শিরোনাম :
কক্সবাজারে বিমান উড্ডয়নের সময় ধাক্কাতে ২ টি গরুর মৃত্যু : বড় দূর্ঘটনা থেকে রক্ষা চকরিয়ায় ব্যালট পেপার বিনষ্টের অভিযোগে মামলা: প্রিজাইডিং অফিসার কারাগারে খুরুশকুল এলাকায় অভিযানে ১ লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে র‌্যাব-আটক ১ কস্তুরাঘাট সংলগ্ন বাকঁখালী নদী এখন প্রভাবশালীর ব্যাক্তিগত জমি বদরখালীতে নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় নৌকা প্রার্থীর ভাগ্নেকে পিটিয়ে হত্যা ঈদগাঁওতে শীতমৌসুমে গরম কাপড় কিনতে ক্রেতাদের ভীড় চকরিয়ায় ১০ ইউপিতে আ‘লীগ ৫ স্বতন্ত্র ৫ মুক্তিযোদ্ধাকে হত্যাচেষ্টা, মহেশখালীর মেয়রসহ ২৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা পিএমখালীতে ইয়াবা সহ আটক হোসেনের সিন্ডিকেট এখনো অধরা নাফ নদ থেকে ১ কেজি আইসসহ পাচারকারী আটক

টেকপাড়ায় এক রোহিঙ্গা পরিবারের ইয়াবা ব্যবসা,ছেলে মেয়েরা পড়ছে নামীদামী কলেজে

রির্পোটার:
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ২৮, ২০১৯
  • 122 বার সংবাদটি পড়া হয়েছে

কক্সঃ৭১
কক্সবাজার শহরের টেকপাড়ায় দীর্ষ দিন ধরে বসবাসকরা এক রোহিঙ্গা পরিবারের বিরুদ্ধে ইয়াবা ব্যবসা সহ অনৈতিক কর্মকান্ডের অভিযোগ পাওয়া গেছে। স্বীকৃত এই রোহিঙ্গা পরিবারে কোন পুরুষ সদস্য না থাকলেও পরিবার প্রধান রোহিঙ্গা নারী আসমা আক্তারের বর্তমানে শহরে আছে কয়েকটি জমি আর ছেলে মেয়েরা পড়ে চট্টগ্রাম মহসিন কলেজ,রামু কলেজ সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্টানে। তাই দ্রুত এই রোহিঙ্গা পরিবারকে ক্যাম্পে ফিরিয়ে নিতে দাবী জানিয়েছে এলাকাবাসী।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে শহরের পূর্ব টেকপাড়া মরহুম ফেরদৌস চেয়ারম্যানেরবাড়ি সংলগ্ন গলির ভেতরে রাশেদা ম্যানশনের পাশে একপ্রবাসীর ভাড়া বাসায় থাকে রোহিঙ্গা নারী আসমা আক্তার। পেশায় নিজেকে দর্জি পরিচয় দিলেও বর্তমানে সেই রোহিঙ্গা নারীর রয়েছে জেল খানার পেছনে ৫ শতক জমি। এছাড়া চট্টগ্রামের আগ্রাবাদে সম্প্রতী ২৫ লাখ টাকা দিয়ে ফ্ল্যাট কিনেছে বলে জানা গেছে। মূলত কিছুদিন আগে শহরের খুরুশকুল রোড়ে একটি জমি কিনতে গেলে সেই রোহিঙ্গা নারী পরিচয় উঠে আসে স্থানীয়দের মাঝে। জানা গেছে আসমা আক্তার একজন স্বীকৃত রোহিঙ্গা তার প্রথম স্বামী রোহিঙ্গা ডাকাত নুরুল আলম সে কিছুদিন আগে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়। অবশ্য পরবর্তীতে দ্বিতীয় স্বামী গ্রহন করলেও সেই স্বামীও বর্তমানে ক্যাম্প থাকে। এবং তার প্রচুর আত্বীয় স্বজন বর্তমানে রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে টেকপাড়ার সেই বাসায় আসা যাওয়া করে। আরো বিশ^য়কর ব্যাপার হচ্ছে এই রোহিঙ্গা নারীর ৩ মেয়ে এক ছেলে সবাই এখন উচ্চ শিক্ষিত বড় মেয়ে কশমিন আক্তার এবং ছেলে আজিজ শরীয় বর্তমানে চট্টগ্রাম হাজী মোঃ মহসিন কলেজে পড়ে। আর মেঝ মেয়ে নাছিম জোহার বর্তমানে রামু কলেজের প্রথম বর্ষে বানিজ্য বিভাগে পড়ে এবং ছোট মেয়ে হুমায়রা আক্তার কক্সবাজার সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে জেএসসি পরীক্ষা দিয়েছে।
নিজেকে রোহিঙ্গা হিসাবে অপকটে স্বীকার করে আসমা আক্তার বলেন,আমি দীর্ঘ একযুগের বেশি সময় ধরে টেকপাড়াতে থাকি। আর আমার ছেলে মেয়েদের জন্ম বাংলাদেশে তবে এটা ঠিক আমি এবং আমার স্বামী রোহিঙ্গা। সামান্য দর্জির কাজ করে কিভাবে এত জমি আর বিপুল টাকা এবং জমির মালিক হলেন সেই প্রশ্নের জবাব এড়িয়ে যান তিনি। তবে স্থানীয়দের মতে তার বাড়িতে দিন রাত অসংখ্য রোহিঙ্গা আসা যাওয়া করে এবং তাদের মাধ্যমে সে ইয়াবা ব্যবসা করে তাই রাতারাতি বিপুল টাকা মালিক বনে গেছে এই রোহিঙ্গা নারী।
এদিকে দ্রুত সেই রোহিঙ্গা নারী ছেলে মেয়েদের ছাত্রত্ব বাতিল করে পুরু পরিবারকে ক্যাম্পে ফিরিয়ে নেওয়ার দাবী জানিয়েছে এলাকাবাসী। এ ব্যপারে রামু সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ আবদুল হক এবং কক্সবাজার সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ নাছির উদ্দিন বলেন,কোন রোহিঙ্গা শিক্ষার্থীকে স্কুলে লেখা পড়ার সুযোগ দেওয়া হবে না। বিষয়টি তদন্ত করে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

এই বিষয়ে আরো সংবাদ দেখুন
© All rights reserved © 2021 cox71.com
Developed by WebArt IT