শিরোনাম :
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে চোরাই পণ্যের ব্যবসা জমজমাট কক্সবাজারের দুই পৌরসভা ও ১৪ ইউপিতে ভোট ২০ সেপ্টেম্বর রামু উপজেলা পরিষদের সৌন্দর্য্য নষ্ট করে দোকান বরাদ্ধের প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ ঈদগাঁও বটতলী-ইসলামপুর বাজার সড়কের বেহাল দশা আইসক্রিম বিক্রেতা থেকে কোটিপতি রোহিঙ্গা জালাল : নেপথ্যে ইয়াবা ব্যবসা পৌর কাউন্সিলার জামশেদের স্ত্রী‘র ইন্তেকাল : সকাল ১০ টায় জানাযা উখিয়ায় বিদ্যুৎ পৃষ্টে একজনের মৃত্যু কক্সবাজারে বেড়াতে এসে অতিরিক্ত মদপানে চট্টগ্রাম ছাত্রলীগ নেতার মৃত্যু টেকনাফে নৌকা বিদ্রোহীদের জন্য কঠিন শাস্তি অপেক্ষা করছে; সাবরাং পথসভায় মেয়র মুজিব ৮ হাজার পিস ইয়াবা, যৌন উত্তেজক সিরাপ নগদ টাকা সহ আটক ১

তিস্তার পানি ৩০ সেঃমিটার উপরে প্রবাহিত হচ্ছে : দেশে বন্যার আশংকা

রির্পোটার:
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : শুক্রবার, জুলাই ৯, ২০২১
  • 86 বার সংবাদটি পড়া হয়েছে

কক্স৭১

উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে রাতে বিপৎসীমার ৩০ সেন্টিমিটার ও শুক্রবার সকাল হতে কমে ১০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে মৃতপ্রায় তিস্তা নদীর পানি। হঠাৎ খরস্রোতা প্রমত্ত হয়ে উঠার প্রধান কারণ উজানের ঢল। এতে করে তিস্তা পাড়ের নিম্নাঞ্চলের নদীকূলবর্তী কয়েক হাজার মানুষ পানি বন্ধি হয়ে পড়েছে। কোথাও কোথাও দেখা দিয়েছে তীব্র নদী ভাঙ্গণ। প্রায় ১০ হাজার পরিবার ঘরবাড়ি ছেড়ে সাময়িক ভাবে উচুঁ জায়গায় বন্যায় আশ্রয় কেন্দ্র ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে। কোথাও কোথাও বন্যার্থ পরিবারগুলো খোলা আকাশের নিচে আশ্রয় নিয়েছে। এদিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার গুলোতে ঈদুল আযহা উপলক্ষ্যে খাদ্য সহায়তা দিতে বরাদ্দ পাঠিয়েছে। ঈদে ও করোনায় কোন মানুষ অভুক্ত থাকবেনা। ঈদু আযহার আনন্দ সবার ঘরে ঘরে পৌচ্ছে দিতে প্রধানমন্ত্রীর এই আয়োজন। লালমনিরহাট জেলায় তিস্তা পাড়ের ৭৬ হাজার পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দেয়া হয়েছে।

আজ শুক্রবার দুপুর ২ টায় দেশের বৃহত্তম সেচ প্রকল্প লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার দোয়ানিতে তিস্তা ব্যারেজ ডালিয়া পয়েন্টে পানি প্রবাহ রেকর্ড করা হয় ৫২ দশমিক ৭০ সেন্টিমিটার। যা বিপৎসীমার ১০ সেন্টিমিটার ওপর (স্বাভাবিক বিপৎসীমা ৫২ দশমিক ৬০ সেন্টিমিটার) দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তিস্তা ব্যারেজ রক্ষায় ব্যারেজের ৪৪টি গেট খুলে দিয়ে পানি প্রত্যাহার করা হচ্ছে। ভাটি অঞ্চলে পানির প্রবাহ ৭-৮ ঘন্টা মধ্যে ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পাবে। তবে যেহেতু গত ২৪ ঘন্টায় কোন বৃষ্টিপাত হয়নি। তাই তিস্তা নদীর পানি সন্ধ্যার পর ধিওে ধিওে কমতে শুরু কওে বিপদ সীমান নিচ দিয়ে প্রবাহিত হতে পারে। তিস্তা পাড়ের মানুষের দাবি তিস্তা নদীর পানি দিনের বেলায় তেমন বাড়ে না। গভীর রাতে হঠাৎ করে ৩-৪ ঘন্টা পানির প্রবাহ তীব্র আকার ধারণ করে। তখন চর ও দ্বীপ চর গুলোর অধিবাসীদের মধ্যে আতস্ক ছড়িয়ে পড়ে। গভীর রাতে চরাঞ্চলে কান্নার রোল পড়ে যায়। এর প্রধান কারণ ভারতের গজলডোবায় গভীর রাতে পানি একতরফা ভাবে ছেড়ে দেয়। এই সময় কোন পূর্ব ঘোষনা দেয়ার নিয়ম থাকলেও কোন কোন সময় মানা হয়না। পানি সম্পদ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, যৌথ নদী কমিশন (জিআরসি) চুক্তি অনুয়ায়ী আন্তর্জাতিক নদীর পানি প্রবাহ গজলডোবা হতে ছেড়ে দেওয়া হলে তাহা কয়েক ঘন্টা পূর্বে বাংলাদেশ সরকার বা তিস্তা ব্যারেজ প্রকল্প কর্মকর্তা কে জানাতে হবে। এমন নিয়ম রয়েছে। কিন্তু প্রায় এই নিয়মের ব্যতয় ঘটে বলে জানা যায়। বাংলাদেশ – ভারত এই মুহুর্তে সবচেয়ে ভাল সুসম্পর্ক রয়েছে। গলজডোবা হতে পূর্বে কত কিউসেক পানি তিস্তা নদীর ভাটিতে প্রবাহিত হবে জানালে তিস্তা ব্যারেজের ভাটিতে থাকা চরবাসীকে সাবধান ও নিরাপদে নেয়া সম্ভব হয়। এতে কওে তিস্তা চরের মানুষের ক্ষয়ক্ষতি ও আতস্ক হ্রাস পাবে।

ডালিয়া পয়েন্টের পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর হতে তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। রাত ১২টায় পানি ৫২ দশমিক ৯০ সেন্টিমিটার উচ্চতায় প্রবাহিত হয়। যা বিপৎসীমার ৩০ সেন্টিমিটার ওপরে ছিল। শুক্রবার সকাল থেকে পানি কমতে শুরু করেছে। রাতে পূনরায় হঠাৎ বৃদ্ধি পায় কিনা এই নিয়ে আশস্কায় রয়েছে চরবাসী। এদিকে তিস্তা ব্যারেজ কতৃপক্ষ ব্যারেজ রক্ষায় সরকারি ছুটি স্থগিত করেছে। কর্মকর্তা কর্মচারিগণ তিস্তা ব্যারেজ এলাকায় পর্যবেক্ষণে রয়েছে। ব্যারেজ রক্ষার্থে ফ্লাডবাইবাস সড়কটিতে নিবির পর্যবেক্ষ করা হচ্ছে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

এই বিষয়ে আরো সংবাদ দেখুন
© All rights reserved © 2021 cox71.com
Developed by WebArt IT