দেশের ওয়ান অফদ্যা বেস্ট আইসিইউ কক্সবাজার সদর হাসপাতালে

রির্পোটার:
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : রবিবার, জুলাই ৫, ২০২০
  • 423 বার সংবাদটি পড়া হয়েছে

মাহাবুবুর রহমান.
বর্তমানে কক্সবাজার সদর হাসপাতালের আইসিইউ এবং এইচসিডিওকে বাংলাদেশের সব চেয়ে আধুনীয়ক সুযোগ সুবিধা সম্পন্ন আইসিইউ বলে মরে করছেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা। তাদের দাবী দেশের যে কোন হাসপাতালে এরকম আইসিইউ ব্যবহার করলে দৈনিক অন্তত লাখ টাকা খরচ হতো কিন্তু কক্সবাজারের মানুষ অনেক ভাগ্যবান তারা খুব অল্প খরচে সেই উন্নত সেবা পাচ্ছে। এই আইসিইউকে বিশ^মানের বলে দাবী করছেন তারা।
কক্সবাজার সদর হাসপাতালের তত্বাবধায়ক ডাঃ মোহাম্মদ মহিউদ্দিন বলেন,বর্তমানে আমাদের হাসপাতালে যে আইসিইউ আছে সেটা একেবারে আর্ন্তজাতিক মানের। এখানে শুধু মাত্র হাইফ্লো অক্সিজেন নয় উন্নত মানের ক্যানোলা নজল আধুনীক মেশিন সহ জরুরী প্রয়োজনে সব সেবা আছে। আমি মনে করি কক্সবাজারের মানুষ অত্যন্ত ভাগ্যবান জেলা শহরে এ রকম আধুনীক সেবা তাদের পাচ্ছে। আমার জানা মতে দেশের কোন জেলাতে এরকম আধুনীক আইসিইউ বা এইচডিইউ নাই। এটি দেশে ওয়ান অফদ্যা বেস্ট। তবে তিনি দাবী করেন অনেক খেত্রে ডাক্তারের শত চেস্টা এবং আধুনীক সব সেবার দেওয়ার পর রোগির মৃত্যু হয় এটা স্বাভাবিক ভাবে নিতে হবে তাই সরকারি এই গুরুত্বপূর্ন সম্পদ রক্ষায় সবাইকে সচেতন থাকার আহবান জানান তিনি।
এ ব্যপারে আইসিইউর কর্তব্যরত ডাক্তার উত্তম বড়–য়া জানান,আমাদের আইসিইউতে রোগি আনার পর রোগির স্বজনদের আর চিন্তা করতে হয়নি সমস্ত দায়িত্ব আমাদের সেবাকর্মীরা নিচ্ছে। ভেতরে রোগির যাবতীয় অসুবিধা আমাদের স্বাস্থ্যকর্মীরা দেখভাল করছে। অনেক সময় রোগি পায়খানা প¯্রাব করলেও সেগুলোও পরিস্কার করে দিচ্ছে। আমার মতে এখানে যে আধুনীক যন্ত্রপাতী এবং সেবা আছে সেটা আপাতত দেশে অন্য কোথাও পাওয়া যাবে না। শহরের রুমালিয়ার ছড়া নাসরিন বলেণ,আমার স্বামীর করোনা পজিটিভ হয়েছে এক সপ্তাহ আগে এর পর আমার দুই সন্তানেরও পজিটিভ আসে। পরে আমার স্বামীর শাষকষ্ট শুরু হলে জেলা সদর হাসপাতালের আইসিইউতে আনলে তারা সাথে সাথে ভাল এবং উন্নতমানের চিকিৎসা দিয়ে আমার স্বামীকে সুস্থ করে তুলেছে। আমার স্বামী বর্তমানে সুস্থ আছে তবে প্রথম ৩ দিনে আমার প্রায় ৬০ হাজার টাকার বিভিন্ন ঔষধ কিনে দিতে হয়েছিল সেখানে। তবুও আমি খুশি কারন বর্তমানে আমার স্বামী সুস্থ আছে। এদিকে টেকপাড়ার জাফর আলম সওদাগরের ছেলে গিয়াস উদ্দিন বলেণ,আমার পিতা একজন হার্টের রোগি উনার শাষকষ্ট শুরু হলে প্রথমে হাসপাতালের মেডিসিন ওয়ার্ডে ভর্তি করায় সেখানেও অক্সিজেন সাপোর্ট দিয়ে অনেক চেস্টা করেছে ডাক্তাররা। পরে করোনা টেস্ট করালে রিপোর্ট পজিটিভ আসলে আব্বাকে হাসপাতালের আইসিইউতি নিয়ে যায় সেখানে বেশ উন্নত মানের চিকিৎসা পাচ্ছে আমরা যদিও ভেতরে যেতে পারিনা তবে খবর বলেছে আব্বা এখন আগের চেয়ে অনেক স্স্থু আছে। হাসপাতালের এই আইসিইউর কারনে আমার আব্বা সহ অনেক মানুষের জীবন রক্ষা হচ্ছে। হাসপাতালের আইসিইউ বিভাগের কর্তব্যরত একজন নার্স জানান,ঢাকাতে আমার মা কে ৪ দিন আইসিইউতে চিকিৎসা দেওয়ার পর বিল এসেছিল সাড়ে ৩ লাখ টাকা। বর্তমানেও দেশের যে কোন জায়গায় এরকম আইসিইউ সেবা নিলে দৈনিক কমপক্ষে লাখ টাকার উপরে বিল আসবে সেখানে প্রায় বিনামুল্যে সেবা পাচ্ছে এখানকার মানুষ এটা খুবই ভাল বিষয়। তিনিও দাবী করেন এটি বাংলাদেশের ওয়ান অফদ্যা বেস্টা আইসিইউ।
এদিকে জেলা সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ শাহীন আবদুর রহমান বলেণ,এটা দেশের সেরা আইসিইউ সেটাতে কোন সন্দেহ নাই। এছাড়া বর্তমানে সেব সহ অনেক প্রতিষ্টান এবং সংগঠন মানবিক ভাবে চিকিৎসা সামগ্রি নিয়ে মানুষের সহায়তা করতে এগিয়ে আসছে এটা উদাহরণ হয়ে থাকবে একই সাথে ইউএনএইচসিআরকে ধন্যবাদ জানান তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

এই বিষয়ে আরো সংবাদ দেখুন
© All rights reserved © 2021 cox71.com
Developed by WebArt IT