টেকনাফে এপ্রিলে রাজস্ব ঘাটতি ১০ কোটি টাকা

রির্পোটার:
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : শুক্রবার, মে ৮, ২০২০
  • 93 বার সংবাদটি পড়া হয়েছে

আব্দুল্লাহ মনির, টেকনাফ

করোনায় কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্ত বাণিজ্যে ব্যাপক প্রভাব পড়েছে। গত এপ্রিল মাসে মাত্র ২ কোটি ৬৯ লাখ টাকার রাজস্ব আদায় হয়েছে। যা মাসিক লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১০ কোটি ৮৬ লাখ টাকার কম রাজস্ব। শুক্রবার (৮ মে) রাজস্ব আদায়ের এ তথ্য ক্ষুদে বার্তায় নিশ্চিত করেছেন টেকনাফ স্থল বন্দরের শুল্ক কর্মকর্তা আবছার উদ্দীন। তিনি বলেন, ২০১৯-২০ অর্থ বছরের এপ্রিল মাসে ১৪২টি বিল অব এন্ট্রির মাধ্যমে ২ কোটি ৬৯ লাখ ৭ হাজার টাকা রাজস্ব আদায় হয়েছে। এপ্রিলে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) কর্তৃক মাসিক লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে ১৩ কোটি ৫৫ লাখ ২৫ হাজার টাকা। যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১০ কোটি ৮৬ লাখ ১৮ হাজার টাকার রাজস্ব কম আদায় হয়েছে। এই মাসে মিয়ানমারের থেকে পণ্য আমদানি হয় ৩৪ কোটি ২৩ লাখ ২৫ হাজার টাকার। এই মাসে নিত্যপণ্য পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে ৪ হাজার ৭০৫ মেট্রিক টন। আমদানি পেয়াঁজ থেকে কোনো ধরনের রাজস্ব আদায় হয় না। তাছাড়া করোনার কারণে পশু আমদানি বন্ধ রয়েছে। যার ফলে সেই খাত থেকেও কোনো ধরনের রাজস্ব আদায় হয়নি। এমনকি শুল্ক আদায় যোগ্য পণ্য কম আমদানির ফলে রাজস্বও কম আদায় হয়েছে। অপরদিকে মিয়ানমারে ৭টি বিল অব এক্সপোর্টের মাধ্যমে ১৩ লাখ ৮০ হাজার টাকার দেশিয় পণ্য রফতানি হয়েছে। শুল্ক কর্মকর্তা আরও বলেন, করোনার প্রভাবেএই সীমান্ত বাণিজ্যে লেগেছে। ভাইরাসের কারণে সারাদেশে চলছে সাধারণ ছুটি, এর মধ্যেও শুধুমাত্র নিত্যপণ্য আমদানির লক্ষ্যে সরকার সীমিত বন্দর চালু রাখে। এতে অল্প সংখ্যক পেঁয়াজ ও আদা আমদানি হয়েছে। তবে আগের কিছু পণ্যের ট্যাক্স প্রদান করায় এ সব রাজস্ব আদায় হয়েছে। যেখানে বন্দরে অন্যান্য পণ্য আমদানি বন্ধ, সেখানে মাসিক লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করা সম্ভব নয়। তবে ভাইরাসের প্রভাব কেটে গেলে পণ্য আমদানি ও রফতানি স্বাভাবিক হবে বলে মনে করছেন তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

এই বিষয়ে আরো সংবাদ দেখুন
© All rights reserved © 2021 cox71.com
Developed by WebArt IT