শিরোনাম :
স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষ্যে জেলা আনসারও ভিডিপি’র বর্ণাঢ্য পতাকা র‌্যালী অনুষ্ঠিত ইচ্ছার বিরুদ্ধে বিয়ের জন্য চাপ দেওয়াতে ইসলামপুরে তরুনীর আত্মহত্যা ঈদগাঁও রাবার ড্রাম পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতির নিবার্চন সম্পন্ন সড়ক দূর্ঘটনায় মহেশখালী থানার পুলিশ কনস্টেবলের মৃত্যু গণপরিবহনে হাফ ভাড়া চান চট্টগ্রামের শিক্ষার্থীরাও কক্সবাজারে বিমান উড্ডয়নের সময় ধাক্কাতে ২ টি গরুর মৃত্যু : বড় দূর্ঘটনা থেকে রক্ষা চকরিয়ায় ব্যালট পেপার বিনষ্টের অভিযোগে মামলা: প্রিজাইডিং অফিসার কারাগারে খুরুশকুল এলাকায় অভিযানে ১ লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে র‌্যাব-আটক ১ কস্তুরাঘাট সংলগ্ন বাকঁখালী নদী এখন প্রভাবশালীর ব্যাক্তিগত জমি বদরখালীতে নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় নৌকা প্রার্থীর ভাগ্নেকে পিটিয়ে হত্যা

করোনায় সম্মুখ যুদ্ধা মেডিকেল টেকনোলজিস্টদের খবর রাখেনা কেউ

রির্পোটার:
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : শনিবার, মে ৯, ২০২০
  • 123 বার সংবাদটি পড়া হয়েছে

মাহাবুবুর রহমান.
বিশ^ মহামারী করোনা ভাইরাসের কারনে বাংলাদেশের সব কিছুতে এখন স্থবিরতা। ঘরে থাকা যেখারে রাষ্ট্রের ঘোষনা সেখানে করোনা যুদ্ধে সম্মুখ সমরে কাজ করছি মেডিকেল টেকনোলজিষ্টরা। করোনা রোগির কাছ থেকে স্বশরীরে গিয়ে নমুনা সংগ্রহ করা থেকে শুরু করে সেটা ল্যাবে পরীক্ষা এবং রিপোর্ট তৈরি করে কর্মকর্তাদের টেবিল পর্যন্ত পৌছাতে পেছনে থেকে যে মানুষ গুলো অবদান রাখছে কেউ খবর রাখছেনা সে সব বীরদের। কোন সময় খবরে ও আসেনা এমনকি টিভিতে নিজের চেহারা দেখানো সুযোগও নেই বরং মাঝে মধ্যে সামান্য পানথেকে চুন খসলেই পড়তে হয় নানা আইনী জটিলতায় শুনতে হয় কর্মকর্তাদের বকোনি। তবে সাধরাণ মানুষের মতে করোনার এই দুঃসময়ে মেডিকেল,ইপিআই টেকনোলজিষ্ট এবং স্বাস্থ্য বিভাগের দাপ্তরিক কাজে যারা জড়িত তারাই সব চেয়ে বেশি সম্মান পাওয়ার যোগ্য।
কক্সবাজার সিভিল সার্জন অফিস সূত্রে জানা গেছে পুরু কক্সবাজারে মেডিকেল টেকনোলজিস্ট আছে ৮ জন,ইপিআই মেডিকেল টেকনোলজিস্ট আছে ৯ জন এছাড়া কক্সবাজার সদর হাসপাতালে মেডিকেল টেকনোলজিস্ট আছে ৪ জন। তারাই মূলক করোনা রোগি থেকে নমুনা সংগ্রহ করে। পরে সেগুলো কক্সবাজার মেডিকেল কলেজের ল্যাবে পরীক্ষা করে নির্ধারণ করা হয় কারো শরীরে করোনা ভাইরাস আছে কিনা। আর ল্যাবে ও কাজ করে মেডিকেল টেকনোলজিস্টরা সাথে অবশ্য বিশেষজ্ঞ ডাক্তাররা থাকে।
এ ব্যপারে কক্সবাজার সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ শাহীন আবদুর রহমান বলেণ,মেডিকেল টেকনোলজিস্টরা হচ্ছে বর্তমান সময়ের সব চেয়ে গুরুত্বপূর্ন অংশ। তারাই করোনা রোগি থেকে মাঠ পর্যায়ে গিয়ে নমুনা সংগ্রহ থেকে শুরু করে পরীক্ষার রিপোর্ট পর্যন্ত সব কিছু করছে। এছাড়া দপ্তরিক কাজের সাথে জড়িতরাও অগ্রভাবের সৈনিক বলা যাবে। আমি এমনও দেখেছি রোজা রেখে অনেকে যথা সময়ে ইফতার করতে পারেনা। বাড়িতে ফিরছে মাঝরাতে ঠিকমত সেহেরী খেতে পারছেনা। তার পরও তারা নিষ্টার সাথে দায়িত্ব পালন করছে। সে জন্য আমি ব্যাক্তিগত এবং স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে তাদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন মেডিকেল টেকনোলজিস্ট বলেন,যখন থেকে দেশে করোনা পরিস্থিতি ভয়াবহ রুপ নিয়েছে তখন থেকে আমাদের জীবনকে উৎসর্গ করেছি রাষ্ট্রের কাজে। ইতি মধ্যে মহেশখালীতে আমাদের ২ জন সহকর্মী করোনা আক্রান্ত হয়েছেন তারা রোগি থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে গিয়েই আক্রান্ত হয়েছেন বলে সবার ধারনা। এতে আমাদের পরিবার পরিজন চরম ঝুকির মধ্যে আছে। বর্তমানে ল্যাবে এবং মাঠে কাজ করতে গিয়ে আমাদের খাওয়া দাওয়ার সময়ও পায়না। আবার বাড়ি ফিরেও ঠিকমত ছেলেমেয়েদের সাথে সময় কাটাতে ভয় লাগে কারন সারাক্ষণ করোনার সাথে থাকি সে জন্য। যদিও অনেক ধরনের প্রটেকশন ব্যবহার করি তার পরও খুব ভয় লাগে। এর পর ও আমাদের সামান্য ভুল বা অন্যকোন সমস্য হলে পোহাতে হয় নানান ধরনের ঝামেলা।
কক্সবাজার সদর হাসপাতালের তত্বাবধায়ক ডাঃ মোহাম্মদ মহিউদ্দিন বলেণ,একজন ডাক্তার তখনি চিকিৎসা দিতে পারে যখন তার হাতে রোগির সঠিক তথ্য থাকে। আর রোগের সঠিক তথ্য তুলে আনে মেডিকেল টেকনোলজিস্ট সহ সহযোগিরা। বর্তমান কঠিন পরিস্থিতিতে তারা খুবই আন্তরিক ভাবে দেশের জন্য কাজ করছে বলেই এখনো পর্যন্ত সব কিছু নিয়ম মাফিক চলছে তাই আমি তাদের অভিবাধন জানাচ্ছি।

নিউজটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

এই বিষয়ে আরো সংবাদ দেখুন
© All rights reserved © 2021 cox71.com
Developed by WebArt IT