শিরোনাম :
আইসক্রিম বিক্রেতা থেকে কোটিপতি রোহিঙ্গা জালাল : নেপথ্যে ইয়াবা ব্যবসা সিনহা হত্যা মামলার চতুর্থ দফা সাক্ষ্যগ্রহন শুরু উখিয়ার রোহিঙ্গা ছৈয়দ নুরের এনআইডি বাতিল করতে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ আদালতের নির্দেশ অমান্য করে কলাতলীতে হোটেল দখলে নিতে তৎপর প্রতারক চক্র অবাধ তথ্য প্রবাহ দূর্নীতি প্রতিরোধে সহায়ক ভুমিকা রাখতে পারে : সুজনের আলোচনা সভায় বক্তারা ফাঁদে ফেলে ব্ল্যাকমেইল করতেন বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই নারী শিক্ষক ২০ হাজার ইয়াবা সহ আটক ১ জেলার বিভিন্ন মসজিদ মাদ্রাসায় কর্মরত রোহিঙ্গাদের সরকারি সুযোগ সুবিধা বাতিলের দাবীতে আবেদন রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীর হাতে অপহৃত ৩ বাংলাদেশীকে উদ্ধার করেছে র‌্যাব নাফ নদীতে অজ্ঞাত শিশুর লাশ উদ্ধার

কোটিপতি কাইয়ুম সওদাগর যেন আলাদীনের চেরাগ

রির্পোটার:
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : শনিবার, জানুয়ারী ১৬, ২০২১
  • 187 বার সংবাদটি পড়া হয়েছে

বার্তা পরিবেশকঃ
এক এক করে বেরিয়ে আসছে কাইয়ুম সওদাগরের অবৈধ আয়ের উৎস। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও স্থানীয় পত্রিকায় করফাকি এবং সন্দেহজনক লেনদেনের সংবাদ প্রকাশের পর নড়েচড়ে বসছে প্রশাসন। ইতোমধ্যে আয়কর বিভাগ ও কয়েকটি গোয়েন্দা সংস্থা কাইয়ুম সওদাগরের ডিটেইলস তদন্ত করছে বলে জানা গেছে। একটি সংস্থা ইতোমধ্যে তার বেশকিছু অবৈধ আয়ের উৎসের বিষয়ে খবরাখবর নিতে শুরু করেছে। সামান্য মাথায় ফেরি করে মাছ ব্যবসায়ি কিভাবে এত টাকার মালিক হলো তার রহস্য শীগ্রই খুলে যাবে বলে ধারনা করা হচ্ছে।
একটি নির্ভরযোগ্য সুত্রে জানা গেছে আদম পাচার করে কাইয়ুম সওদাগর এখন ১০ টি ফিশিং বোটের মালিক। এছাড়া রাজস্ব ফাঁকি দিতে নগদ লেনদেন সেরে জায়গার মালিক বনে গেছে। তার ১০ টি ফিশিং বোটে কয়েকটি ইয়াবার চালান সাগর পথে পাড়ি দিয়ে গেল ৩ বছরে কোটি টাকার মালিক হয়েছে বলে জানা গেছে। অনুমোদনহীন অবৈধ টাকায় কেনা তার মালিকানাধীন বোটগুলো হলো এফবি কামরুল হাসান, তার বড় ছেলের নামে এফবি রিফাত, এফবি রফিকুল হাসান নাম ২ টি, ছোট ছেলে ফরহাদের নাম ২ টি ফিশিং বোট রয়েছে। এছাড়া মহেশখালী কুতুবজোম নিজ এলাকায় নতুন করে তৈরি হচ্ছে ৭০ লাখ টাকায় ফিশিং বোট। উক্ত ফিশিং বোটের আর্থিক মূল্য প্রায় ৫ কোটি টাকার উপরে। এছাড়াও রয়েছ যৌথ মালিকানায় রয়েছ আরো ৪ টি ফিশিং বোট যার মূল্য ২ কোটি টাকার উপরে হবে। এছাড়া রয়েছে কুতুবজোম ৯ নং ওয়ার্ড চরপাড়ায় কিনেছে ৮০ শতক জমি, কলাতলিতে রয়েছে আরো ৪ শতক জমি যার আর্থিক মুল্য উভয় জমির ১ কোটি টাকার কাছাকাছি। চট্টগ্রামে স্ত্রীর নামে রয়েছে প্লট।স্ত্রীর বড় ভাইয়ের নামে কিনেছে প্রাইভেট কার। এছাড়া ও একটি জাতীয় প্রত্রিকা কাইয়ুম সওদাগর ১ কোটি ৩৭ লাখ টাকা ধার দিয়েছে বলে স্বীকারও করেছেন। কম সময়ে কিভাবে এত টাকার মালিক হলো সে রহস্য উদঘাটনের জন্য গোয়েন্দা সংস্থা ও আয়কর বিভাগের আরো তৎপরতা বাড়ানো জরুরী। ধরা পড়ার ভয়ে ব্যাংকিং লেনদেন না করায় তাকে ঘিরে রহস্যের দানা বাধছে খোদ সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের। তার মোবাইল ট্রেকিং করে কাদের সাথে তার অবৈধ লেনদেন তা বের করা জরুরী।

নিউজটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

এই বিষয়ে আরো সংবাদ দেখুন
© All rights reserved © 2021 cox71.com
Developed by WebArt IT