কোচিং সেন্টারে শিক্ষক কর্তৃক ছাত্রীকে ধর্ষণ চেস্টাঃঅভিযোগ দায়ের

রির্পোটার:
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : শুক্রবার, এপ্রিল ৩, ২০২০
  • 146 বার সংবাদটি পড়া হয়েছে

মাহাবুবুর রহমান.
করোনা পরিস্থিতির কারনে সরকার সারা দেশে ১৭ মার্চ থেকে শিক্ষা প্রতিষ্টান এবং কোচিং সেন্টার বন্ধ ঘোষনা করলেও কক্সবাজার সদর উপজেলার পিএমখালী উচ্চ বিদ্যালয়ের এক শিক্ষক সরকারি নির্দেশনা না মেনে কোচিং সেন্টারে চালু রেখেছে। সেখানেই এক ছাত্রীকে ধর্ষন চেস্টা করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ভোক্তভাগী ছাত্রীর পক্ষ থেকে স্কুল কর্তৃপক্ষকে লিখিত অভিযোগ দিলেও কোন ব্যবস্থা না নেওয়ায় আতংকে দিন কাটছে ভোক্তভোগী পরিবারের। সরজমিনে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে। পিএমখালী উচ্চ বিদ্যালয়ের বিজ্ঞান শিক্ষক চন্দন কুমার বৈদ্য সরকারি নির্দেশনা না মেনে তার বাড়ি জুমছড়ি হিন্দু পাড়াতে নিয়মিত ব্যাচ করে কোচিং সেন্টার চালু রাখে। ২৯ মার্চ সন্ধ্যায় সেই কোচিং সেন্টারে পড়তে আসা বাংলাবাজার র্গালস স্কুলের ৮ম শ্রেণীর এক ছাত্রীকে শিক্ষক নামধারী লম্পট চন্দন কুমার বৈদ্য প্রথমে কূপ্রস্তাব দেয় তাতে সাড়া না দেওয়ায় উক্ত ছাত্রীকে বিভিন্ন অসালীন কথা বার্তা বলে এবং ধর্ষণ চেস্টা চালায়। পরে ঘটনাটি উক্ত ছাত্রী তার পরিবারকে জানালে সেটা নিয়ে হৈচৈ শুরু হয়। এ ঘটনায় মেয়ের মা বাবা বাদি হয়ে পিএমখালী হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক বরাবরে শাস্তির দাবীতে লিখিত অভিযোগ করে। এ ব্যপারে ভূক্তভোগী ছাত্রী বলেন,সরকার স্কুল ও কোচিং বন্ধ করলেও শিক্ষক আমাদের সব সময় ১৫/২০ জনের ব্যাচ করে পড়ান। ২৯ মার্চ সন্ধ্যার সময় কেউ না থাকলে আমাকে ডেকে পড়া বুঝিয়ে দেওয়া কথা বলে শ্লীলতলাহানীর চেস্টা করে। এবং অনেক আজে বাজে কথা বার্তা বলে। সে সময় ঘরের অন্যরুমে উনার মা ঘুম ছিল স্ত্রী বাইরে ছিল। এ ব্যপারে অভিযুক্ত শিক্ষক চন্দন কুমার বৈদ্য বলেণ,এগুলো আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র,মূলত জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করতে এই ষড়যন্ত্র করছে। আর আমার ঘরে মা, স্ত্রী এবং বাচ্চা থাকে এখানে আমি কিভাবে এই কাজ করবো। আর ঘটনা বিষয়ে স্থানীয় ইউপি মেম্বার বিচার করে দিয়েছে তাই এখানে আর কিছু বলার নেই। তবে সরকারের নির্দেশনা না মেনে কেন কোচিং করাচ্ছিলেন সেই প্রশ্নের জবাব দেন নি তিনি। এ ব্যাপারে স্থানীয় ইউপি মেম্বার মোহাম্মদ আলম বলেণ,মেয়ের পরিবারের পক্ষ থেকে আমাকে অভিযোগ দিয়েছিল যেহেতু এখন স্কুল বন্ধ তাই আপাতত প্রাইভেট না পড়ানোর জন্য বলেছি আর অন্য কোন বিচারের রায় আমি দেয়নি। এ ব্যপারে পিএমখালী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান রেজাউল করিম বলেণ,এ সংক্রান্ত একটি অভিযোগ পাওয়া গেছে। আমরা জরুরী সভা ডেকে তদন্ত কমিটি গঠন করেছি। কমিটি ৩ দিনের মধ্যে রিপোর্ট দেবে। এবং সরকারি নির্দেশনা না মেনে কেন কোচিং করিয়েছে সে জন্য আমরা তার কাছ থেকে জবাব চেয়েছি।
অন্যদিকে পিএমখালী উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সাবেক সভাপতি আবদুল কাদের বলেন,লম্পট শিক্ষক চন্দুন কুমারের বিরুদ্ধে আগেও বহু অনৈতিক কর্মকান্ডের অভিযোগ রয়েছে। এ ব্যপারে পিএমখালী উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি নুরুল আমিন বলেণ,অভিযোগ তদন্ত করে প্রাথমিক সত্যতা পেয়েছি। রিপোর্ট আসলেই উক্ত শিক্ষককে বহিস্কার করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

এই বিষয়ে আরো সংবাদ দেখুন
© All rights reserved © 2021 cox71.com
Developed by WebArt IT