টেকনাফে বিট পুলিশিং সমাবেশ: নারী ধর্ষণ ও নির্যাতন রোধে সামাজিক পরিবর্তন গড়ে তুলতে হবে

রির্পোটার:
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : শনিবার, অক্টোবর ১৭, ২০২০
  • 123 বার সংবাদটি পড়া হয়েছে

আবদুল্লাহ মনির, টেকনাফ
নরাপদ দেশ গড়ি, নারী নির্যাতন বন্ধ করি এই শ্লেগানকে সামনে রেখে কক্সবাজারের টেকনাফে নারী ধর্ষণ ও নির্যাতন বিরোধী একটি সমাবেশ অনুষ্টিত হয়েছে। জনসচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে সারা দেশের ন্যায় টেকনাফেও এই সমাবেশ আয়োজন করেন থানা পুলিশ।
শনিবার সকালে স্বাস্থ্যবিধি মেনে টেকনাফ পৌরসভার শাপলা চত্ত¡রে যুবলীগের একটি অস্থায়ী কার্যালয়ে ওসি হাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্টিত সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তৃতা রাখেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুল আলম। এতে অসখ্য নারী, জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, মসজিদের ইমামসহ সমাজের বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।এসময় আরো বক্তব্য রাখেন, উপজেলা পরিষদের নারী ভাইস চেয়ারম্যান তাহেরা আক্তার মিলি, ওসি অপারেশন খোরশেদ আলম, টিআই ফারুক আল মামুন ভ‚ইয়া, পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি জাবেদ ইকবাদ চৌধুরী, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সুলতান মাহামুদ, সাধারন স¤পাদক সাইফুল ইসলাম মুন্না ও পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি মো. শাহীন প্রমুখ। অনুষ্টান পরিচালনা করে উপ-পরিদর্শক মাহাবুবুর রহমান। শুরুতে কোরআন তেলোয়াত করেন পৌর ছাত্রলীগের সাধারন স¤পাদক ইব্ররাহীম বাবলু। এতে পৌরসভার প্যানেল মেয়র আবদুল্লাহ মনির, ও যুবলীগের সাধারন স¤পাদক ফজলুল কবীরসহ অনেকে উপস্থিতি ছিলেন।ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদন্ডের বিধান করায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একশ বছর বেঁচে থাকুক উল্লেখ করে ওসি হাফিজুর রহমান বলেন,তরুণ প্রজন্মকে সঠিক পথে পরিচালিত করতে সকল পিতা-মাতার প্রতি অনুরোধ জানাচ্ছি। পাশাপাশি আপনার সন্তান প্রতিদিন কোথায় যায় সেটি খোঁজ নিন। কার সঙ্গে মেশে সেটির প্রতি নজর দিন। ধর্ষণ ও নির্যাতন ঘটনায় অপরাধীকে আইনের আওতায় আনার লক্ষ্যে পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছে পুলিশ। এ ধরনের ঘৃণ্য অপরাধ রুখে দাড়াতে সমাজের সকল স্তরের মানুষকে এগিয়ে আসতে হবে।টেকনাফ একটি পর্যটন শিল্প এলাকা জানিয়ে ওসি বলেন, বিশেষ করে এই সীমান্তে মাদক মুক্ত করা পুলিশের পক্ষে একা সম্ভব না। মাদক মুক্ত করতে জনপ্রতিনিধিসহ সবাইকে এক যোগে কাজ করতে হবে।

নারী ধর্ষণ ও নির্যাতন রোধে সামাজিক পরিবর্তন গড়ে তুলার আহবান জানিয়ে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুল আলম বলেন, আজ থেকে বিট পুলিশিংয়ের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এ এলাকায় বিদ্যালয়, মাদ্রাসা ও কলেজসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্টানের শিক্ষার সুষ্ট পরিবেশ বজায় রাখতে আইনশৃঙ্খলাবাহিনীসহ সবাইকে আরো সচেতন হতে হবে। বিশেষ করে ধর্ষণ ও নারী নির্যাতন রুখতে গ্রামে গ্রামে জনপ্রতিনিধিসহ সাধারন জনগনকে সামাজিকবোধ থেকে এক যোগে কাজ করতে হবে। পাশপাশি কোন মানুষ যাতে হয়রানীর শিকার না হয়, সেদিকে নজর রাখতে পুলিশকে আহবান জানান।

নিউজটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

এই বিষয়ে আরো সংবাদ দেখুন
© All rights reserved © 2021 cox71.com
Developed by WebArt IT