিয়ে চলাফেরা করে। স্থানীয় দিলকুশা নামের এক মহিলা দাবী করেন আমি হলফ করে বলতে পারি তারা পুরু পরিবার ইয়াবা ব্যবসার সাথে জড়িত এবং প্রকৃত রোহিঙ্গা কারো আইডি কার্ড নাই। তারা আমার ছেলেকে বিদেশ থেকে এনে টাকা লোভ দেখিয়ে তার ৩ সন্তানের জননী মেয়েকে বিয়ে দিয়েছে সেই ছেলে এখন আমাকে দেখে না। এলাকার মানুষ হাততুলা স্বাক্ষী দেবে তারা ইয়াবা ব্যবসায়ি তাদের কারনে আমাদের ছেলেমেয়েরা এখন অনিরাপদ হয়ে গেছে। তবে মর্জিনা এসব বিষয় অস্বিকার করেন তিনি রোহিঙ্গা সেটা স্বীকার করলেও ইয়াবা ব্যবসায়ি সেটা অস্বিকার করেন। এলাকার সচেতন মহলের দাবী রোহিঙ্গারা যেখানে গেছে সেখানেই অপরাধ কর্মকান্ডে জড়ায়। পিএমখালীতে বড় বড় অপরাধ এবং ইয়াবা ব্যবসা করছে এখানে স্থানীয় হওয়া রোহিঙ্গারা। তাই দ্রæত তাদের সনাক্ত করে আইডি বাতিল করে তাদের এই কাজে যারা সহায়তা করেছে তাদের সহ মামলার আসামী করার দাবী জানান। একই সাথে সকল আগে আসা রোহিঙ্গাদের ক্যাম্পে ফিরিয়ে নেওয়ার দাবী জানান।

নিউজটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

এই বিষয়ে আরো সংবাদ দেখুন
© All rights reserved © 2021 cox71.com
Developed by WebArt IT