শিরোনাম :

গভীর সমুদ্র বন্দর : বিজয়ের মাসে আরেকটি বিজয়

রির্পোটার:
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ডিসেম্বর ২৯, ২০২০
  • 345 বার সংবাদটি পড়া হয়েছে

আশেক উল্লাহ রফিক এমপি
বিজয়ের মাসে আরেকটি বিজয়, রচিত হল আরো একটি ইতিহাস। পদ্মা সেতুর পর আরেক স্বপ্ন পুরণ মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্র বন্দর। যা স্বপ্ন নয়, এখন বাস্তব। যা করে দেখালেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর কন্যা, বিশ্বের অন্যতম সফল প্রধানমন্ত্রী, গণতন্ত্রের মানস কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা। তিনি হাসলে বাংলাদেশ হাসে। তিনি এগিয়ে গেলে দেশ এগিয়ে যায়। যার নেতৃত্বে এখন দেশে উন্নয়নের জোয়ার চলছে। যেদিকে তাকাই সেদিকেই উন্নয়ন, এটিই শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ।
মাতারবাড়িতে বাণিজ্যিক জাহাজ ‘ভেনাস ট্রায়াম্প’ আজকের এই যাত্রা বাংলাদেশকে উন্নত জাতির কাতারে নিয়ে যাচ্ছে এতে কোন সন্দেহ নেই। বিগত সময়ে আমরা পদ্মসেতুর ও গভীর সমুদ্র বন্দরের গল্প শুনেছি। বাঙ্গালী জাতির ভাগ্য উন্নয়নের প্রতীক জননেত্রী শেখ হাসিনা দেখালেন স্বপ্নের বাস্তবতা। প্রতিশ্রæতি নয়, বাস্তবায়নই শেখ হাসিনার রাজনীতি। মাতারবাড়ির গভীর সমুদ্র বন্দরের ইতিহাসে মাইল ফলক হিসাবে থাকবেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। নেত্রীর পরিকল্পনায় সবকিছু সঠিকভাবে বাস্তবায়ন হচ্ছে। তাই অচিরেই মহেশখালী উপজেলা একটি আধুনিক শহরে পরিণত হবে।
জাপানিদের গবেষণায় বলা হয়েছে-কক্সবাজার থেকে ঢাকা এ ভৌগলিক অঞ্চলটির মাধ্যমে আগামীর বাংলাদেশর জিডিপি এর ৪১ % অর্জিত হবে। মহেশখালীতেই গড়ে তোলা হচ্ছে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল । সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৮ মিটার বা ২৬ ফুট উচ্চতায় নির্মিত ডেডিকেটেড রাস্তার মাধ্যমে মাতারবাড়ির সাথে চট্টগ্রামের সংযোগ সড়ক নির্মিত হচ্ছে। উক্ত সড়কের দুই পাশে থাকবে সার্ভিস রোড। ফলে মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্র বন্দর থেকে স্বল্প সময়ে কন্টেইনার পৌঁছাবে চট্টগ্রামসহ পুরো বাংলাদেশে ।
মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্র বন্দরে প্রথমবারের মত বিদেশী জাহাজে নোঙ্গর করার মাধ্যমে রিচত হল ইতিহাস। সেই ইতিহাসের নায়ক জাতির জনকের তনয়া সফল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি অন্তর থেকে দেশ এবং মানুষকে ভালবাসেন বলেই প্রতিটা ক্ষেত্রে সফলতা পাচ্ছেন। ‘বঙ্গবন্ধু যেভাবে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রতিটি কাজ করেছেন, বঙ্গবন্ধুকন্যাও ঝুঁকি নিয়ে সাহসিকতার সঙ্গে প্রতিটি সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রীর এই সাহসি সিদ্ধান্তে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। বিশ্বের দরবারে দেশের ভাবমূর্তি উজ্বল থেকে উজ্বলতর হচ্ছে। গুণে, মেধায়, যোগ্যতা এবং নেতৃত্বের প্রশ্নে তিনি নিজেকে অনেক উঁচুতে নিয়ে গেছেন। যার সুফল পাচ্ছে দেশ ও জাতি। দৃঢ়চেতা মনোভাব নেত্রীর অবস্থানকে শক্তিশালী করেছে। বঙ্গবন্ধুর জন্ম না হলে বাংলাদেশ স্বাধীন হতো না। তেমনই শেখ হাসিনার জন্ম না হলে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা বিনির্মাণের কাজ জাতি চোখে দেখতো না। শেখ হাসিনার জন্মের সফলতা ও স্বার্থকতা তার কর্মের মধ্য দিয়ে প্রমানিত হচ্ছে।
বাংলাদেশের উত্তর-দক্ষিণের সংযোগ সেতু পদ্মাসেতু বাংলাদেশের উন্নয়নের প্রতীক। বৃহত্তর দক্ষিণ চট্টগ্রামের উন্নয়নের প্রতীক এখন গভীর সমুদ্র বন্দর ও কক্সবাজার পর্যন্ত রেল লাইন সম্প্রসারণ। বিশ্ব ব্যাংকের ঋণের প্রতিশ্রæতি প্রত্যাখান করে দেশের অর্থে নির্মাণ করলেন পদ্ম সেতু। ৩০ হাজার কোটি টাকার এই প্রকল্পটির কাজ এখন ৮১ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে। কক্সবাজারে চলমান প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধীকার ভিত্তিক প্রকল্পগুলোর কাজ দ্রæত এগিয়ে চলেছে।
মহেশখালী-কুতুবদিয়ায় অভূতপুর্ব উন্নয়ন শেখ হাসিনার অবদান। মহেশখালীবাসীর স্বপ্নে সেতু কক্সবাজার সংযোগ সেতু আগামীতে বাস্তবায়ন হবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মহেশখালীবাসীর এই স্বপ্নও বাস্তবায়ন করবেন আগামীতে। একাধীক অগ্রাধীকার প্রকল্পের কাজ এগিয়ে চলেছে। মহেশখালীর প্রধান সড়ক পুনঃ নির্মাণ কাজ দ্রæত সম্পন্ন হবে। কুতুবদিয়া উপজেলায় অচিরেই সাবমেরিন ক্যাবল এর মাধ্যমে জাতীয় গ্রিড থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ হবে। এটিও কুতুবদিয়াবাসীর অন্যতম স্বপ্ন বাস্তবায়ন করছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

এই বিষয়ে আরো সংবাদ দেখুন
© All rights reserved © 2021 cox71.com
Developed by WebArt IT