শিরোনাম :
রামু উপজেলা পরিষদের সৌন্দর্য্য নষ্ট করে দোকান বরাদ্ধের প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ ঈদগাঁও বটতলী-ইসলামপুর বাজার সড়কের বেহাল দশা আইসক্রিম বিক্রেতা থেকে কোটিপতি রোহিঙ্গা জালাল : নেপথ্যে ইয়াবা ব্যবসা পৌর কাউন্সিলার জামশেদের স্ত্রী‘র ইন্তেকাল : সকাল ১০ টায় জানাযা উখিয়ায় বিদ্যুৎ পৃষ্টে একজনের মৃত্যু কক্সবাজারে বেড়াতে এসে অতিরিক্ত মদপানে চট্টগ্রাম ছাত্রলীগ নেতার মৃত্যু টেকনাফে নৌকা বিদ্রোহীদের জন্য কঠিন শাস্তি অপেক্ষা করছে; সাবরাং পথসভায় মেয়র মুজিব ৮ হাজার পিস ইয়াবা, যৌন উত্তেজক সিরাপ নগদ টাকা সহ আটক ১ মহেশখালী পৌর বিএনপির সভাপতি বহিস্কার,কমিটি বাতিল করোনা:ছয় মাস পর দৈনিক শনাক্ত ৬ শতাংশের কম

ঘর নদীতে পড়ে যাওয়ার চিন্তায় ঘুমাতে পারছেনা চাকমারকুল ইউপির ৩ গ্রামের মানুষ

রির্পোটার:
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : বুধবার, আগস্ট ৪, ২০২১
  • 492 বার সংবাদটি পড়া হয়েছে

মাহাবুবুর রহমান.
টানা ভারী বর্ষণে বাঁকখালী নদীর প্রবল ¯্রােতের কারনে ভাংতে বসেছে বাঁকখালী নদীর বিভিন্ন অংশ। এর মধ্যে ভাঙ্গনের তীব্রতার কারনে বিলীন হতে চলেছে রামু উপজেলার চাকমারকুল ইউনিয়নের কয়েকটি পাড়া। খুব দ্রæত নদীর ভাংগন রোধ করা না গেলে এলাকাটি নদী গর্বে হারিয়ে যাবে বলে আশংকা করেছেন খোদ রামু উপজেলা প্রশাসন। তাই দ্রæত পানি উন্নয়ন বোর্ড অথবা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের মাধ্যমে বিশেষ বরাদ্ধের আওতায় বাঁদ নির্মাণের দাবী জানিয়েছেন স্থানীয় জনগন।
শ্রাবনের মাঝামঝি সময়ে হঠাৎ করে কয়েক দিনের একটানা ভারী বৃষ্টিপাতের কারনে পুরু কক্সবাজারের বেশির ভাগ ইউনিয়ন এখন ক্ষতিগ্রস্থ। ৩ দিন পানির নীচে থাকার পর পানি কিছুটা কমলেও ক্ষয়ক্ষতি পুষিয়ে উঠতে পারেনিএখনো বেশির ভাগ মানুষ। এদিকে এখনো বাঁকখালী নদীতে প্রবল ¯্রােত থাকায় ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। সরজমিনে গিয়ে রামু উপজেলার চাকমারকুল ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডে গিয়ে দেখা গেছে বাঁকখালী নদীর ভাঙ্গনের তীব্রতা মারাত্মক আকার ধারন করেছে। নদীর ভাঙ্গন একেবারে বাড়ির সীমানায় চলে এসেছে। এতে চরম আতংকে আছে স্থানীয় বাসিন্দারা। এ ব্যপারে রামু চাকমারকুল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম বলেন,বাঁকখালী নদীতে প্রবল ¯্রােতের কারনে বেশ কিছু জায়গায় ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে বিশেষ করে মিস্ত্রি পাড়া,মাতবর পাড়া,আলী হোসেন মিয়া পাড়ারএলাকার অবস্থা ভয়াবহ আকার ধারন করেছে। যেহারে নীদ ভাঙ্গছে এতে যে কোন মুহুর্তে এলাকার কয়েক শত বাড়িঘর নদীতে পড়ে যেতে পারে। বিষয়টি আমি উপজেলা প্রশাসনকে জানিয়েছি তারা ব্যবস্থা নেওয়ার আশ^াষ দিয়েছে। মিস্ত্রি পাড়ার স্থানীয় বাসিন্দা মোমেন জানান,নদীর ভাঙ্গন তীব্রতর হওয়াতে আমরা খুবই চিন্তার মধ্যে আছি,যে কোন মুহুর্তে কার বাড়িঘর নদীতে পড়ে যায় সেটা নিয়ে চিন্তায় অনেকে রাতে ঘুমাতে পারেনা। তাই দ্রæত পানি উন্নয়ন বোর্ড অথবা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)র মাধ্যমে বøক বা বাঁধ নির্মাণ করে আমাদের এলাকাকে রক্ষা করার দাবী জানাচ্ছি। এ ব্যাপারে স্থানীয় ইউপি সদস্য মোঃ তাহের বলেন,নদীর ভাঙ্গন অনেক আগে শুরু হয়েছিল,আমি অনেক আগে থেকে বাঁধ দিয়ে এলাকা রক্ষার দাবী করে আসছি কিন্তু সম্প্রতি নদীতে ¯্রােত বেশি হওয়ার কারনে ভাঙ্গন বেশি হয়েছে। এতে যে কোন মুহুর্তে কয়েকশত ঘরবাড়ি নদীতে হারিয়ে যেতে পারে। এ ব্যপারে রামু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা প্রণয় চাকমা বলেন,আমি চাকমারকুল ইউনিয়নের মিস্ত্রিপাড়া এলাকার সেই ভাঙ্গন পরিদর্শন করেছি। এটা সত্যি ভয়ংকর অবস্থার মধ্যে আছে,দ্রæত বøক বা বাঁধ দিতে না পারলে বড় ধরনের দূর্ঘটনার আশংকার আছে। আমি বিষয়ে উর্ধতন কর্তৃপক্ষ সহ পানি উন্নয়ন বোর্ডকে অবহিত করেছি। আমি আশা করবো উনারা দ্রæত পদক্ষেপ নিয়ে মানুষের সহায়তায় এগিয়ে আসবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

এই বিষয়ে আরো সংবাদ দেখুন
© All rights reserved © 2021 cox71.com
Developed by WebArt IT