ঝিলংজা মোক্তারকুলে পরকিয়া প্রেমিক সহ হাতেনাতে ধরা খেয়ে বিষপানে আত্মহত্যার চেস্টা করেছে এক গৃহবধু

রির্পোটার:
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : রবিবার, অক্টোবর ১০, ২০২১
  • 291 বার সংবাদটি পড়া হয়েছে

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি
নিজের পরকিয়া প্রেমিক কে গোপনে বাড়িতে ডেকে এনে দেখা করার সময় হাতেনাতে শশুর বাড়ির লোকজনের কাছে ধরা খেয়ে উল্টো বিষপান করে আত্মহত্যার চেস্টা করেছে এত গৃহবধু। বিষপান করা গৃহবধু ১০ দিন ধরে জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে। ঘটনাটি ঘটেছে ঝিলংজা ইউনিয়নের পূর্ব মোক্তারকুল এলাকায়।
জানা গেছে,ঝিলংজা পূর্ব মোক্তারকুল এলাকার মোজাহের মিয়ার ছেলে আবদুস সালামের সাথে প্রায় ২ বছর আগে বিয়ে হয় পিএমখালী ইউনিয়নের মাছুয়াখালী এলাকার অছিউর রহমানের মেয়ে শারমিনের সাথে। তাদের ঘরে এখনো কোন সন্তান না আসলেও শারমিন প্রায় সময় বাপের বাড়ি থাকতো এবং শশুর বাড়িতে থাকা কালে প্রায় সময় স্বামীর অগোচরে মোবাইল ফোনে ব্যাস্ত থাকতো। সর্বশেষ ১ অক্টোবর সন্ধ্যার পরে শারমিনের পরকিয়া প্রেমিক পিএমখালী মাছুয়াখালী এলাকা নুরুল আমিনের ছেলে শাকের নামের এক যুবক শারমিনের সাথে গোপনে দেখা করতে এসে সবার অগোচরে খড়ের বা গোয়াল ঘরের পাশে চলে যায়। এ সময় তাদের আপত্তিজনক অবস্থায় শশুর বাড়ির লোকজন দেখে ফেললে পরে স্বামী আবদুস সালাম সহ আশপাশের প্রতিবেশীরা জড়ো হয়। পরে স্থানীয় ইউপি সদস্য নাছির উদ্দিনকে খবর দিলে তিনি আসে এবং সদর থানা থেকে এসআই আনোয়ার সহ সরজমিনে তদন্ত করে। এ সময় পরকিয়া প্রেমিক শাকের নিজেই শিকার করে শারমিন তাকে আসতে বলেছে যার প্রমাণ হিসাবে মোবাইলে কললিস্টও দেখায় সবাইকে। পরে শাকেরকে আটক করে থানায় নিলে গেলে সে রাতেই বিষপান করে আত্মহত্যার করার চেস্টা করে শারমিন। তাৎক্ষনিক স্বামী আবদুর সালাম সহ তার ভাইরা জেলা সদর হাসপাতালে এনে চিকিৎসা করালে কোন মতে প্রাণে রক্ষা পায়,তবে ঘটনার ১০ দিন অতিবাহিত হলেও এখনো তার অবস্থা আশংকা জনক। এর মধ্যে শারমিনের বাপের বাড়ির লোকজন নানান ধরনের আজেবাজে কথাবার্তা বলে পরিস্থিতি ঘোলাটে করার চেস্টা করছে বলে জানা গেছে। এ ব্যাপারে ঝিলংজা ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের মেম্বার নাছির উদ্দিন বলেন, সন্ধ্যার পরে যখন পরকিয়া প্রেমিককে পাড়াপ্রতিবেশী আটক করেছে এর পরে আমাকে খবর দিলে আমি ঘটনাস্থলে যাই। পরে থানায় খবর দিলে এসআই আনোয়ার সহ পুলিশও আসে। তারা ভিডিও করেছে সেখানে সব কিছু শিকার করেছে শারমিনের পরিকয়া প্রেমিক। মূলত লজ্জার কারনে হয়তো আত্মহত্যার চেস্টা করেছে। পরে শশুর বাড়ির লোকজন ভালভাবে চিকিৎসাও করেছে। এদিকে শারমিনের স্বামী আবদুস সালামের বড় ভাই আবদুল করিম জানান,ছোট ভাইয়ের স্ত্রী শারমিন এবং আমার স্ত্রী জুরাইদা বেগম আপন বোন। অর্থাৎ শারমিন আমার আপন শাকিলাও বটে। আমার স্ত্রী জোরাইদা বেগমও ১৪ বছরের সংসার ফেলে ৩ টি ছেলে সন্তান ফেলে চলতি বছরের জানুয়ারীর ১৫ তারিখ নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার সহ তার পরকিয়া প্রেমিকের সাথে পালিয়ে গেছে। সে বিষয়ে থানায় অভিযোগ সহ সব কিছু আছে। তাই আমি মনে করি এটা তাদের পারিবারিক ব্যবসা। এদিকে জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসারত শারমিনের কাছে জানতে চাইলে তিনি কিছুটা অচেতন অবস্থায় বলেন,সব কথা আমি পরে বলবো। তবে সেখানে থাকা তার মা জাহানারা বেগম এবং বোন রেনুয়ারা বেগম বলেন,প্রকৃত ঘটনা কি ঘটেছে সেটা আমরা এখনো জানিনা। মেয়ে এখনো ঠিকমত কথা বলতে পারেনা। তবে শুনেছি আমাদের এলাকা থেকে এক ছেলে চুরি করতে গিয়েছিল তাদের বাড়িতে সেটা নিয়ে কি ঘটনা হয়েছিল।

নিউজটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

এই বিষয়ে আরো সংবাদ দেখুন
© All rights reserved © 2021 cox71.com
Developed by WebArt IT