শিরোনাম :
মাতারবাড়ি প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ হাসিনার জম্মদিন উপলক্ষ্যে ঈদগাঁওতে ১ হাজার ৫শ জনের মাঝে টিকা আইসক্রিম বিক্রেতা থেকে কোটিপতি রোহিঙ্গা জালাল : নেপথ্যে ইয়াবা ব্যবসা সিনহা হত্যা মামলার চতুর্থ দফা সাক্ষ্যগ্রহন শুরু উখিয়ার রোহিঙ্গা ছৈয়দ নুরের এনআইডি বাতিল করতে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ আদালতের নির্দেশ অমান্য করে কলাতলীতে হোটেল দখলে নিতে তৎপর প্রতারক চক্র অবাধ তথ্য প্রবাহ দূর্নীতি প্রতিরোধে সহায়ক ভুমিকা রাখতে পারে : সুজনের আলোচনা সভায় বক্তারা ফাঁদে ফেলে ব্ল্যাকমেইল করতেন বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই নারী শিক্ষক ২০ হাজার ইয়াবা সহ আটক ১ জেলার বিভিন্ন মসজিদ মাদ্রাসায় কর্মরত রোহিঙ্গাদের সরকারি সুযোগ সুবিধা বাতিলের দাবীতে আবেদন

ঘর হারা ৬০০ পরিবার পেল আধুনীক ফ্ল্যাট

রির্পোটার:
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, জুলাই ২৩, ২০২০
  • 216 বার সংবাদটি পড়া হয়েছে

কক্স৭১

কক্সবাজার উপকূলের জলবায়ু উদ্বাস্তুদের দেওয়া কথা রেখেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ঝড়-বৃষ্টি-জলোচ্ছ্বাসের সাথে যুদ্ধ করে বেঁচে থাকা জলবায়ু উদ্বাস্তুদের মাঝে কক্সবাজার পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের কুতুবদিয়াপাড়া, সমিতিপাড়া ও নাজিরারটেক এলাকার সাড়ে ৪ হাজার পরিবারকে দেয়া হচ্ছে স্থায়ী আবাস। তাদের জন্য খুরুশকুলে অধিগ্রহণ করা ২৫৩ দশমিক ৩৫০ একর জমিতে গড়ে তোলা হচ্ছে ১৩৯টি ৫ তলা ভবন। যা বিশ্বের অন্যতম বড় আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে রূপ পাচ্ছে।
শুধু স্থায়ী আবাস নয়, এখানে আসা পরিবারগুলোর আর্থিক সচ্ছলতা আনতেও কর্মসূচি নিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়। ইতোমধ্যে নির্মাণ সম্পন্ন হওয়া ২০টি ভবনে প্রাথমিকভাবে ৬০০ পরিবারকে স্থানান্তর প্রক্রিয়া বৃহস্পতিবার উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।ভিডিও কনফারেন্সে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, কক্সবাজার বিশ্বের দীর্ঘতম সৈকত সমৃদ্ধ পর্যটন শহর। সৈকতের তীর রক্ষায় জাতির পিতা বালিয়াড়িতে ঝাউবন সৃষ্টি করেছিল। এখন সময় কক্সবাজারকে বিশ্ব পর্যটনের অন্যতম স্থানে রূপান্তর করা। সে লক্ষ্যেই কক্সবাজার বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নত করা হচ্ছে। তা সম্প্রসারণে দরকার পড়া জমিতে বসবাস করা জলবায়ু উদ্বাস্তুদের জন্য খুরুশকুলে বিশাল আশ্রয়ণ প্রকল্প তৈরির কাজ চলছে। যা থেকে প্রাথমিক ভাবে নির্মাণ কাজ শেষ হওয়া ২০টি ভবনের ফ্ল্যাট হস্তান্তর করা শুরু হয়েছে।
এ প্রকল্পে ১৩৯টি পাঁচতলা ভবন ছাড়াও ১০ তলা একটি দৃষ্টিনন্দন ভবন হচ্ছে। ভবনটির নামকরণ হয়েছে ‘শেখ হাসিনা টাওয়ার’। এ পর্যন্ত পাঁচ তলা বিশিষ্ট ২০টি ভবনের নির্মাণকাজ শেষ হয়েছে। প্রতিটি ভবনে ৪৫৬ বর্গফুটের ফ্ল্যাট রয়েছে ৩২টি। কক্সবাজারের প্রসিদ্ধ পর্যটন স্পট, সামুদ্রিক মাছ, ফুল, নদীসহ নানা নামে সম্পন্ন হওয়া ২০টি ভবনের নামকরণও করে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নিজেই। তা হলো-দোঁলনচাপা, কেওড়া, রজনীগন্ধা, গন্ধরাজ, হাসনাহেনা, কামিনী, গুলমোহর, গোলাপ, সোনালী, নীলাম্বরী, ঝিনুক, কোরাল, মুক্তা, প্রবাল, সোপান, মনখালী, শনখালী, বাঁকখালী, ইনানী ও সাম্পান।প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকারভিত্তিক আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে ২০টি বহুতলভবনের নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে। সকল সুবিধা নিশ্চিত করে তালিকাভুক্ত সকল পরিবারকে নিয়ে যাওয়া হবে আধুনিক এ আশ্রয়ণ প্রকল্পে। ১৯৯১ সালের ঘূর্ণিঝড়ে জলবায়ু উদ্বাস্তু হয়ে উপকূলীয় এলাকা থেকে কক্সবাজার শহরের বিমান বন্দরের আশপাশে যারা মানবেতর জীবনযাপন করছিল, তাদের জন্যই মূলত প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগ।

নিউজটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

এই বিষয়ে আরো সংবাদ দেখুন
© All rights reserved © 2021 cox71.com
Developed by WebArt IT