কলাতলীতে ইয়াবা সিন্ডিকেটের বেশির ভাগ সদস্য অধরা

রির্পোটার:
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : সোমবার, মে ১০, ২০২১
  • 274 বার সংবাদটি পড়া হয়েছে

মাহাবুবুর রহমান.
পর্যটন নগরী কক্সবাজারে সরাসরি পর্যটকদের সাথে সম্পৃক্ত এলাকা হিসাবে দীর্ঘদিন ধরে মাদক এবং ইয়াবার সাথে জড়িত হয়ে পড়েছে স্থানীয় বেশ কিছু লোকজন। ইতি মধ্যে বেশ কয়েকজন ইয়াবা নিয়ে আটক হলেও কমেনি কলাতলী এলাকার ইয়াবা ব্যবসা বরং কযেক বছরে কয়েক গুন বেড়েছে মরণ ব্যাধী এই ট্যাবলয়েটের ব্যবসা। এদিকে জেলা পুলিশের অভিযানে ৮ মে ১ লাখ ২০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার হওয়ার পরে আবারো আলোচনায় এসেছে পর্যটন এলাকা কলাতলী। এতে আটক হওয়া শামসুল ইসলামের স্ত্রী ফাতেমা বেগম ও ছেলে সাইফুল ইসলাম ছাড়াও বৃহত্তর কলাতলীতে আরো অন্তত ১ ডজন ইয়াবা ব্যবসায়ি আছে বলে জানান স্থাণীয়রা। তাদের দাবী ইয়াবার মুল উৎপাটন করার জন্য সমস্ত ইযাবা ব্যবসায়িদের আটক করা দরকার।
কলাতলী এলাকার বেশ কয়েকজন গন্যমান্য ব্যাক্তি,রাজনৈতিক নেতৃবৃন্ধ,সমাজপতিদের দেওযা তথ্যমতে কলাতলী এলাকায় পর্যটকদের বেশ আনোগুনা থাকার কারনে এই এলাকাতে মাদক সহ ইয়াবার প্রচলন বেশি। দীর্ঘ দিন ধরে কলাতলীতে কয়েক জনের সিন্ডিকেট ইয়াবা ব্যবসা করে আসছে। তার মধ্যে অন্যতম দক্ষিণ কলাতলী এলাকার লালু মিস্ত্রির ছেলে দেলোয়ার বর্তমানে ঢাকা ফ্ল্যাট বাড়ি নিয়ে থাকে আরো বিভিন্ন আলিশান ব্যবসা বানিজ্য আছে। সে বিয়ে করেছে টেকনাফ থেকে সেই থেকে তার ইয়াবা ব্যবসার যাত্রা, তার সিন্ডিকেটে আছে তার আপন ভাই জামাল হোসেন এবং আমির হোসেন তারা বর্তমানে খুরুলিয়া ভুতপাড়াতে থাকে। তারাই মুলত সাগর পথে ইয়াবা পাচারের অন্যতম নায়ক। সাথে আছে টেকনাফের শাহাবুদ্দিন সেই টেকনাফ থেকে ইয়াবা আনে। শাহাবুদ্দিন বর্তমানে কলাতলী.চন্দ্রিমা সহ বিভিন্ন স্থানে বেশ কয়েকটি জমি এবং রেস্তুরার মালিক। তাছাড়া ৮ মে গ্রেফতার হওয়ার শামসুল ইসলামের স্ত্রী ফাতেমা দেলোয়ার গংদের বোন এবং সাইফুল ভাগিনা উদ্ধার হওয়ার ইয়াবা গুলো দেলোয়ার গংদের বলে জানান এলাকাবাসী। আটক সাইফুলে ভাই রাসেল হচ্ছে বর্তমানে ইয়াবার বড় ডন। আর কলাতলীতে বর্তমানে উঠতি বয়সের ছেলেদের নষ্ট করার অন্যতম কারিগর হচ্ছে পশ্চিম কলাতলীর নুরল ইসলামের ছেলে আবু তাহের। তার কাছ থেকে ইয়াবা নিয়ে খুচরা পর্যায়ে বিক্রি করে অনেক উঠতি বয়সের ছেলেরা মটর সাইকেল নিয়ে ইয়াবা পাচার করছে। এছাড়া রাসেলের অন্যতম সহযোগি এবং মধুবনের জব্বার। এলাকার বেশির ভাগ মানুষের দাবী জব্বার নিজে এবং উঠতি বয়সের ছেলেদের দিয়ে ইয়াবা পাচার করে বিপুল টাকা আয় করেছে। এছাড়া শালিক রেস্তুরার মালিক নাছির এবং তার ভাই হেলা খান অল্প দিনে হোটেল ব্যবসার নামে ইয়াবা ব্যবসা করে বিপুল টাকা আয় করেছে। বেশির ভাগ ইয়াবার ডিল এবং টাকার লেনদেন শালিক রেস্তুরাতেই হয়। তৌহিদ,সাবিক,গুরা মিয়া সহ অনেকে রয়েছে এই সিন্ডিকেটে। এছাড়া পূর্বে কলাতলী এলাকার আনছার স্ত্রী সহ ইয়াবা নিয়ে আটক হয়েছিল এছাড়া তার ভাই মিঠু বর্তমানে এলাকা ফিরে এসে আবার চাঙ্গা করেছে ইয়াবা ব্যবসা। এছাড়া ইয়াবা নিয়ে আটক হওয়া সাজা প্রাপ্ত আসামী মনছুর তার ভাই আবছার, জয়নাল সহ অনেকে পুরানো পেশায় আছে বলে জানান এলাকাবাসী। এছাড়া দক্ষিণ কলাতলী এলাকার গফুরের ছেলে সাইফুল পূর্বে গ্রেফতার হলে বর্তমানে আবার ফিরে এসে ইয়াবা ব্যবসা জমিয়ে তুলেছে, বড়ছড়া এলাকার ইসমাঈলের ছেলে জাহেদ,নুরুল ইসলামের ছেলে আবদুস ছালাম,কাজী খালেকের ছেলে কামাল এলাকার শীর্ষ ইয়াবা ব্যবসায়ি বলে জানা গেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

এই বিষয়ে আরো সংবাদ দেখুন
© All rights reserved © 2021 cox71.com
Developed by WebArt IT