জেলায় সীমিত আকারে প্রাইভেট ব্যাংক খোলা রাখার দাবী

রির্পোটার:
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : শুক্রবার, এপ্রিল ১৭, ২০২০
  • 64 বার সংবাদটি পড়া হয়েছে

মাহাবুবুর রহমান.
করোনা পরিস্থিতি কারনে সব কিছু বন্ধ থাকলেও প্রথম দিকে প্রাইভেট ব্যাংক খোলা ছিল তবে ৪ এপ্রিল থেকে জেলা প্রশাসক কর্তৃক কক্সবাজার লকডাউন ঘোষনা করার পর থেকে সকল প্রাইভেট ব্যাংক বন্ধ থাকায় চরম বিপাকে পড়েছে সর্বস্থরের মানুষ। এতে কক্সবাজারে সীমিত আকারো প্রাইভেট ব্যাংক খোলা রাখার দাবী জানিয়েছে সচেতন মহল। হাতে নগদ টাকা না থাকায় চরম দূর্ববস্থায় পড়েছে বলে জানান অনেকে। জেলার বেশির ভাগ মানুষের ব্যাংক একাউন্ট প্রাইভেট ব্যাংকে থাকায় বর্তমানে নগদ অর্থ সংকটে ভোগছে সাধারণ মানুষ। যেহেতু অর্থ ছাড়া অন্য কোন কাজ করা যাচ্ছেনা তাই সীমিত আকারে হলেও প্রাইভেট ব্যাংক গুলো খোলা রাখার দাবী জানিয়েছে সর্বস্থরের সচেতন মহল। এদিকে জেলার মানুষের সুবিধার কথা চিন্তা করে অনেক আগেই প্রাইভেট ব্যাংক খোলার প্রস্তাব দিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকে চিঠি দিয়েছে বলে জানান জেলা প্রশাসক মোঃ কামাল হোসেন। তিনি জানান খুব দ্রæত একটি সিদ্ধান্ত আসতে পারে তবে ব্যাংক গুলো চাইলে উদ্দোগ নিতে পারে বলে জানান তিনি।
পিএমখালীর গৃহীনি মনোয়ারা বেগম জানান,আমার স্বামী সৌদি আরব থাকে সে প্রতি মাসে এবি ব্যাংকের মাধ্যমে টাকা পাঠায়। সেখানে আমার টাকা জমা আছে এখন নগদ টাকা না থাকায় ব্যাংক গিয়ে জানতে পারলাম ব্যাংক বন্ধ এতে আমি খুব বিপদে পড়েছি। কারন সব কিছু এখন বন্ধ সংসার চালাতে ৪ ছেলে মেয়ের খরচ নিয়ে খুব বিপদে পড়েছি। আমার মতে দৈনিক ২/৩ ঘন্টা করে হলেও প্রাইভেট ব্যাংক গুলো খোলা রাখা দরকার।
টেকপাড়া এলাকার সাইফুল ইসলাম,আমি ছোট খাট ব্যবসা করি হাতে সব সময় নগদ টাকা লাগে। আসলে ব্যাংক এত দীর্ঘ সময় বন্ধ হয়ে যাবে সেটাআমি বুঝতে পারিনি। এখন দৈনিক আমার অনেক কর্মচারী ঘর খরচ সহ অনেক আনুষাঙ্গিক খরচআছে। এখন পরিস্থিতি এমনযে কারো কাছে টাকা চাইলেও দেবে না কারন সেও কোথায় পাবে। এতে আমি চরম অসুবিধার মধ্যে আছি। আমার মতে সপ্তাহে ২ দিন অন্তত সকল প্রাইভেট ব্যাংক খোলা রাখার জরুরী।
রামু চাইন্দ্যাএলাকার জাগির হোসেন বলেন,আমার মা খুবই অসুস্থ বর্তমানে চট্টগ্রামের একটি ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন তাই উনার চিকিৎসা করাতে খুবই নগদ টাকার প্রয়োজন। আমার ব্যাংক একাউন্ট আছে ডাচ বাংলা ব্যাংকে। কিন্তু ব্যাংক বন্ধ থাকায় টাকা তুলতে পারছিনা এতে মায়ের চিকিৎসা করাতে পারছিনা। এই করোনা পরিস্থিতির মাঝেও অনেকআত্বীয় স্বজনের কাছ থেকেটাকা ধান নিয়েছি কিন্তু আর কত নেব আমার মতে সীমিত সময়ের জন্য হলোও প্রাইভেট ব্যাংক গুলো খোলা রাখার দরকার। পোল্ট্রি ব্যাবসায়ি রফিক,ডেইরী ব্যাবসায়ি আনিস,রমজান সহ অনেকে বলেন,ব্যাংক খোলা না থাকায় আমাদের সব কিছু বন্ধ হয়ে গেছে। যদি হাতে নগদ টাকা থাকতো তাহলে ব্যাবসা গুলো কোন মতে চালাতে পারতাম। তাই দ্রæত প্রাইভেট ব্যাংক গুলো খোলে দেওয়া দরকার। এ ব্যপারে কক্সবাজারের জেলা প্রশাসন মোঃ কামাল হোসেন বলেন,বাস্তবতা বুঝে আমি অনেক আগেই জেলার প্রাইভেট ব্যাংক খোলা রাখার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে চিঠি দিয়েছিলাম। আসা করি দ্রæত একটি ব্যাবস্থা হবে। তবে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ চাইলে তারাও মানবিক বিবেচনায় এই সংকট ময় মুহুর্তে এগিয়ে আসতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

এই বিষয়ে আরো সংবাদ দেখুন
© All rights reserved © 2021 cox71.com
Developed by WebArt IT