শিরোনাম :
উখিয়ার রোহিঙ্গা ছৈয়দ নুরের এনআইডি বাতিল করতে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ আদালতের নির্দেশ অমান্য করে কলাতলীতে হোটেল দখলে নিতে তৎপর প্রতারক চক্র অবাধ তথ্য প্রবাহ দূর্নীতি প্রতিরোধে সহায়ক ভুমিকা রাখতে পারে : সুজনের আলোচনা সভায় বক্তারা ফাঁদে ফেলে ব্ল্যাকমেইল করতেন বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই নারী শিক্ষক ২০ হাজার ইয়াবা সহ আটক ১ জেলার বিভিন্ন মসজিদ মাদ্রাসায় কর্মরত রোহিঙ্গাদের সরকারি সুযোগ সুবিধা বাতিলের দাবীতে আবেদন রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীর হাতে অপহৃত ৩ বাংলাদেশীকে উদ্ধার করেছে র‌্যাব নাফ নদীতে অজ্ঞাত শিশুর লাশ উদ্ধার ১০ হাজার ইয়াবা সহ আটক ২ আইনজীবি হলেন স্বামী স্ত্রী জসিম উদ্দিন ও মর্জিনা আক্তার

চাল,সবজির অস্বাভাবিক দাম : সাধারণ মানুষের দূর্ভোগ চরমে

রির্পোটার:
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : সোমবার, অক্টোবর ১২, ২০২০
  • 166 বার সংবাদটি পড়া হয়েছে

মাহাবুবুর রহমান,
করোনা সংকটে পরে সাধারণ মানুষের অর্থ সংকটের ঠিতমত উত্তোরণ না হতেই বাজারে চাল,সবজি সহ সব ধরনের নিত্যপণ্যের চরম দাম বৃদ্ধিতে অস্থির হয়ে উঠেছে সাধারণ মানুষ। বাজারের এমন অসহনীয় পরিস্থিতে কোন ভাবেই আয়ের সাথে ব্যায়ের মিল রাখতে পারছেনা সব শ্রেণীর পেশার মানুষ। এদিকে বাজারে চাল,সবজি সহ নিত্যপণ্যের দাম বাড়ার কোন কারন দেখছেনা ব্যবসায়িরা তবুও কেন দাম বাড়তি সেই উত্তর ও নেই কারো কাছে।
কক্সবাজার শহরের বড় বাজার এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে নূন্যতম ৭০ টাকার নীচে কোন তরকারী নেই। টমোটো ১১০,সীম ৭০,করলা ৭০,ঢেরশ ৬০.কাচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে কেজি ২৪০ টাকা। এদিকে শহরের অন্যান্য বাজারে এই তরকারীর দাম আরো বেশি,জানতে চাইলে শহরের তারাবনিয়ারছড়া এলাকার আকতার আলম বলেন,আমি পরিবহণে চাকরী করি,করোনা কালীন সময়ে কোন বেতন ভাতা পায়নি,ধারকর্য করে কোন মতে চলছি এখন কিছুটা কাজে যোগদান করেছি তবে বাজারে আসলে মাথা ঘুরার অবস্থা,মাছ কেনাতো দূরের কথা তরীতরকারী কিনতে পারছিনা। প্রতিটি সবজির কেজী ননূতম ৭০ টাকার নীচে। আর বাজারে কোন সংকট ও নাই তাহলে কেন দাম বাড়তি সেটাও বুঝতে পারছিনা। এ ব্যপারে শহরের পিটিআই স্কুলের তরকারী ব্যবসায়ি নজির হোসেন বলেন,আমরা বড় বাজার অথবা লিংক রোড় থেকে পাইকারী সবজি এনে বিক্রি করি সেখানেও প্রচুর সবজি বা তরকারী আছে তবে কেন দাম বাড়তি সেটা আমরাও বুঝতে পারছিনা। এখন সত্যি তরকারীর দাম অনেক বেশি তাই অনেক গরীব মানুষ ইচ্ছা থাকা সত্বেও কিনতে পারছেনা সেটা দেখে আমাদের খারাপ লাগে। এদিকে বাহারছড়া এলাকার আনোয়ার হোসেন বলেন,শুধু তরকারী নয় বাজারে শাঁকের দামও অনেক বেশি,আগে যে কলমী শাক ১০ টাকা দিয়ে পাওয়া যেত সেটা এখন ২০ টাকা নেয় অন্যান্য শাকও অনেক দাম রাখে। আর চাল থেকে শুরু করে সব কিছুর দাম অনেক বাড়তি। আগে ঘরের জন্য যে চালের বস্তা ২১০০ টাক দিয়ে কিনতাম সেটা এখন ২৬০০ টাকা বলতেছে। কিন্তু করোনার কারনে আমাদের আয় কমেছে হাতে কোন টাকা নেই তাহলে এই বাড়তি খরচ কিভাবে করবো সরকারকে বাজার পরিস্থিতির দিকে কঠোর ভাবে নজর দেওয়া দরকার। এদিকে রামু উপজেলার স্কুল শিক্ষিকা রেহনুমা আকতার বলেন,আমার স্বামী বিদেশ থাকে করোনার কারনে গত ৭/৮ মাসে ১ টাকাও দেশে পাঠাতে পারেনি। আমি একটি স্কুলে শিক্ষকতা করি তারা আমাদের কোন বেতন দেওয়াতো দূরের কথা কোন দিন খেয়েছি কিনা জানতেও চায়নি। তার পরও ২ ছেলে নিয়ে কোন মতে জীবন সংসার চালিয়েছি। এর মধ্যে বাজারের অবস্থা খুবই খারাপ,চাল থেকে শুরু করে মাছ তরকারীর দাম এতবেশি যা অতীতে কোন সময় ছিল না,আমার মতে সরকারের উন্নয়নের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের খাবারের দিকে বেশি খেয়াল রাখা দরকার। তিনি বলেন,পদ্ধা সেতু,কিংবা মাতারবাড়ী কয়লা বিদ্যূৎ প্রকল্প আরো ২০০ টি হলেও সাধারণ মানুষের যে উপকার হতো তার থেকে চালের কেজি ১০/১৫ টাকা হলে সাধারণ মানুষের বেশি উপকার হতো,সরকারেরও জনপ্রিয়তা বাড়তো। আগামীতে ভোটের জন্য মানুষের কাছে যেতে হতো না মানুষ খুজে খুজে আওয়ামীলীগকে ভোট দিত। এ ব্যপারে কক্সবাজার দোকান মালিক সমিতির সভাপতি মোস্তাক আহামদ চৌধুরী বলেন,ব্যবসায়ীরা হচ্ছে চেইনের মত ঢাকাতে দাম বাড়লে কক্সবাজারেও দাম বাড়ে,তবে বর্তমানে বাজারে কোন পণ্য ঘাটতি নেই তবুও কেন দাম বাড়ছে এটা আমার বোধগম্য নয়।তবে চাল ব্যবসায়ি সমিতির সভাপতি জসিম উদ্দিন বলেন,বর্তমানে বাজারে চাল সংকট আছে,বাজারে যতটুকু চালের চাহিদা আছে তার চেয়ে কম বাজারে আছে তাই দাম বাড়ছে এই সংকট উত্তোরণে হয়তো চাল আমদানী করতে হবে না হয় আগামী ধান উঠার মৌসুম পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

এই বিষয়ে আরো সংবাদ দেখুন
© All rights reserved © 2021 cox71.com
Developed by WebArt IT